অধিগ্রহণের ভবন ভাঙার সময় প্রাণহানি

আগের সংবাদ

দেশের প্রবৃদ্ধি এশিয়ায় সবচেয়ে ওপরে

পরের সংবাদ

রিজেন্ট চুক্তিতে স্বাস্থ্যের চারজন

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০ , ৬:৫১ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০ , ৬:৫৯ অপরাহ্ণ

ইসেন্সের মেয়াদ না থাকার পরও রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে করোনা চিকিৎসায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করা চুক্তিকে অবৈধ বলেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এদিকে করোনার নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার জন্য চুক্তি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা ও চিকিৎসায় খরচবাবদ তিন কোটি ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ সংস্থাটির উপ-পরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী মামলাটি করেন বলে কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন। সাহেদ ছাড়া মামলার অপর আসামিরা হলেন- স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. মো. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. মো. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা. মো. দিদারুল ইসলাম।

মামলার অভিযোগপত্রে দেখা যায়, দুদদের অনুসন্ধানে মো. সাহেদ ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া রিজেন্ট হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্সদের থাকা-খাওয়ার বিল তুলে নেওয়ারও উদ্যোগ নিয়েছিলেন সাহেদ ও আসামিরা। দুদকের তিন সদস্যের অনুসন্ধান শেষে আজ মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত বলেন, অনুসন্ধান কর্মকর্তা যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সরাসরি প্রমাণ পেয়েছেন তাদেরকে আসামি করা হয়েছে। তবে এখানেই শেষ নয়, তদন্তে যদি আরও কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় তাদেরকেও চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে লাইসেন্স নবায়নবিহীন বন্ধ রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর , মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং সম্পাদন ও সরকারী প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে তিন হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনামূল্যে পরীক্ষা করিয়েছেন।

“যেখান থেকে অবৈধ পারিতোষিক বাবদ রোগী প্রতি সাড়ে তিন হাজার টাকা হিসেবে এক কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক , নার্স , ওয়ার্ডবয় ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের খাবার খরচ বরাদ্দ বাবদ এক কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার মাসিক চাহিদা তুলে নেওয়া হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়