শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়িতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফেরি বন্ধ

আগের সংবাদ

দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার প্রদীপ

পরের সংবাদ

নিজেদের অর্থেই রাস্তা মেরামত করলেন চালকরা

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২০ , ১:৪০ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২০ , ২:৫৬ অপরাহ্ণ

জীবিকার তাগিদ

বেতাগী উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের ফুলতলা বাজার থেকে ইউপি ভবন পর্যন্ত সড়কে বৃষ্টির পানি জমে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যানবাহন ও সাধারণ মানুষকে কাদা মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্থানীয় অটোরিকশা চালক আলতাফ হোসেনসহ একাধিক অটোচালক জানান, চলাচলে বিড়ম্বনা ও জীবিকার টানে নিজের মধ্যে থেকে বাধ্য হয়ে ৫ হাজার টাকা উত্তোলন করে কিছু অংশে খোয়া, বালু ফেলে কোনো মতে যাতায়াত উপযোগী করা হয়েছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ফুলতলা বেড়িবাঁধ থেকে ফুলতলা বাজার ও বিবিচিনি ইউপি ভবন হয়ে শান্তির হাঁট পর্যন্ত সড়কটি হচ্ছে ওই এলাকার মানুষের কাঠালিয়ার আওড়াবুনিয়া, বেতাগী সদর, পাশ্ববর্তী বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ও মির্জাগঞ্জ উপজেলায় যোগাযোগের সহজ মাধ্যম। এ সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত চাকরিজীবী, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী ও শত শত সাধারণ মানুষ যাতায়াত করে। চলাচল করে শতাধিক ছোট-বড় যানবাহন। এবারের একটানা বর্ষণে সড়কে পানি জমে ছোট-বড় একাধিক গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যান চলাচল প্রায়ই বন্ধ থাকে, ঘটছে দুর্ঘটনা। সড়কের সবচেয়ে বেশি ভঙ্গুর দশা হয়েছে মীরা বাড়ি সংলগ্ন কালভার্টের উত্তর পাশের অংশের।

উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা যায়, বার্ষিক মেরামত কর্মসূচির আওতায় ১ কোটি ২১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩০ টাকা ব্যায়ে ফুলতলা বেড়িবাঁধ থেকে বিবিচিনি ইউপি পর্যন্ত ২০১৯-২০ অর্থ বছরের একটি প্যাকেজের ৭‘শ ৬০ মিটার পুন:সংস্কারের কাজ পান আমতলীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিএম ইকফা এন্টার প্রাইজ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের কাজে প্রয়োজনীয় উপকরণ সঠিকভাবে ব্যবহার না করায় কাজের ৬ মাস যেতে না যেতেই সড়কের বিভিন্ন জায়গা চলাচল অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন তারা। ঠিাকাদারের প্রতিনিধি অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করেন। এ বিষয় ইতোমধ্যে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বরগুনা-২ আসনের এমপি শওকত হাচানুর রহমানের নিকট লিখিত অভিযোগও করা হয়েছে।

রাস্তাটির দেখভালের দায়িত্বে এলজিইডি‘র সহকারী প্রকৌশলী মো: ইসমাইল হোসেন বলেন, রাস্তা নির্মাণের পরপরই রাস্তার উপর দিয়ে ভেকু চালিয়ে যাওয়ায় সড়কে কিছু অংশে ক্ষত হয়েছে। বাকি অংশ এখনও অক্ষত রয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী শিপলু কর্মকার জানান, সড়কটি মেরামতের জন্য ঠিকাদারকে লিখিতভাবে নিদের্শনা প্রদান ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভঙ্গুর জায়গা মেরামতের জন্য স্থানীয়রা তাকে অবহিত করলে তাদের নিজেদের টাকা দেয়ার প্রয়োজন হতো না উপজেলা পরিষদ থেকে ব্যয় মেটানো যেত।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়