লকডাউনে উপহার ১৬ হরিণ ছানা!

আগের সংবাদ

করোনায় দেশে মৃত্যুর মিছিলে আরো ৩১ জন

পরের সংবাদ

মুনমুনের এক দশকের সংসারে ভাঙন

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২০ , ৩:৪৫ অপরাহ্ণ

নায়িকা মুনমুন, এক সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা। দশ বছর আগে প্রেম থেকে প্রণয় ঘটে তার। বেশ সুখী দম্পতি হিসেবেই তাদের নাম শোনা যেত। সংসারে রয়েছে তাদের দুটি সন্তান। নানা অনুষ্ঠানে স্বামীকে নিয়ে আসতেন এবং পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন সিনেমার মানুষদের সঙ্গে।

শত চেষ্টা করেও টিকিয়ে রাখতে পারলেন না সংসার। স্বামী মীর মোশাররফ হোসেন রোবেনের নির্যাতন ও স্বার্থপরতার শিকার হয়ে তাকে তালাক দিয়েছেন মুনমুন। গণমাধ্যমকে মুনমুন জানান, গত ঈদের পরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে তালাক কার্যকর হয়।

মুনমুন

২০০৩ সালে চিত্রনায়িকা মুনমুন সিলেটের একজন ব্যবসায়ীকে বিয়ে করেন। সিনেমায় অনিয়মিত হওয়ার পর স্বামীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যে চলে যান তিনি।  পরে ২০০৬ সালে সেই সংসার ভেঙে যায় মুনমুনের। এরপর দেশে ফিরে আসেন। যোগ দেন যাত্রা ও স্টেজ শো-তে। সেখানে কাজ করতে গিয়ে পরিচয় ঘটে রোবেনের সঙ্গে। সেই পরিচয় সূত্রে প্রণয়। অবশেষে ২০১০ সালে তিনি তাকে বিয়ে করেন। এই দম্পতির দুই পুত্র সন্তান রয়েছে। এক দশকের সেই সংসারটিও এবার ভেঙে গেল।

চিত্রনায়িকা মুনমুন

ডিভোর্স প্রসঙ্গে মুনমুন বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর আমরা একসঙ্গে ছিলাম। কেউ চায় না সংসার ভেঙে যাক। যেখানে একটা সন্তানও রয়েছে আমার। পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। অনেক চেষ্টা করেছি। বারবার চেয়েছি রোবেন বুঝুক কিন্ত সে বেপরোয়া। বাধ্য হয়ে তাকে ডিভোর্স দিতে হলো।

চিত্রনায়িকা মুনমুন।

তিনি আরো বলেন, তার স্বামী রোবেন পেশায় একজন শৌখিন মডেল। তার সঙ্গে যাত্রা ও স্টেজ শো-তে কাজ করতে গিয়ে মুনমুনের পরিচয় ও প্রেম-বিয়ে। কিন্তু সংসার শুরু করার পর থেকেই রোবেন নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। স্বার্থপর রোবেন সংসারের দিকে মনোযোগ ছিলেন না। তিনি সিনেমাও বানাতে চাইতেন যার অর্থের যোগান দিতেন মুনমুন। বেশ কয়েকবার সিনেমার পরিকল্পনা করেছেন। টাকাও নষ্ট করেছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হতো না। এসব নিয়ে মুনমুনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হতো। রোবেন অনেক সময় মুনমুনকে মারধরও করতেন বলে জানান মুনমুন।

তিনি বলেন, আসলে আমি চেয়েছি সংসারটি টিকে থাকুক। তার সুবিধার জন্য আমার নিজের একটি ফ্ল্যাট ছেড়ে দিয়েছিলাম ও স্টুডিও করবে বলে। আমার উপর শারীরিক নির্যাতনও করতো সে। এটা আমি মেনে নিতে পারতাম না।

এমএইচ