স্বপ্ন ও বাস্তবতা যেখানে মাখামাখি...

আগের সংবাদ

বন্যাদুর্গত ১০০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

পরের সংবাদ

১৫শ হেক্টর জমির বীজতলা ডুবিয়ে মাছ ধরেন তারা

প্রকাশিত: আগস্ট ১২, ২০২০ , ৮:৫৬ অপরাহ্ণ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২০ , ৮:৫৮ অপরাহ্ণ

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার মহিপুর ইউনিয়নের চারটি গ্রামে গত এক সপ্তাহ আগে অব্যাহত বৃষ্টি এবং জোয়ারের পানিতে ১৫’শ হেক্টর জমির বীজতলা পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। এতে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালীরা মহিপুর ইউনিয়নের নিজ শিববাড়ীয় গ্রামের মুলামের খালের স্লুইসগেটটি আটকে মাছ শিকার করার কারণে এমন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে একাধিক কৃষকরা জানিয়েছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় কৃষি অফিসে একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

মহিপুর ইউনিয়নের একাধিক কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, ইউনিয়নের পুরাতন মহিপুর,ইউসুফপুর, বিপিনপুর লতিফপুর গ্রামে গত এক সপ্তাহ আগে বৃষ্টির পানির সাথে জোয়ারের পানি প্রবেশ করলে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল মাছ শিকারের স্বার্থে মুলামের খালের স্লুইসগেটটি আটকে রাখে। এতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহে বাঁধার সৃষ্টি হয়ে জমে থাকে জোয়ারের পানি সহ বৃষ্টির পানি। দীর্ঘ সাতদিন ধরে এমন অবস্থার সৃষ্টি হওয়ায় কৃষকের রোপা আমনের বীজতলা নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। অনেক গ্রামে পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে।

কৃষকরা আরও বলেন, পানি প্রবাহে বাঁধা সৃষ্টি করে মাছ শিকার হচ্ছে একটি প্রভাবশালী মহলের উদ্দেশ্যে। অথচ তাদের কারণে শতশত কৃষক ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। একে তো বীজ সংকট’র কারণে অতিরিক্ত দামে ক্রয় করে বীজতলা তৈরি করলেও তা গুটি কয়েক মানুষের কারণে ভেস্তে যেতে বসেছে। প্রভাবশালী মহল ব্যাপক ক্ষমতাশালী হওয়ায় তাদের নাম কেউ উচ্চারনের সাহস পাচ্ছে না। তারা অবিলম্বে মুলামের খালের স্লুইসগেটটি খুলে দেয়ার আবেদন করেছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল মান্নান জানান, স্লুইস গেটে কোনো সমস্যা থাকলে তার দায়িত্ব পানি উন্নয়ন বোর্ডের। এছাড়া বাঁধ দেয়ার কারণে পানি আটকে থাকলে সেই বাঁধ কেটে দেয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে কৃষকের একটি আবেদন পেয়েছেন বলে তিনি জানান।

উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক জানান, বিষয়টি তিনি দেখার জন্য কৃষি কর্মকর্তাকে নিদের্শ দিচ্ছেন।

এমআই

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়