আওয়ামী লীগের সমন্বয় সভা শুক্রবার 

আগের সংবাদ

গরুবোঝাই করিমন উল্টে ব্যবসায়ী নিহত

পরের সংবাদ

বাঙালির অনিবার্য নাম ঈশ্বরচন্দ্র

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০ , ৬:২১ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০ , ৬:২৪ অপরাহ্ণ

ঈশ্বরচন্দ্র ছিলেন সত্যনিষ্ঠ একজন সাহসী মানুষ; তিনি যা বিশ্বাস করতেন, তাই তিনি বলতেন এবং করতেন। সমাজে তিনি বিধবা বিবাহের জন্য দাবি তুলেছিলেন; তাঁর সে দাবি তিনি প্রতিষ্ঠাও করেছিলেন। গোটা নারীজাতি এবং সমাজকে পথ দেখিয়ে নিজেও তিনি কখনো পিছিয়ে থাকেননি। নিজের একমাত্র ছেলে নারায়ণ চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভব সুন্দরী নামে এক বিধবার সাথে তিনি বিয়ে দিয়েছিলেন।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর জন্মেছিলেন আজ থেকে দু’শবছর আগে। এই দু’শবছর ধরেই বিদ্যাসাগর বাঙালির জীবনে বেঁচে আছেন সরবে। জীবন, এমন এক সময়, যে সময়টাকে মানুষের কল্যাণে সঠিক ব্যবহার করতে পারলে মৃত্যু তাকে মেরে ফেলতে পারে না কোনোদিন; এবং সেখানেই জীবনের সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে। আমাদের অহংকার, বাঙালি জাতির মুক্তির দিশারি বঙ্গবন্ধুর বুকে বুলেট-মৃত্যু সেঁটে দিয়ে যারা ১৯৭৫-এ তাঁকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল; যারা দশকেরও অধিক সময় ধরে প্রতিদিন মেরে ফেলতে চেয়েছে শেখ মুজিবের নাম; তারা কি ব্যর্থ হয়ে যায়নি? তারা আজ কোথায়? ইতিহাসের কোন আঁস্তাকুড়ে ঠাঁই পেয়েছে তারা আজ? কিন্তু বঙ্গবন্ধু বেঁচে আছেন তাঁর কীর্তি আর ত্যাগের মহিমায়। সাধারণেরা আয়ুষ্কাল ফুরালেই মরে যায়; কিন্তু কীর্তিমানেরা বেঁচে থাকেন মানুষের চিন্তায়-মননে আর সৃষ্টিশীলতায়। পৃথিবীতে যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, যতদিন বাঙালির স্বাধীনতার সম্মান উজ্জীবিত থাকবে; ততদিন বাঙালির জাতিপিতার নাম উচ্চারিত হবে বাঙালির ঘরে ঘরে। একইভাবে বাংলা ভাষা যতদিন বেঁচে থাকবে, বাঙালি নারীর সম্মানবোধ যতদিন জাগরূক থাকবে, ততদিন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম বাঙালি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে, ততদিন বাঙালিকে শরণাপন্ন হতে হবে তাঁর কাছে।

আমরা জানি ভাষার দু’টি ধারা, আঞ্চলিক কথ্যভাষা এবং প্রমিত ভাষা। কথ্যরীতিতে ভাষার শব্দ-সুর-স্বর প্রতি সাত মাইল দূরে গিয়ে পরিবর্তিত হয়ে যায়; তাই বিশাল বঙ্গ-জনপদের সবাই বাংলা ভাষায় কথা বললেও চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষা রংপুর বা ঢাকার বাঙালি বুঝতে পারে না। একইভাবে প্রতিটি অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষায় এমন কিছু নিজস্ব শব্দ আছে, যা অন্য অঞ্চলের মানুষ বুঝতে পারে না; এই বাস্তবতার নিরিখে ভাষার একটা প্রমিতরূপ আবশ্যিক হয়ে পড়ে। বাংলা গদ্যভাষার সেই প্রমিত রূপটির রূপকার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। আমাদের ভাষা ও বর্ণমালা বিন্যাসে ঈশ্বরচন্দ্রের কীর্তি বাঙালির সৃষ্টিশীলতাকে ঐশ্বর্যমণ্ডিত করেছে। সে কারণেই প্রাজ্ঞজনেরা তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলেছেন। বাংলা ভাষায় দাঁড়ি-ছাড়া অন্য কোনো বিরামচিহ্নের ব্যবহার ছিলই না! ল্যাটিন ভাষা থেকে কমা, সেমিকোলন, কোলন, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময়চিহ্ন ইত্যাদি এনে ঈশ্বরচন্দ্রই বাংলা গদ্য ভাষাকে পরিশীলিত করে তোলেন। এতে ভাষার প্রকাশভঙ্গি সাবলীল ও ব্যঞ্জনাময় হয়ে ওঠে। গদ্য ভাষায়ও যে ছন্দের অদৃশ্য উপস্থিতি আছে; অন্তর্গূঢ়-সুপ্ত স্পন্দন আছে; ইংরেজিতে যাকে রিদম বলা হয়; বিদ্যাসাগরই তা আবিষ্কার করেন এবং তাঁর লেখা সাহিত্যে প্রয়োগও করেন। বিদ্যাসাগরের এ আবিষ্কারে ভাষা যেন স্পন্দিত-ঝংকৃত হয়ে ওঠে; ভাষা যেন অচলায়তন ভেঙে ছন্দিত ঝর্না হয়ে ওঠে; বিদ্যাসাগরের আবিষ্কারে ভাষার শক্তি ও ঐশ্বর্য উন্মুক্ত হয়ে পড়ে; ভাষার দ্যুতি বেড়ে যায় বহুগুণে। আজ যখন বাংলা ভাষাকে পৃথিবীর সুমিষ্ট ভাষা হিসেবে জাতিসংঘ স্বীকৃতি দেয়, তখন আমাদের বুকে নেপথ্যের কারিগর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মুখটি ভেসে ওঠে নিজের অজান্তেই।

বাংলা বর্ণমালা থেকে তিনি অনাবশ্যক কয়েকটি বর্ণ বাদ দিয়ে ভাষার চলৎশক্তিকে বাড়িয়ে দেন। তিনি লেখাপড়ায় খুব ভালো ছিলেন, একবার পড়েই সব মনে রাখতে পারতেন, পরীক্ষায় ভালো ফল করেছিলেন বলে তাঁকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি দেয়া হয়; সমাজের মঙ্গলের জন্যও তিনি অনেক ভালো কাজ করেছেন; তিনি বেতনের টাকা গরিব-দুঃখীদের দান করে দিতেন, এজন্য তাঁকে ‘দয়ারসাগর’ বলা হতো; সাধারণ জীবনযাপন করতেন, একটি ধুতি পরতেন আর একটি সাধারণ চাদর গায়ে দিতেন, ইত্যাদি। শুধু কি এসব কারণেই বাঙালি তাঁকে স্মরণ করবে? না, অবিস্মরণীয় হয়ে থাকার জন্য তাঁর আরও অনেক কীর্তি। আসুন আমরা তাঁর কীর্তিগুলো সামান্য আলোকিত করে, নিজেদের আলোকিত করে নিই।

সমাজ সংস্কারক ঈশ্বরচন্দ্র
অবিভক্ত ভারতের বঙ্গভ‚মিতে নবজাগরণ আনতে যাঁরা অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন, ঈশ্বরচন্দ্র ছিলেন সে আন্দোলনের প্রবাদপুরুষ। ডিরোজিওর নেতৃত্বে ইয়ং বেঙ্গলের নবজাগরণ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বিদ্যাসাগরের আবির্ভাব। আবার ছাত্রাবস্থায় রাজা রামমোহন রায়ের নেতৃত্বে সতীদাহ প্রথা রোধ আন্দোলনের সময় বিদ্যাসাগরের বেড়ে ওঠা। “If there is anything that we hate from the bottom of our heart, it is Hinduism” (অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে যাকে আমরা ঘৃণা করি, তা হচ্ছে হিন্দুত্ব)-এ কথা ঘোষণা করেও ইয়ং বেঙ্গলের যে সদস্যরা পরবর্তীকালে গোড়া ধর্মানুসারী হয়েছিলেন, বিদ্যাসাগর ছিলেন সে চরিত্রের বিপরীত। তিনি মানুষের কল্যাণার্থে ছিলেন অনমনীয়; আপন কার্যসিদ্ধির প্রতিজ্ঞায় তিনি ছিলেন অনড়-অদম্য-দৃঢ়চেতা। বাস্তবতার নিরিখে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বিধবা বিবাহের প্রচলন এবং বহুবিবাহ প্রথা রোধ হয়ে উঠেছিল তাঁর জীবনের ব্রত। প্রচলিত সামাজিক অনাচার, ভ্রান্ত রীতিনীতির বিপক্ষে দাঁড়িয়ে অতটা অকুতোভয়- অতটা অনমনীয় থাকা সহজ বিষয় ছিল না। বাংলা তথা উপমহাদেশের সমাজ সংস্কার আন্দোলনে ঈশ্বরচন্দ্র হয়ে উঠলেন দৃষ্টান্ত।

রাজা রামমোহন রায়-এর নেতৃত্বে সতীদাহ প্রথা নিরোধকল্পে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল; ১৮২৯ সালে তৎকালীন সরকার আইন করে সতীদাহ প্রথা রোধ করে; কিন্তু সতীদাহ প্রথা রোধের ফলে সমাজে কিছু জটিল অবস্থার সৃষ্টি হয়; প্রথমত আইন করে সতীদাহ প্রথা রোধ করা হলেও সরকারের দৃষ্টির আড়ালে কট্টরপন্থি হিন্দুরা বিভিন্ন স্থানে সহমরণের আয়োজন করতে থাকে; সেই দুঃসহ অসভ্যতা থেকে সমাজকে মুক্তি দিতে প্রয়োজন হয় নিবিড় সমাজ সংস্কার; সে সংস্কার আন্দোলনেরও একজন কর্মী ছিলেন বিদ্যাসাগর। অন্যদিকে সতীদাহ প্রথা রোধ হয়ে যাবার পর নতুন এক সমস্যার সৃষ্টি হয় সমাজে; ঘরে ঘরে শোনা যায় বিভিন্ন বয়সী বিধবা বালিকা ও নারীর হাহাকার। কখনো লোকচক্ষুর আড়ালে, কখনো বা প্রকাশ্যে নিগ্রহের শিকার হয় অসহায় বিধবারা; কত যে দীর্ঘশ্বাস বাতাসে মিলিয়ে যায়, কে তার হিসেব রাখে? সমাজের এই কঠিন বাস্তবতায় প্রথমে ঈশ্বরচন্দ্র কিছুটা বিচলিত হয়ে পড়েন; এ সময় তিনি বিধবা বিবাহ প্রচলনের কথা ভাবেন; কিন্তু শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিত এবং ব্রাহ্মণসমাজ সোচ্চার হয়ে ওঠেন ঈশ্বরচন্দ্রের বিরুদ্ধে; শেষ পর্যন্ত তিনি শাস্ত্র ঘেঁটে উদ্ধার করেন, শাস্ত্রে বিধবা বিবাহে কোনো বাধা নেই। অতঃপর এতদসংক্রান্ত আন্দোলন তিনি জোরদার করেন। আন্দোলন সংগঠিত হওয়াতে সমাজে বিধবাদের এক কঠিন অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়। অদম্য ঈশ্বরচন্দ্র বিধবা বিবাহ প্রচলন করার মধ্য দিয়ে সমাজে লাঞ্ছিত স্ত্রী-জাতির একটি অংশকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এক অভিযানে মেতে ওঠেন। বিধবা বিবাহ প্রচলন করার দাবিটি তৎকালীন সমাজ-নেতাদের সম্মানে আঘাত করেছিল। ফলে বিদ্যাসাগরকে এক বিরাট বাধার পাহাড় ডিঙানোর আন্দোলন গড়ে তুলতে হয়েছে। দ্বারে দ্বারে ঘুরে বিধবা-বিয়ের সমর্থনে তিনি ধর্মবেত্তা-পণ্ডিত, সামাজিক নেতাদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করেন। ১৮৫৫ সালে বেশকিছু শাস্ত্রজ্ঞ-ব্রাহ্মণ পণ্ডিত নির্ভীকচিত্তে প্রকাশ করলেন যে, শাস্ত্রে হিন্দু-বিধবাদিগের চিরবৈধব্য-বিধি নাই এবং বিধবা বিবাহ শাস্ত্রসম্মত। এর ফলে চারিদিকে তোলপাড় শুরু হলো। বাংলার প্রত্যেক নগরে এবং গ্রামে তুমুল আন্দোলন হতে লাগলো; পাশাপাশি চললো আন্দোলনের বিরুদ্ধে আন্দোলন; প্রতিপক্ষও প্রবল; শেষ পর্যন্ত সরকার বিধবা বিবাহ প্রথা চালু করে। প্রথমদিকে বিধবা বিবাহের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ এতটাই প্রবল ছিল যে, বিধবা বিবাহের অনুষ্ঠানে সরকারকে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করতে হতো। নিপীড়িত-নির্যাতিত-লাঞ্ছিত-বঞ্চিত নারী জাতিকে এবাবেই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর আলোর দিশা দিয়েছেন।

ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে নদীয়া, বর্ধমান, হুগলী ও মেদেনীপুর জেলায় ৩৫টি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৬৪ সালে বাংলায় বালিকা বিদ্যালয়ের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৮৮টি। আজ আমাদের মেয়েরা যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন, জ্ঞান-বিজ্ঞানে অবদান রাখবার সুযোগ পাচ্ছেন, দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করছেন, বিভিন্ন পেশায় নিজেদের যোগ্যতা ও দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ পাচ্ছেন; জাতিকে নেতৃত্ব দেবার চ্যালেঞ্জ দেখাতে পারছেন; এর সূত্রপাত করেছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। এরপরও কি বাঙালি ললনাগণ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের স্মৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন না! আমার বিশ্বাস অতটা অকৃতজ্ঞ কোনোদিনই নন বাংলার নারী সমাজ। আর পুরুষেরা অর্ঘ্য দেবেন কেন? পুরুষেরা অর্ঘ্য দেবেন সমাজের একজন মানুষ হিসেবে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরই যে বাঙালি পুরুষদের সত্যিকারের পুরুষ হবার মন্ত্র শিখিয়ে দিয়ে গেছেন।

ঈশ্বরচন্দ্র ছিলেন সত্যনিষ্ঠ একজন সাহসী মানুষ; তিনি যা বিশ্বাস করতেন, তাই তিনি বলতেন এবং করতেন। সমাজে তিনি বিধবা বিবাহের জন্য দাবি তুলেছিলেন; তাঁর সে দাবি তিনি প্রতিষ্ঠাও করেছিলেন। গোটা নারীজাতি এবং সমাজকে পথ দেখিয়ে নিজেও তিনি কখনো পিছিয়ে থাকেননি। নিজের একমাত্র ছেলে নারায়ণ চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভব সুন্দরী নামে এক বিধবার সাথে তিনি বিয়ে দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, পুত্র নারায়ণ যখন তাঁর সেই স্ত্রীকে ত্যাগ করতে চাইলেন; ন্যায়নিষ্ঠ বিদ্যাসাগর তাতে অসম্মতি জানালেন এবং উইল করে নিজ সম্পত্তির অধিকার দিলেন পুত্রবধূকে; পুত্র নারায়ণকে নয়। সবাই জানেন ঈশ্বরচন্দ্র ‘দয়ারসাগর’, অভাবগ্রস্ত অনেককেই তিনি সাহায্য করতেন; যখন অর্থকষ্টে মাইকেল মধুসূদন দত্ত জর্জরিত বিদ্যাসাগর সে সময় তাঁকেও অর্থ সাহায্য করতেন। মনে রাখতে হবে, বিদ্যাসাগর ছিলেন শাস্ত্রজ্ঞ-সংস্কৃত পণ্ডিত, আর মাইকেল মধুসূদন দত্ত ছিলেন ধর্মান্তরিত খ্রিস্টান; হিন্দু সমাজের তাই, তাঁর প্রতি ছিল প্রচণ্ড বিদ্বেষ; শুধু তাই নয় মধুসূদন লিখেছিলেন ‘মেঘনাদ বধকাব্য’ নামে মহাকাব্য। রামায়ণের কাহিনী নির্ভর সে কাব্যে মধুসূদন হিন্দু সমাজে অবতার হিসেবে পুজ্য রামকে খলচরিত্র হিসেবে আর রাক্ষস রাবণকে নায়ক হিসেবে উপস্থাপন করলেন; আর শাস্ত্রজ্ঞ-সংস্কৃত পণ্ডিত হয়ে বিদ্যাসাগর সেই ‘মেস্নচ্ছ’কে অর্থসাহায্য করলেন! ধর্মকে নয়, তিনি সম্মান দিয়েছিলেন মধুসূদনের প্রতিভাকে। সব মিলিয়ে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর ৭১ বছরের যাপিত জীবনে নিজেকে এমন এক উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন, যে কারণে প্রত্যেক সচেতন বাঙালি তাঁকে স্মরণ করতে বাধ্য।

এসআর

মন্তব্য করুন

যে মন্তব্যগুলো খবরের বিষয়বস্তুর সাথে মিল আছে এবং আপত্তিজনক হবে না সেই মন্তব্যগুলোই দেখানো হবে। প্রকাশিত মন্তগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত। পাঠকের কোন মন্তব্যের জন্য ভোরের কাগজ লাইভ কোন দায়ভার গ্রহণ করবে না।

জনপ্রিয়