অবশেষে চূড়ান্ত হলো ৩ বিশ্বকাপের ভাগ্য

আগের সংবাদ

সাত সিনিয়র খেলোয়াড়ের দিকে তাকিয়ে সবাই

পরের সংবাদ

লিড পেল পাকিস্তান

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ৭, ২০২০ , ১০:২৩ অপরাহ্ণ

তিন ম্যাচের প্রথম দিন কম সময়ে পাকিস্তানের দু-দুটি উইকেট তুলে নেয় ইংলিশ বোলাররা। তখন অনেকেই ভেবেছিল ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়তে যাচ্ছে পাকিস্তান। কিন্তু সবার ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে ওপেনার শান মাসুদ একাই ১৫৬ রান পাকিস্তানকে ৩২৬ রানের বিশাল রান এনে দেন। সঙ্গে বাবর আজম ও সাদাব খান তাকে সঙ্গ দেন। প্রথম ইনিংসে অসাধারণ ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও ঝলক দেখায় পাকিস্তান। ম্যাচের দ্বিতীয় দিন পাকিস্তানকে অলআউট করে ব্যাটিংয়ে নামা ইংল্যান্ড বাবর আজমদের চেয়েও বড় ধাক্কা খায়। তারা মাত্র ১২ রান তুলতেই ২ ওপেনার ররি বার্নস, ডোম সিবলি ও বেন স্টোকসের উইকেট হারিয়ে ফেলে।
এরপর দ্বিতীয় দিন শেষ পর্যন্ত ৯২ রান করে ৪ উইকেট হারিয়ে দিনটি পার করতে সমর্থ হয়। ওই ৪টি উইকেটের মধ্যে ২টি উইকেট তুলে নেন পেসার মোহাম্মদ আব্বাস। আর ১টি করে উইকেট তুলে নেন শাহিন আফ্রিদি ও ইয়াসির শাহ। ওইদিন অলি পোপ ও জস বাটলার ক্রিজে ছিলেন। তবে আজ তৃতীয় দিন আর ৩৫ রান যোগ করতেই মানে দলীয় ১২৭ রানের মাথায় অলি পোপের উইকেটটি হারায় তারা। পোপ ১১৭ বল খেলে ৬২ রান করে আউট হন। তার উইকেটটি তুলে নেন পেসার নাসিম শাহ। শেষ পর্যন্ত ৭০.৩ ওভারে ২১৯ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস। ফলে ১০৭ রানে লিড পায় পাকিস্তান। ইয়াসির শাহ ৬৬ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন। মোহাম্মদ আব্বাস ও শাদাব খান ২টি করে উইকেট লাভ করেন।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাকিস্তান ২য় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ১০ ওভারে ২৮ রান তুলতে গিয়ে শান মাসুদের উইকেট হারায় পাকিস্তান। এ পর্যন্ত ১৩৫ রান রানে লিড পেয়েছে সফরকারীরা। এর আগে অলি পোপের আউটের মাধ্যমেই মূলত ইংল্যান্ডে স্বীকৃত সব ব্যাটসম্যান আউট হয়ে যান। এরপর ব্যাট করতে নামা ক্রিস ওকস হলেন পেসার। যেহেতু তারা দ্রুত ব্যাটসম্যানদের হারিয়ে ফেলে তাই ক্রিস ওকস ও বাটলার দুজনই দ্রæত রান তোলার দিকে মনোযোগ দেন। কারণ সবগুলো উইকেট হারানোর আগে তারা চাচ্ছিল রানের ব্যবধান কমাতে। আর প্রথম ইনিংসে তারা রানের ব্যবধান যত কমাতে পারবে ততই লাভ।
পাকিস্তান দলের মূল শক্তি হলো পেস বোলাররা। আর পেস বোলারদের দিয়েই তারা প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করে ফেলে। সঙ্গে স্পিন অ্যাটাক তো রয়েছেই। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচটিতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। পেসাররাই মূলত দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়। তারা মাত্র ১২ রানের মাথায় ৩ ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে পাঠিয়ে দেয়। এর মধ্যে ছিল বেন স্টোকসের উইকেটটিও। এই বেন স্টোকসই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রান করেছিলেন। তাকে ০ রানে মোহাম্মদ আব্বাস বোল্ড আউট করে দলকে বড় স্বস্তি এনে দেন।

ডিসি