জাতিসংঘে বাংলায় বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী

আগের সংবাদ

মাতৃস্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ক বিল পাশের সুপারিশ

পরের সংবাদ

আইন পেশা সেবামূলক ও খুবই আত্নমর্যাদা সম্পন্ন

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০ , ৮:০৪ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০ , ৮:৩১ অপরাহ্ণ

অসাধারণ মেধাবী, ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন, সৎ বিনয়ী ও মামলার শুনানিতে ক্ষরধার যক্তি উপস্থাপন করেই যিনি উকালতি পেশায় ১২ বছর। কথা কাজে মিল ও মামলার গাউন্ড যাচাই-বাছাই করে সঠিক পরামশ দেয়ার প্যাকটিস অ্যাডভোকেট ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়ার। তুলনামূলক অতি অল্প সময়ের মধ্যেই যিনি আইন পেশায় সুনাম সুখ্যাতি অর্জন করেছেন। নাগরিকদের সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকারের কথা বিবেচনা করে জনস্বার্থে অনেকগুলো মামলাও করেছেন তিনি। আদালত থেকে প্রত্যাশিত আদেশও পেয়েছেন। বড় বড় ডিগ্রি অর্জন করলেই উকালতিতে ভালো করা যাবে, তুলনামূলক কম ডিগ্রি দিয়ে এখানে সুবিধা করা যাবে না এমন বিশ্বাস উল্টে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের এই উদীয়মান আইনজীবী। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্ত:র্ভুক্ত সুপরিচিত একটি প্রতিষ্ঠান কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া কলেজের গন্ডি পেরিয়ে কুমিল্লা আইন কলেজ থেকে আইনে স্মাতক এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে ২০০৮ সালে আইনজীবী হিসেবে সনদ লাভ করেন ফরহাদ উদ্দিন। পরবর্তীতে ২০১২ সালে হাইকোর্টে বিভাগে প্রাকটিস করার অনুমতি পান। উকালতিতে ভবিষৎ পরিকল্পনা, জনস্বার্থে মামলা ও আদালত অঙ্গনে টাউট বাটপারদের দৌরাত্ব বন্ধ নিয়ে ভোরের কাগজে স্বাক্ষাতকার দেন এই আইনজীবী। তার স্বাক্ষাতকারটি নিয়েছেন ভোরের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার তানভীর।

ভোরের কাগজ: উকালতি করার অনুপ্রেরণা পেলেন কিভাবে?

ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া: সমাজের অন্য দশটি পেশার চেয়ে আইন পেশা মর্যাদাপূর্ণ। ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন এই পেশায় কোন প্রতিবন্ধকতা নেই। রাষ্ট্রের সাধারণ নাগরিক ও মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুন্ন হলে এ পেশার মানুষেরা উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে পারেন। কেউ মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত হলে তার পাশে বিনা ফিতে আইনি সেবা দেয়ার সুযোগ আছে, যেটি অন্য পেশার মানুষদের ক্ষেত্রে কম। সেবামূলক এই পেশা আমার কাছে খুবই আত্নমর্যাদা সম্পন্ন বলে মনে হয়। এমন চিন্তা থেকেই আইনে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে এই মর্যদাপূর্ণ মহান পেশায় এসেছি। এখানে থেকে সারাজীবনই মানুষের সেবা দিতে চাই।

ভোরের কাগজ: আইনজীবীদের নেতা নির্বাচিত হলে তাদের কল্যাণে আপনি কি ধরনের কাজ করতে চান?
ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভুঁইয়া : আমি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ২০২০-২১ইং সেশনের টাউট উচ্ছেদ কমিটির সাব কমিটির একজন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। এই কমিটিতে ১০জন আইনজীবী কাজ করছেন। এছাড়া আইন অঙ্গনে টাউট দালাল দুর্নীতি নির্মূল কমিটি নামে আমার একটি সংগঠন রয়েছে। আমি সেই সংগঠনের আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। আমি সর্বোচ্চ আদালতের আইনজীবীদের নেতা নির্বাচিত হলে আইনজীবীদের সম্মান বাড়ুক, তারা সমাজে নেতৃত্ব দিক, তাদের দ্বারা মানুষ উপকৃত হোক এমন কিছু যেন করা যায় সেই চিন্তা করি।

ভোরের কাগজ: ব্যাক্তিগত মামলার পাশাপাশি আপনি জনস্বার্থে অনেক মামলা করে থাকেন? কোন উদ্দেশ্যে, জনস্বার্থ বলতে যা দরকার সেগুলো আপনার মামলায় থাকে কিনা?
ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া: দেখুন আইনজীবী হিসেবে যখন শপথ নিয়েছি তখনই জনস্বার্থে কিছু করার প্রতিজ্ঞা করেছি। আইনজীবীদের মাদার সংগঠন বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অ্যাক্টেও এমন বিষয়ে বলা আছে। আমি শুধু একজন আইনজীবীই নয় একজন নাগরিকও বটে। সে জায়গা থেকে সমাজের প্রতি আমার অগাধ দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে তার ুদ্র অংশ হিসাবে জনস্বার্থে মামলা করে থাকি। কেননা জনস্বার্থের মামলায় অনেকেই লাভবান হন যা নিঃসন্দেহে অনেক বড় সফলতা।

ভোরের কাগজ : এ পর্যন্ত পাবলিক ইন্টারেস্ট বা জনস্বার্থে কতগুলো মামলা করেছেন?
ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া: সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকার ক্ষুন্ন হয় অথবা সাধারণ নাগরিকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে উচ্চ আদালতে এ পর্যন্ত অনেকগুলো পাবলিক ইন্টারেস্ট মামলা করেছি। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সারাদেশের আদালতগুলোতে ই-জুডিশিয়ারি চালুর নির্দেশনা চেয়ে রিট, আইনাঙ্গনে ভুয়া আইনজীবী-টাউট দালাল নির্মূল চেয়ে রিট, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ডিএজি, এএজি নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্চ করে রিট করেছি। এছাড়া দেশের সব শিা প্রতিষ্ঠানে কাউন্সিলর (পরামর্শক) ও কিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট (মনোবিদ) নিয়োগের নির্দেশনা চেয়েও রিট করেছি। রিটের শুনানি করে আদালত রুল জারি করেছেন।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়