দুই লাল কার্ড বাঁচাল টটেনহ্যামকে

আগের সংবাদ

ফের গ্যাঁড়াকলে মেসি

পরের সংবাদ

সরে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করলেন বাদল রায়

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০ , ১০:১৪ অপরাহ্ণ

আগামী ৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য বাফুফের নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার, বাফুফের সহসভাপতি এবং ডাকসুর সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক বাদল রায়। নির্বাচনের আগ থেকেই ঘোষণা দিয়ে আসছিলেন এবারের নির্বাচনে বড় পদে লড়াই করবেন তিনি। হঠাৎ নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ায় নানা কথা উঠেছে চারদিকে। আগামী ৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য বাফুফের নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে ব্যালটে থাকবে বাদল রায়ের নাম। স্বামীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেয়ার পর মাধুরী রায় বলেছিলেন, কোনো কাউন্সিলর যেন বাদল রায়কে ভোট না দেন। কিন্তু বাদল রায় নির্বাচন থেকে সরে গেলেও তার শুভাকাক্সক্ষী ও সমর্থকরা ঠিকই ভোট চাইতে থাকেন। যে কারণে বাদল রায় শুক্রবার মোহামেডান ক্লাবে বসেই আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের কারণ জানিয়েছেন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদনের পর তা গ্রহণ না করা প্রসঙ্গে বাদল রায় বলেন, হ্যাঁ, আবেদন করতে বিলম্ব হয়েছে। তাতে আইনগতভাবে একটা সমস্যা তৈরি হয়েছে। সালাউদ্দিন সাহেব চাইলে পারতেন এটা এড়িয়ে যেতে। তার তো শক্তি অনেক। আমাকে কেন হয়রানি করছেন, জানি না।

সংবাদ সম্মেলনে শুক্রবার আবেগ আটকে রাখতে পারেননি টানা ১২ বছর বাফুফের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করা বাদল রায়। তিনি জানান, কোনো চাপের কারণে নির্বাচন থেকে সরে যাননি। অনেকে মনে করছেন আমার ওপর চাপ আছে। আসলে কোনো চাপ নয়। নিজের কাছেই আমার চাপ। আমার অনেক কষ্ট লাগছে যে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি। আমার শরীরের ওপর দিয়ে অনেক চাপ যাচ্ছে। করোনা ভাইরাস থেকে সেরে উঠলেও এখনো দুর্বলতা কাটেনি। কীভাবে আমি নির্বাচনের ক্যাম্পিং করব! আমার মেয়ে ও স্ত্রী সবাই বলল-‘ইলেকশন করার দরকার নেই, তোমার ভালো থাকা দরকার। তুমি বেঁচে থাক, আমাদের জন্য বেঁচে থাক’। তারপর আমি ভোট না করার সিদ্ধান্ত নিলাম।

২০১৭ সালে ব্রেন স্ট্রোক করায় অনেকদিন সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছিল বাদলকে। এখনও ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না তিনি। শরীরের এক পাশ চলৎশক্তিহীন। নিজের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছেন,আমার জীবনের ওপর দিয়ে অনেক ঝক্কি গেছে। তারপরও সৃষ্টিকর্তা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আমাকে নতুন করে জীবন দিয়েছেন। এ জন্য উনাকে আমি মমতাময়ী মা বলি। উনাকে স্মরণ করেই বলতে চাই, উনি আমাকে সহযোগিতা করেছিলেন বলেই আমি বেঁচে আছি। স্ট্রোক হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী আমার জন্য কী করেছেন, সেটা আপনারা জানেন।

এসএইচ