জলবায়ুর প্রভাব পরিবর্তনে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি

আগের সংবাদ

শহীদ শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা

পরের সংবাদ

সময় শেষ হলেও আয়-ব্যয়ের হিসাব দেয়নি বিএনপিসহ ৭ টি দল

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ৫, ২০২০ , ৫:১৪ অপরাহ্ণ

সময় শেষ হলেও দেশের অন্যতম বৃহত্তম দল বিএনপিসহ সাতটি রাজনৈতিক দল গত বছর অর্থাৎ ২০১৯ পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়নি। গত ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে দেশের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর হিসেব দেবার কথা থাকলেও ঈদের ছুটি থাকায় ৩ আগস্ট হিসাব জমা দেয়ার শেষ দিন ধার্য্য করে ইসি। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে হিসাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় করোনার কারণ দেখিয়ে বিএনপিসহ পাঁচটি দল সময় বাড়ানোর অনুরোধ করেছে, দুটি দল কিছু জানায় নি। এ কারণে হিসাব দেয়ার সময় আরো বৃদ্ধি করা হবে বলে ইসি সূত্রে জানা গেছে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী প্রতিবছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে আগের পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব দলগুলোকে জমা দেবার বিধান রয়েছে। এবার ৩১ জুলাই ঈদের ছুটি শুরু হয়। তাই আইন অনুযায়ী ঈদের ছুটি শেষে ৩ আগস্ট হিসাব দেয়ার শেষ সময় পেরিয়ে গেছে।

ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখা সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জাতীয় পার্টি (জেপি), বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, গণফ্রন্ট, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) সময়মত হিসাব জমা দেয়নি। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ সময় মতো বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে ৩৪টি দল। যদিও জাপা পঞ্জিকা বছরের হিসেব না দিয়ে অর্থ বছরের হিসাব জমা দেয় ইসিতে।

ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বিএনপিসহ ৫টি রাজনৈতিক দল হিসাব দেবার সময় বাড়াতে আবেদন করেছে। সংশ্লিষ্টদের সময় বাড়ানোর আবেদনের ফাইল ইসির কাছে উপস্থাপন করা হবে। কমিশন মনে করলে সময় বাড়াবে। তবে বিগত সময়েও দলগুলোর আবেদনের কারণে ইসি সময় বাড়িয়েছিল। এবারেও প্রায় এক মাস সময় বাড়ানো হতে পারে। যদিও জুলাইয়ের শুরুতে হিসাব জমা দেয়ার জন্য নিবন্ধিত ৪১ দলকে নির্বাচন কমিশন চিঠি দেয়। কিন্তু প্রতি বছর দলগুলো সময় মত হিসেব জমা দিতে ব্যর্থ হয়ে সময় বাড়ানোর আবেদন করে, আর ইসি সে আবেদনে সাড়া দিয়ে প্রতি বছল সময় বৃদ্ধি করে।

রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা ২০০৮-এর ধারা ৯ (খ)তে বলা হয়েছে, প্রতি বছরের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পূর্বের বছরের সংশ্লিষ্ট দলের আর্থিক লেনদেন একটি রেজিস্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি ফার্ম দিয়ে অডিট করিয়ে সেই ওডিট রিপোর্টের একটি কপি নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হবে। আরপিও অনুযায়ী নিবন্ধিত কোনো দল পরপর তিন বছর কমিশনে তথ্য দিতে ব্যর্থ হলে সেই দলের নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।

এসএইচ