ধুনটে জি‌ম্মি স্কুলছাত্রী উদ্ধার, ধর্ষক গ্রেপ্তার

আগের সংবাদ

দলের আয়-ব্যয়ের হিসাবের সময় বাড়াল ইসি

পরের সংবাদ

অগ্রগতি মূল্যায়ণ

এখন থেকে নিয়মিত চার বিভাগের সমন্বয় বৈঠক

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ১১, ২০২০ , ৭:৫৪ অপরাহ্ণ

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, কাজের অগ্রগতি মূল্যায়ণ ও সকল প্রকার জটিলতা নির্ধারণে প্রতি তিন মাস পর পর একটি সমন্বয় বৈঠক করে থাকি। কোভিড-১৯ এর কারণে গত কয়েকমাস আমরা বৈঠক করতে পারিনি। এখন থেকে নিয়মিত প্রতি তিন মাস পর পর এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

অর্থ বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ অর্থ মন্ত্রনালয়ের এ চার বিভাগের সচিবদের সঙ্গে আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেল তিনটায় মাননীয় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল একটি ভার্চুয়াল সমন্বয় বৈঠক করেন।

বৈঠকের শুরুতে মাননীয় অর্থমন্ত্রী করোনা মহামারীর মধ্যেও ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ অর্জিত হওয়ায় এবং মাথাপিছু আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে তিনি দেশবাসী ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এখন থেকে একেক সময়ে একেক বিভাগের দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। কাজ করার গতি যাতে ঠিক থাকে তাই মাঝে মাঝে আমরা আমাদের পারফরমেন্স রিভিউ করবো এবং কিভাবে আমাদের মন্ত্রণালয়কে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি সে বিষয়ে খোলামেলা আলাপ আলোচনা করবো। কর্মক্ষেত্রে যদি কোন জটিলতা তৈরী হয় আলোচনার মাধ্যমে সেগুলো সমাধান করা হবে।

তিনি বলেন, এ চারটি বিভাগ আমরা একটি টিম হিসাবে কাজ করছি। দেশের সামষ্ঠিক অর্থনীতির গতিধারা অক্ষুন্ন রাখার জন্য আমাদের নিবিড়ভাবে কাজ করতে হবে। ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক সম্পদ মবিলিাইজেশন এবং দক্ষ ব্যয় ব্যবস্থাপনার প্রতি আমাদের যত্নশীল হতে হবে।

বৈঠকে আবু হেনা মো: রহমাতুল মুনিম, সিনিয়র সচিব অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড; মো. আসাদুল ইসলাম, সিনিয়র সচিব, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, আব্দুর রউফ তালুকদার, অর্থসচিব; ও ফাতিমা ইয়াসমিন, সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ অংশগ্রহন করেন। সচিবগণ আলোচনায় অংশগ্রহন করে চার বিভাগের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব জানান, অর্থবছরের প্রথম মাস অর্থাৎ জুলাই মাসের রাজস্ব আদায়ের হিসাব এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি তবে তুলনামূলকভাবে রাজস্ব আদায় কম হয়েছে। কিন্তু এখন যেহেতু আমদানী রফতানী বাড়ছে তাই রাজস্বও রাড়তে শুরু করেছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব বিভিন্ন আইন ও বিধিমালা সংশোধিত আকারে প্রণয়ণের অগ্রগতি অবহিত করেন। অর্থসচিব বাজেট ঘাটতি ৬ শতাংশের মধ্যে রাখার নিমিত্ত জাতীয় রাজস্ববোর্ড এর সহযোগিতা কামনা করেন।

পরবর্তী বাজেট কি রকম হবে, কোন কোন খাতগুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হবে সে বিষয়ে এখন থেকে কাজ শুরু করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সমন্বয় সভার আলোচনার মাধ্যমে সময়ে সময়ে তা আপডেট করার ইঙ্গিত প্রদান করেন অর্থমন্ত্রী।

এমএইচ