বিএনপি এমপি রুমিন ফারহানা করোনা আক্রান্ত

আগের সংবাদ

দৈনিক মজুরি ২০০ নয় ৫০০ টাকা চায় সংসদীয় কমিটি

পরের সংবাদ

দুর্নীতি করিনি, পদত্যাগ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ১২, ২০২০ , ৩:৫১ অপরাহ্ণ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, আমি কোনো দুর্নীতি করিনি, আমি সৎ, দক্ষ ও সজ্জন হিসেবে কাজ করেছি। যেহেতু আমার সময় দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তাই আমি পদত্যাগ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে দুদক কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে লিখিত বক্তব্যে আবুল কালাম আজাদ এ কথা বলেন।

সাবেক এই ডিজি বলেন, দুর্নীতি যেই করুক, আমি তার শাস্তি চাই। এ বিষয়ে আমি দুদককে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।

দুদক সূত্র জানায়, গত ৬ আগস্ট এক তলবি নোটিশে দেয়া হয়। নোটিশে মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য সরঞ্জাম ক্রয়সহ বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহের নামে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে আবুল কালাম আজাদকে রেকর্ডপত্রসহ বক্তব্য দিতে হাজির হতে বলা হয়। আর বিশেষ বাহক মারফত পাঠানো ওই নোটিশ তার বনানীর ৫ নম্বর রোডের বাসায় পাঠানো হয়েছিল। মাস্ক-পিপিই ক্রয় দুর্নীতির অনুসন্ধানে এর আগে জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে কেন্দ্রীয় ওষুধাগারের (সিএমএসডি) ছয় কর্মকর্তাসহ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। যদিও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজির হননি এলান করপোরেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিন ও মো. মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠু।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং সিএমএসডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় নিম্নমানের মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সরঞ্জামাদি ক্রয়সহ বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত ১০ জুন অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

অভিযোগ রয়েছে, সিএমএসডির ৯০০ কোটি টাকার কেনাকাটায় দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে। এছাড়া আগামীকাল রিজেন্ট হাসপাতাল দুর্নীতির একটি অনুসন্ধানে স্বাস্থ্যের ডিজিকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা রয়েছে।

এমএইচ