টিকিট না পেয়ে সৌদি প্রবাসীদের বিক্ষোভ

আগের সংবাদ

বাঁচানো গেল না তাসমানিয়ায় আটকে পড়া তিমিগুলোকে

পরের সংবাদ

মসজিদে বিস্ফোরণ: দগ্ধ আরেক জনের মৃত্যু

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০ , ১:২৬ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০ , ১:২৬ অপরাহ্ণ

নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ শাহদাত হোসেন সিফাত (১৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে মসজিদটিতে বিস্ফোরণে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বার্ন ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সিফাত আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল। তার শ্বাসনালী সহ শরীরের ২২ শতাংশ দগ্ধ ছিলো। প্রথম থেকেই তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। এই ঘটনায় আমজাদ (৩৭) ও কেনান (২৪) নামে দুজন সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থা পুরোপুরি আশঙ্কামুক্ত নয়।

সিফাতের বড় ভাই দিপু জানান, বিস্ফোরণের পর তার শরীরে আগুন লেগে গেলে ভাঙা গ্লাসের ভিতর দিয়ে লাফিয়ে বাইরে বের হয় সে। তখন তার হাত পাও কেটে যায় ভাঙা গ্লাসে। এরপর সে দৌড়ে পাশের বোমওয়ালা বাড়ির মাঠে যায়। সেখানে জোড়ে জোড়ে চিৎকার করে লোকজন ডাকতে থাকে “বাঁচান বাঁচান, মসজিদে আগুন লেগেছে। এভাবে ২৫ মিনিট সে ওইখানেই দৌড়াদৌড়ি করে দগ্ধ শরীর নিয়ে।

নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লা স্থায়ী বাড়ি তাদের। ডেকোরেটর কর্মচারী মো: স্বপনের তিন সন্তানের মধ্যে মেঝো ছিলো সিফাত। সবুজবাগ মডেল একাডেমি থেকে এবার এসএসসি পাশ করেছে সে। এরপরই ভর্তি প্রক্রিয়া চলছিলো নারায়ণগঞ্জ বন্দরের কদমরসূল কলেজে।

তার বাবা স্বপন বলেন, এলাকার মানুষের কাছে শুনছি আগুন লাগার পরও সিফাত সেখানেই ছিলো। মানুষকে ডাকডাকি করেছে মুসল্লিদের মসজিদ থেকে বের করার জন্য। নিজেও মুসল্লিদের ধরে ধরে বের করেছে। নিজের দিকে তার কোনো খেয়ালই ছিলোনা। তার পিঠ, হাত, পা ও মুখের একপাশ পুড়ে গেছে।

এমএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়