সরিষাবাড়ীতে মেয়র রোকনের বিরুদ্ধে আ.লীগের মানববন্ধন

আগের সংবাদ

২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৩৯, শনাক্ত ২৯৭৭

পরের সংবাদ

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ গ্রেপ্তার

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ৬, ২০২০ , ২:১৩ অপরাহ্ণ

পুলিশের গুলিতে সাবেক মেজর সিনহা হত্যা মামলায় টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে কক্সবাজারে নেয়া হচ্ছে। সেখানে বিচারিক আদালতে আত্নসমর্পন করার কথা রয়েছে প্রদীপ কুমার দাশের।

এর আগে, গতকাল বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে প্রদীপ কুমার দাসসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

প্রত্যাহারকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাসের পরিবর্তে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা এ বি এম দোহাকে। পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি পদ মর্যাদার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, টেকনাফ থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা‌ এবিএম দোহাকে দা‌য়িত্ব দেওয়া হ‌য়ে‌ছে।

এর আগে বুধবার সকালে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ পুলিশের ৯ সদস্যের বিরুদ্ধে কক্সবাজার আদালতে মামলা করেন মেজর (অব.) সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া।

তিনি জানান, আদালতে মামলা করে মামলাটি তদন্তের জন্য র‌্যাবকে দায়িত্ব দিতে আবেদন জানানো হয়। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে র‌্যাবকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন।

মামলায় বাহারছরা তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। ২ নম্বর আসামি করা হয়েছে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে। তারা ছাড়াও আরও সাতজনকে এজহারভূক্ত আসামি করা হয়েছে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এ এস আই লিটন মিয়া, এ এস আই টুটুল ও কনস্টেবল মোহাম্মদ মোস্তফা।

একই দিন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদ কক্সবাজারে গিয়ে সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকায় চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান।

ঘটনার পর কক্সবাজার পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, রাশেদ তার পরিচয় দিয়ে ‘তল্লাশিতে বাধা দেন’। পরে ‘পিস্তল বের করলে’ চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ তাকে গুলি করে। তবে পুলিশের এমন ভাষ্য নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন ওঠে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিহত সাবেক সেনা কর্মকর্তার এক সঙ্গীর বক্তব্যের সঙ্গে পুলিশের ভাষ্যের কিছুটা অমিল রয়েছে বলে একটি সূত্র জানায়। এমন প্রেক্ষাপটে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এর আগে টেকনাফের বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকত আলিসহ ২০ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

 

টেকনাফ থানার আলোচিত ওসি প্রদীপ প্রত্যাহার

পিআর