স্বর্ণের বাজার কোন পথে?

আগের সংবাদ

জেমি ডের জন্য আজ মহাগুরুত্বপূর্ণ দিন

পরের সংবাদ

রাম মন্দির তৈরি হলে সপরিবারে পুজো দিতে যাব

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ১০, ২০২০ , ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ

দিন দুয়েক আগেই নিজস্ব সংসদীয় এলাকা ঘাটালে বৈঠক করার পর সাংবাদিকদের রাম মন্দির নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে দেব বলেছিলেন, “এই সময়ের প্রেক্ষিতে ভ্যাকসিন না মন্দির কোনটা আগে জরুরি একটা বাচ্চাও বলে দিতে পারবে!”

দেব কোনওদিনই রাজনৈতিক ময়দানে ব্যক্তিগত আক্রমণের পথ বেছে নেননি। এই ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয়নি, রাম মন্দির প্রসঙ্গে সেই ‘ডিপ্লোম্যাটিক’ উত্তরও ভক্তদের একাংশের পসন্দ নয়! যে কারণে দেবকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি তাঁরা। সেসব যাবতীয় বিতর্কের উপর জল ঢেলেই এক ফেসবুক আড্ডায় সাংসদ দেবের সাফ স্বীকারোক্তি, “যেদিন রাম মন্দির হবে সেদিন সপরিবারে পুজো দিতে যাব।”

না, কোনো রকম রাজনৈতিক রং-দল বেছে সেই ভাবনা থেকে এমন মন্তব্য করেননি দেব। বরং নিন্দুকদের কাছে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, প্রত্যেকটি দেশে যদি তাঁদের নিজ নিজ উপাসনা দেবতার বড় বড় মন্দির হতে পারে, তাহলে ভারতেই বা রাম মন্দির গড়ে উঠবে না কেন! শুধু তিনি কেন সারা বিশ্বের হিন্দুরা যে এই মন্দির নিয়ে গর্ববোধ করবে, সেকথাও তিনি উল্লেখ করেছেন। স্পষ্ট বলে দিয়েছেন যে রাম মন্দির নিয়ে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। আপত্তিটা অন্য জায়গায়। কীরকম? অতিমারির জেরে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেই মন্দির নির্মাণকে উপলক্ষ করে মানুষেরা একত্রিত হচ্ছেন, তাও আবার মাস্ক ছাড়াই, সেটাই সাংসদের কাছে ভয়ের কারণ হয়ে ঠেকেছে। কারণ, দিন দিন ক্রমাগত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এবং মৃতের সংখ্যা যেভাবে বেড়ে চলেছে দেশে, তাতে উদ্বিগ্ন দেবও। অতঃপর রাম মন্দির নিয়ে ট্রোলারদের যত সমালোচনা-নিন্দা, সবকিছুর উপর যে এই মন্তব্যের মাধ্যমেই তিনি জল ঢাললেন, তা বলাই যায়।

তারকা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে ট্রোলের অন্ত নেই। যার শিকার দেবকেও হতে হয়েছে একাধিকবার। সেপ্রসঙ্গে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, “ট্রোল নিয়ে কিছু যায় আসে না আমার। কাজ করেছি কি করিনি, সেটা ইতিহাসই বলবে।”

লকডাউনে বহু দুস্থ মানুষকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। দেশের বাইরে আটকে থাকা মানুষদের ঘরে ফিরিয়েছেন। দেব তাঁদের পরিযায়ী বলতেও নারাজ! তাঁর সাফ কথা, ওরা তো এদেশেরই মানুষ। পরিযায়ী কেন বলা হবে ওদের? এবার ফের ঈশ্বরের দূতের মতো অবতরণ তাঁর। নেপাল, রাশিয়া, দুবাইয়ে মানুষদের দেশে ফেরানোর পর এবার বাংলাদেশে আটকে থাকা ২০০০জনকে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছেন সাংসদ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে অনুমতি পেয়ে গিয়েছেন। এখন চিন্তাভাবনা চলছে কীভাবে সড়কপথে নিয়ে আসবেন না উড়ানে। এক ফেসবুক লাইভ আড্ডায় এসে রাজনীতি থেকে সিনেমা, অনেক কিছু নিয়েই কথা বললেন সাংসদ-অভিনেতা দেব।

এমএইচ