হৃদরোগে বিসিবির নিরাপত্তা প্রধানের মৃত্যু

আগের সংবাদ

কোনো দুর্যোগে মানুষ না খেয়ে থাকবে না

পরের সংবাদ

মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা হয়েছে রোহিঙ্গা গ্রাম

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২০ , ৬:০০ অপরাহ্ণ

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের একটি গ্রামকে দেশটির সরকারি মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। ‘কান কিয়া’ নামে ওই গ্রামটিকে তিন বছর আগে জ্বালিয়ে দিয়েছিল মিয়ানমার সেনাবাহিনী। নাফ নদী থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে গ্রামটির অবস্থান। যেখানে কয়েকশ রোহিঙ্গা থাকত। গুগল আর্থে দেখা গেছে, একটি পুলিশের ঘাঁটি ছাড়াও বর্তমানে ওই গ্রামের জায়গায় বেশ কয়েকটি সরকারি ও সামরিক ভবন গড়ে উঠেছে। দেশটির সরকার জায়গাটিকে এখন মংডু শহরের বর্ধিত অংশ হিসেবে গণ্য করছে। খবর রয়টার্সের।

মিয়ানমারে জাতিসংঘের ‘ম্যাপিং ইউনিট’ বলছে, ‘নতুন ‍মানচিত্রে আগুনে পুড়িয়ে দেয়া গ্রামটির নাম আর দেখা যাচ্ছে না। গেল বছর মিয়ানমার সরকার দেশটির জন্য নতুন একটি মানচিত্র তৈরি করে যেখানে কিয়া গ্রামের অংশটিকে মংডু শহরের বর্ধিত অংশ বলা হচ্ছে। ২০১৭ সালের অভিযানের সময় মিয়ানমার সেনাবাহিনী কান কিয়ার মতো অন্তত চারশ’ গ্রাম ধ্বংস করেছে বলে জানায় নিউ ইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’। তারা ভূউপগ্রহের ছবি বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানিয়েছে। ধ্বংস করা গ্রামগুলোর মধ্যে অন্তত এক ডজন গ্রামের নাম এখন মানচিত্র থেকেও মুছে দেয়া হয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, গ্রাম মুছে ফেলার বিষয়ে জানতে মিয়ানমারের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে প্রশ্ন করা হলে তারা এই বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। বরং তারা এ বিষয়ে কথা বলতে জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্টে (জিএডি) যোগাযোগ করতে পরামর্শ দেয়। সেখানে যোগাযোগ করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

মিয়ানমারে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সাবেক দূত ইয়াংহি লি বলেন, ‘মিয়ানমার সরকার ইচ্ছা করেই শরণার্থীদের নিজ ভূমিতে ফেরা কঠিন করে দিচ্ছে। তারা কীভাবে সেই জায়গায় ফিরবে, যার কোনো নাম নেই বা যেখানে তাদের বসবাসের কোনো চিহ্ন নেই! তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘জাতিসংঘ এসব কাজের জন্য মিয়ানমারকে কাঠগড়ায় দাঁড় না করিয়ে বরং তাদের এ কাজের অনুমতি দিয়ে যাচ্ছে।

এসএইচ