ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু

আগের সংবাদ

যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা

পরের সংবাদ

বাউফলে ডায়াগনোস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজি বন্ধের নির্দেশ

প্রকাশিত: আগস্ট ২৭, ২০২০ , ৬:২৪ অপরাহ্ণ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২০ , ৬:২৭ অপরাহ্ণ

বাউফলে লাইসেন্স না থাকা ও লাইসেন্স নবায়ন না করে বিধি বর্হিভূতভাবে ডায়াগনোস্টিক সেন্টার চালানো ও স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত না হওয়ার অভিযোগে আটটি ডায়াগনোস্টিক সেন্টার ও দু’টি প্যাথলজি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন। বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিস নির্দেশের সত্যতা স্বীকার করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২২ আগস্ট জেলা সিভিল সার্জন গঠিত একটি টিম বাউফলের প্রায় দুই ডজন ডায়াগনোস্টিক সেন্টার পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে অপরিসর জায়গা, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং অপ্রতুল যন্ত্রপাতির কারণে সেবা ও কথামনি ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের প্যাথলজি বন্ধ এবং একই সঙ্গে বিধি বর্হিভূতভাবে লাইসেন্স ও লাইসেন্স নবায়নবিহীন অবস্থায় ডায়াগনোস্টিক সেন্টার চালানোর অপরাধে কালিশুরী বাজারের মেডিকেয়ার ডায়াগনোস্টিক, নওমালা বাজারের নগরের হাট ডায়াগনোস্টিক এন্ড কলসালটেশন, আদাবাড়িয়ার কাশিপুর বাজারের নিউ কাশিপুর ডায়াগনোস্টিক সেন্টার, কনকদিয়া বাজারের কনকদিয়া প্যাথলজি সেন্টার, সূর্যমণির নূরাইনপুর বাজারের নিউ লাইফ হেলথ কেয়ার ডায়াগনোস্টিক সেন্টার এবং কালাইয়া বন্দরের নূহা ডায়াগনোস্টিক সেন্টার বন্ধের সুপারিশ করেন।

সুপারিশ মোতাবেক পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা: মোহম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ২৪ আগস্ট এক চিঠির মাধ্যমে উল্লেখিত ডায়াগনোস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজি বন্ধের নির্দেশ দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পণা কর্মকর্তাকে চিঠি দেন। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ওই চিঠির অনুলিপি বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং বাউফল থানাকে দেয়া হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে সিভিল সার্জনের অফিস থেকে চিঠি বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পণা কর্তৃপক্ষের কাছে এলেও বৃহষ্পতিবার পর্যন্ত উল্লেখিত ডায়াগনোস্টিক ও প্যাথলজিগুলো বন্ধের কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেন জানান, বৃহষ্পতিবার অনুলিপি পেয়েছি। সংশ্লিষ্ট বিভাগ ডায়াগনোস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজি বন্ধ করতে আমাদের সহযোগিতা চাইলে আমারা সহযোগিতা করবো।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমাদেরকে চিঠি দিয়ে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। যখন বলবে তখনই আমারা সহযোগিতা করবো।
এ ব্যাপারে জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পণা কর্মকর্তা ডা. প্রশান্ত কুমার সাহাকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়