সীমান্তহত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি

আগের সংবাদ

মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধ আরো ১ জনের মৃত্যু

পরের সংবাদ

গানে গানে সালমান শাহ

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০ , ১২:০৫ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০ , ১২:০৫ অপরাহ্ণ

বাংলা চলচ্চিত্রের রাজপুত্র সালমান শাহর জন্মদিন আজ। বেঁচে থাকলে তিনি ৪৯ বছরে পা দিতেন। কিন্তু অকালেই মৃত্যু হয় তার। যে মৃত্যুর রহস্য আজো অজানা। স্বল্পদিনের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে সর্বমোট ২৪টি ছবিতে কাজ করেছিলেন সালমান শাহ। এর মধ্যে প্রায় ছবিই ছিল ব্যবসাসফল কিংবা দর্শকদের প্রিয়। এমনকি সে সময়ে ওই ছবিগুলোর গানও ছিল তুমুল জনপ্রিয়। এসব গান আজো বাজতে শোনা যায়। অনেকে গানগুলো শুনেই নিজের মনে কল্পনা করে নেয় ক্ষণজন্মা সালমান শাহকে। সেই সুপারহিট গানগুলো নিয়েই এ আয়োজন

বাবা বলে ছেলে নাম করবে
স্বর্ণালি যুগের গানগুলোর মধ্যে অন্যতম এই গানটি নির্মাতা সোহানুর রহমান সোহানের ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবির। এই ছবি দিয়েই অভিষেক ঘটেছিল অকাল প্রয়াত সালমান শাহর। তার বিপরীতে ছিলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। এ ছবিটি ছাড়াও ‘দেনমোহর’, ‘অন্তরে অন্তরে’ ও ‘স্নেহ’ নামক আরো ৩টি ছবিতে সালমানের নায়িকা ছিলেন মৌসুমী। তবে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছিল হিন্দি ছবি ‘কেয়ামত সে কেয়ামত থাক’র পুননির্মাণ। মূল ছবির আদলেই লেখা হয়েছিল চিত্রনাট্য। এমনকি গানগুলোও ছিল হিন্দি মূল ছবির অনুকরণে। কলেজের অনুষ্ঠানে সালমানের লিপসিংয়ে এই গানে জোয়ার তুলেছিলেন সংগীতশিল্পী আগুন। মনিরুজ্জামান মনিরের গীতিকবিতায় এই গানের সুর করেছেন আনন্দ চিত্রগুপ্ত, মিলিন্দ চিত্রগুপ্ত ও আলম খান।
এখন তো সময়
চিত্রনায়িকা মৌসুমী ও সালমান শাহর সেরা কোনো হিট গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য এটি। দুজনের অনবদ্য অভিনয় ও গানের সুরে মুগ্ধ শ্রোতাদের হৃদয়। মনিরুজ্জামান মনিরের লেখায় এই গানটি গেয়েছিলেন রুনা লায়লা ও আগুন। এই গানটিরও সুরকার আনন্দ চিত্রগুপ্ত, মিলিন্দ চিত্রগুপ্ত ও আলম খান।
জ্বালাইয়া প্রেমের বাত্তি
গানটির গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার। আবু তাহেরের সুরে গানটি দ্বৈতভাবে গেয়েছিলেন কুমার বিশ্বজিৎ ও রুনা লায়লা। ছবিতে সালমান শাহ ও শাবনূরের প্রণয়কাহিনী ফুটে উঠেছিল এই গানে। ১৯৯৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত জহিরুল হক ও তমিজউদ্দিন রিজভীর যৌথ পরিচালানায় মুক্তি পেয়েছিল ‘তুমি আমার’ ছবিটি। এটি সেই ছবিরই গান। আর এই ছবিতে প্রথম জুটিবদ্ধ হন সালমান শাহ ও শাবনূর। পরবর্তীতে এ ছবিসহ মোট ১৩টি ছবিতে সালমানের নায়িকা হিসেবে শাবনূরকে দেখা যায়।
এখানে দুজনে নির্জনে
১৯৯৪ সালে নির্মাতা শিবলী সাদিক নির্মাণ করেন ‘অন্তরে অন্তরে’। এই ছবির কাহিনীকারও ছিলেন নির্মাতা নিজেই। ছবিতে অভিনয় করেন সালমান শাহ, মৌসুমী, আনোয়ারা, রাজিব প্রমুখ। মনিরুজ্জামানের গীতিকবিতায় ও আলম খানের সংগীতায়োজনে এই গানে কণ্ঠ দেন রুনা লায়লা ও এন্ড্রু কিশোর।
ভালো আছি ভালো থেকো
প্রথমবারের মতো কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর লেখা কোনো গান উঠে এলো বাংলা ছবিতে ১৯৯৬ সালে। নির্মাতা মতিন রহমানের ‘তোমাকে চাই’ ছবিতে। গানটির সুর করেছিলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।
তোমাকে চাই শুধু
‘তোমাকে চাই’ ছবির আরো একটি উল্লেখযোগ্য গান ‘তোমাকে চাই শুধু তোমাকে চাই’। গানটি গেয়েছিলেন সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর ও কনকচাঁপা। সালমান শাহ-শাবনূরকে মাথায় রেখেই গানটির সুর ও কথা লিখেছিলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। এ ছবিতে আরো অভিনয় করেছিলেন খলিল, আরিফুল হক, ডন ও শর্মিলী আহমেদ।
উপরের গানগুলো ছাড়াও সালমান শাহর সিনেমার ‘ভালোবাসিয়া গেলাম ফাঁসিয়া’, ‘বিদ্যালয় মোদের বিদ্যালয়’, ‘নিশিদিন প্রতিদিন’, ‘তুমি মোর জীবনের ভাবনা’, ‘চিঠি এলো জেলখানাতে’, ‘পৃথিবীতে সুখ বলে’, ‘একাত্তরের মা জননী’, ‘বৃষ্টিরে বৃষ্টি’, ‘চিঠি লিখলাম’ প্রভৃতি গান উল্লেখযোগ্য।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়