ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন ইয়ান বেল

আগের সংবাদ

ক্রোয়েশিয়াকে উড়িয়ে দিল পর্তুগাল

পরের সংবাদ

এসি ব্যবহারে সাবধানতা!

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২০ , ১২:২৪ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২০ , ১২:২৪ অপরাহ্ণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার একটি মসজিদে শুক্রবার রাতে এয়ার কন্ডিশনার (এসি) থেকে ভয়াবহতম বিস্ফোরণ প্রত্যক্ষ করেছে বাংলাদেশ, যাতে এ পর্যন্ত ২৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। যদিও প্রাথমিকভাবে এসি বিস্ফোরণের এ ঘটনাটিকে কয়েকজন আহত হওয়ার মতো একটি সাধারণ পরিস্থিতি বলে মনে হয়েছিল কারণ গত কয়েক দশকে দেশে এ ধরনের কোনো বিপর্যয়কর বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেনি।

দেশে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ–সংক্রান্ত দুর্ঘটনাও বেড়ে গেছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অসচেতনতা বা অসতর্কতার কারণে এসব দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। বাজারে এখন নানা রকম এসি পাওয়া যায়। তবে মানসম্মত এসি ছাড়া দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এসিসংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনার কারণ ও এ থেকে সুরক্ষার বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন ওয়ালটন এসি গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রকৌশলী সন্দীপ বিশ্বাস। জেনে নিন তাঁর পরামর্শ:

বিস্ফোরণের কারণ:
১. এসির পাওয়ার কেব্‌ল সঠিক স্পেক–এর ব্যবহার না করলে।
২. এসির কনডেনসারে ময়লা থাকলে কম্প্রেসরে হাই টেম্পারেচার ও হাই প্রেশার তৈরি হয়ে।
৩. এসির ভেতরের পাইপের কোথাও ব্লকেজ হলে এসির ভেতরে হাই প্রেশার তৈরি হয়ে কম্প্রেসর ব্লাস্ট হতে পারে।
৪. কম্প্রেসরের লিমিটের চেয়ে বেশি রেফ্রিজারেন্ট (refrigerant) চার্জ করলে হাই প্রেশার তৈরি হয়ে।
৫. কম্প্রেসরে প্রয়োজনীয় পরিমাণ রেফ্রিজারেন্ট না থাকলে ভেতরের তাপমাত্রা লিমিটের চেয়ে বেড়ে গিয়ে।
৬. সঠিকভাবে এসির ভ্যাকুয়াম না করলে।
৭. কম্প্রেসরে সঠিক পদ্ধতিতে রেফ্রিজারেন্ট চার্জ না করলে কম্প্রেসরে হাই প্রেশার তৈরি হয়ে।
৮. সঠিক রেটিংয়ের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার না করলে।

এসি বিস্ফোরণ থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়:
১. ভালো মানের এবং সঠিক স্পেকের পাওয়ার কেব্‌ল ব্যবহার করা।
২. এসির কনডেনসার নিয়মিত পরিষ্কার রাখা।
৩. কম্প্রেসরে হাই টেম্পারেচার ও হাই প্রেশার পরীক্ষা করা।
৪. এসির ভেতরের পাইপের কোথাও ব্লকেজ আছে কি না, তা পরীক্ষা করা।
৫. কম্প্রেসরে প্রয়োজনীয় রেফ্রিজারেন্ট আছে কি না, তা অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত কোম্পানির টেকনিশিয়ান দিয়ে পরীক্ষা করা।
৬. কম্প্রেসরের লিমিটের চেয়ে বেশি রেফ্রিজারেন্ট চার্জ না করা।
৭. সঠিকভাবে এসির ভ্যাকুয়াম করা।
৮. কম্প্রেসরে সঠিক পদ্ধতিতে রেফ্রিজারেন্ট চার্জ করা।
৯. বিশ্বস্ত এবং নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ডের এসি, কম্প্রেসর এবং রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহার করা।
১০. নিম্নমানের অখ্যাত বা নকল ব্র্যান্ডের এসি এবং কম্প্রেসর কেনা এবং ব্যবহার থেকে বিরত থাকা।
১১. সঠিক রেটিংয়ের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়