চামড়া, পাট ও মৃৎশিল্প টেকসই উন্নয়নের ধারক

আগের সংবাদ

স্বপ্নচারী শেখ কামাল ও বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন

পরের সংবাদ

মেয়রের কাছে খোলা চিঠি

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ৫, ২০২০ , ৬:৩২ অপরাহ্ণ

পুরান ঢাকার দক্ষিণের রাস্তাঘাট, ময়লা-আবর্জনা, জলাবদ্ধতা, অপরিষ্কার নর্দমা, স্ট্রিট লাইটগুলো অকেজো, ৫ বছর ধরে সূত্রাপুর বাজার অনির্মিত অবস্থায় পড়ে আছে। যত্রতত্র রাস্তার ওপর ময়লার কন্টেইনারগুলো এলাকার মানুষকে দুর্গন্ধে দুর্বিষহ করে তুলছে। এখানকার এবড়ো-থেবড়ো রাস্তায় যানবাহন চলাচল করতে যাত্রী সাধারণের প্রাণান্তকর অবস্থা দাঁড়ায়। এরপর আছে ওয়াসা, বিদ্যুৎ, গ্যাস, টেলিফোন, ইত্যাদির নানা খোঁড়াখুঁড়ি। খোঁড়াখুড়ির প্রয়োজন হয় সত্য, কিন্তু সময়মতো তা ভরাট করার দায়িত্ব যারা খোঁড়েন তাদের ওপরই পড়ে। কিন্তু তারা সাধারণত সে দায়িত্ব পালন করেন না। পুরান ঢাকার অধিবাসীরা জলাবদ্ধতা, যানজট এবং ফুটপাত ও রাস্তার ওপর অবৈধ দোকানপাট, ধোলাইখালে অবৈধ ট্রাকস্ট্যান্ড ও স্ট্রিট লাইট নিয়ে কম কথা বলা হয়নি। ময়লা-আবর্জনায় ভরপুর, বন্ধ ড্রেন-নর্দমা, খানাখন্দে আর কাদা-পানি ও ধুলোবালিতে ভরপুর এই পুরান ঢাকার জনগণ দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের কাছে এতদিন জিম্মি হয়েছিল। দেখার বা সমস্যাগুলো সমাধানের কেউ ছিল না। পরিচ্ছন্নকর্মীর সংকট, ময়লা-আবর্জনা বহন করার মতো পর্যাপ্ত ট্রাকের অভাব লেগেই আছে। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে জুরাইন কবরস্থান সংস্কারের নামে দীর্ঘসূত্রতা বড়ই পরিতাপের বিষয়। সামান্য বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতার জন্য জুরাইন কবরস্থানে লাশ নিয়ে যাওয়া যায় না। তবে আপনি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের চেহারার অনেক পরিবর্তন লক্ষণীয় ও দৃশ্যমান। এখন মশার ওষুধের গন্ধ নাকে লাগে। নগরীতে মশা কিন্তু নেই। বন্ধ কাজগুলো পুনরায় শুরু হয়েছে। যানজটের কারণে পুরান ঢাকার সরু রাস্তাঘাট কিছুটা বড় করা নগরবাসীর স্বার্থে খুবই দরকার। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে গেণ্ডারিয়ার লোহারপুল থেকে মিরপুর অথবা টঙ্গী পর্যন্ত বিআরটিসি বাস সার্ভিস চালু করার ব্যবস্থা করলে পুরান ঢাকার জনগণের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ লাঘব হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
তবে সুখের খবর এই যে, আপনি ঢাকা দক্ষিণের মেয়র হয়ে আসার পর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মকাণ্ডের গতি ফিরে এসেছে। আপনার গতিশীল নেতৃত্বের প্রতি স্যালুট ও পুরান ঢাকার জনগণের সহযোগিতা ও দোয়া সর্বত্র থাকবে।

ফরিদাবাদ-গেণ্ডারিয়া,
ঢাকা।

[email protected]

এসআর