সেতু পার হতে লাগে বাঁশ!

আগের সংবাদ

দ্বিতীয় দিনের মতো দুদকের মুখোমুখি স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি

পরের সংবাদ

শেষ মুহূর্তের ঝলকে পঁচিশ বছর পর সেমিতে পিএসজি

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ১৩, ২০২০ , ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ

অনেকে ক্রিকেটকে বলে অনিশ্চয়তা খেলা। ফুটবল যে অনিশ্চয়তা খেলা তা রাতে হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে পিএসজি। আটলান্টার মতো দল তাদেরকে ৯০ মিনিট পর্যন্ত আটকে দিবে তারা তা কল্পনাও করেনি। যদিও শেষ মুহূর্তের ঝলকে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে নেইমার -এমবাপ্পেরা।

এই অনিশ্চয়তা শব্দটার যথার্থতা যেন আজ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পিএসজি ও আটালান্টার ম্যাচে শতভাগ দেখা গেছে। ম্যাচের ২৭ মিনিটে গোল হজম করা পিএসজি ম্যাচের ৯০ ও ৯৩ মিনিটে দুই দুইটি গোল করে অনিশ্চয়তা কাকে বলে তা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। ম্যাচটিতে আটালান্টার হয়ে গোল করেন মারিও পাসালিক। অপরদিকে পিএসজির হয়ে গোল করেন মারকুইনহোস ও এরিক ম্যাক্সিম চুপো মোতিং।

কোয়ার্টার ফাইনালে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে আটলান্টাকে ২-১ গোলে হারানোর মাধ্যমে ১৯৯৪-৯৫ মৌসুমের পর এই প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের টিকেট পেয়েছে পিএসজি। মানে দীর্ঘ ২৫ বছর পর ফের সেরা চার দলের স্থানে জায়গা করে নিয়েছে তারা। অপরদিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা আটলান্টার দৌড় শেষ হয়েছে কোয়ার্টার ফাইনালেই। যদিও ম্যাচটিতে পিএসজির সঙ্গে যেভাবে তারা টেক্কা দিয়েছে তা ছিল চোখে পরার মতো।

ম্যাচের মাত্র ২৭ মিনিটে তারা গোল তুলে নিয়ে ঘরোয়া মৌসুমে ট্রেবল শিরোপাজয়ী পিএসজিকে যে ম্যাচের ৯০ মিনিট পর্যন্ত বেঁধে রাখতে সমর্থ হয়েছে এটাই কম কিসে। এমনকি প্রথমার্ধের সময়টুকুতে পিএসজির চেয়ে ভালো খেলেছে তারা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে যখন কাইলান এমবাপ্পে মাঠে নামেন তখনই পাল্টে যায় দৃশ্যপট। নেইমারকে সঙ্গে নিয়ে মূহুমূহু আক্রমণ শুরু করেন তিনি। ম্যাচের ৯০ মিনিটে মারকুইনহোসের পায়ে পিএসজি যে গোলটি পায় তা করতে সহায়তা করেন নেইমার। অপরদিকে ৯৩ মিনিটের গোলটি করতে এরিক ম্যাক্সিম চুপো মোতিংকে সহায়তা করেন এমবাপ্পে। তবে এর আগে থেকেই এমবাপ্পে নিজে বেশ কয়েকবার প্রায় গোলের কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু আটলান্টার গোলরক্ষকের দক্ষতায় তিনি নিজে গোল তুলে নিতে পারেননি।

এমএইচ