শেখ কামালের জন্মদিন পালন করবে আবাহনী

আগের সংবাদ

৬ দিন পর আখাউড়া বন্দর চালু

পরের সংবাদ

ফিকার প্রতিবেদনে বিব্রত বিসিবি

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ৫, ২০২০ , ১২:৩৬ অপরাহ্ণ

বর্তমানে টি-টোয়েন্টি লিগগুলো বেশ জনপ্রিয় ক্রিকেটপ্রেমীদের। কিন্তু ফেডারেশন অব ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটার্স এসোসিয়েশনের (ফিকা) সবশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে বিশ^জুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টগুলোতে খেলা এক-তৃতীয়াংশের বেশি ক্রিকেটারকে বিলম্বিত পারিশ্রমিকের ঝামেলায় পড়েছেন। এমনকি তালিকাভুক্ত ৬টি লিগের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগও (বিপিএল)। তবে ফিকার এমন প্রতিবেদন প্রকাশ হবার পর নড়েচড়ে বসেছে দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিসিবি ফিকার প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিপরীতে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে জানিয়েছে, এটি একটি বিছিন্ন ঘটনা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘বিসিবি লক্ষ করেছে যে এফআইসিএ’র সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে ক্রিকেটারদের অর্থ প্রদান-সংক্রান্ত বিভ্রান্তিমূলক এবং ভুল তথ্য প্রকাশ করেছে। এছাড়া ফিকার প্রতিবেদনে যে ৬টি লিগের নাম এসেছে, সেগুলোর মধ্যে বিপিএলই শুধু প্রতিষ্ঠিত টুর্নামেন্ট। ফলে এমন প্রতিবেদনে নাম আসাটা আয়োজকদের জন্যও বিব্রতকর। তাই দ্রুত সমস্যা সমাধানে তৎপর বিসিবি।

ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোর প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গেছে, ২০১৮-১৯ মৌসুমে সিলেট সিক্সার্সের হয়ে খেলা ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান নিকোলাস পুরান এবং আফগান অলরাউন্ডার গুলবাদিন নাইব তাদের পারিশ্রমিক পাননি এখনো। এ বিষয়ে গত ১২ মাস ধরেই ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে তাগাদা দিয়ে আসছিল বিসিবি।

সিলেটের কাছ থেকে সব মিলিয়ে ৩৫ হাজার ডলার পাওয়ার কথা পুরানের, নাইবের পাওনা ৩২ হাজার ডলার। কিন্তু পুরান পেয়েছেন শুধু ১০ হাজার ডলার। বাকি পারিশ্রমিকের ব্যাপারে ইতিবাচক কোনো সাড়া পাননি এ দুই ক্রিকেটার। এর আগে বিপিএলের প্রথম দুই আসরে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক নিয়ে ঝামেলা হবার পর সম্পূর্ণ কাঠামোতেই পরিবর্তন করেছে বিসিবি। বিশেষ করে ২০১৯-২০ মৌসুমের বিপিএলে বেশির ভাগ খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক যথাসময়েই পরিশোধ করে দিয়েছে বিসিবি। তবে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিকের বিষয়ে ঝামেলা দেখা দেয়ায় খানিক বিব্রত বোর্ড। এ বিষয় গতকাল বিসিবি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। জানিয়েছে, ২০১৮ সালের বিপিএলে ১৭০ দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়, কোচ ও সাপোর্টিং স্টাফ কাজ করেছে। সেখান থেকে বাকিরা পারিশ্রমিক পেলেও একটি নির্দিষ্ট ফ্র্যাঞ্চাইজির ৪ ব্যক্তি পারিশ্রমিক পাননি। তাই এ বিষয় দ্রুতই পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দীন চৌধুরী সুজন বলেছেন, এটা অবশ্যই উদ্বেগের কারণ। আমরা খুব গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি দেখছি। বিসিবি বিপিএলের সঙ্গে জড়িত। আমরা খেলোয়াড়দের এজেন্টের মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে কিছু ফ্র্যাঞ্চাইজি ২০১৮-১৯ মৌসুমের টাকা পরিশোধ করেনি। আমরা খুব দ্রুত পারিশ্রমিক পরিশোধ করব এবং যে সমস্ত ফ্র্যাঞ্চাইজি পারিশ্রমিক বকেয়া রেখেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এমআই