কোথায়, কখন ঈদুল আজহার জামাত

আগের সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নরেন্দ্র মোদির ঈদ শুভেচ্ছা

পরের সংবাদ

বিএনপি নেতারা কে কোথায় ঈদ করবেন

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ৩১, ২০২০ , ৯:২৪ অপরাহ্ণ

ঈদুল ফিতরের মতো এবারও ঈদের আনন্দ নেই বিএনপি নেতাদের। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারের বাইরে থাকলেও নেতাকর্মীরা সাক্ষাৎ পাচ্ছেন না।

করোনা মহামারির কারণে দলটির নেতাকর্মীদের মনে ঈদের আনন্দ নেই বললেই চলে।  বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।

দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন পর মুক্তি পেয়েও করোনার কারণে বাসায় অনেকটা বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন। অপরদিকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক যুগেরও বেশি সময় ধরে লন্ডনে অবস্থান করছেন।

তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান, প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান সিথী ও তার দুই মেয়েও ঈদ করবেন লন্ডনে।

প্রতিবছর দলীয় চেয়ারপারসনের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপন শুরু হয় দলীয় নেতাকর্মীদের। কিন্তু গত দুই বছর যাবত চেয়ারপারসন কারাগারে থাকায় তা হয়নি। এবারও করোনার কারণে খালেদা জিয়ার বাসায় অথবা অন্য কোনো স্থানে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সুযোগ থাকছে না।

তবে ঈদের নামাজের পরপরই বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন দলটির শীর্ষ নেতারা। সন্ধ্যায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে বাসায় যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেটিও নির্ভর করছে নেত্রীর ইচ্ছার ওপরে। নেত্রী যদি তাদের বাসায় দেখা করার সুযোগ দেন তাহলে হয়তো দেখা হতে পারেন।

জানতে চাইলে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ঈদুল ফিতরের দিন সন্ধ্যায় আমরা স্থায়ী কমিটির সদস্যরা মহাসচিবসহ ম্যাডামের সঙ্গে যেভাবে সাক্ষাৎ করেছিলাম এবার ঈদেও সেরকম সাক্ষাতের সুযোগ হতে পারে। তবে স্থায়ী কমিটির সদস্য ছাড়া অন্য কারও সাক্ষাৎ পাওয়ার সুযোগ হবে না।

জানা গেছে, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করতে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের অনেকে প্রতিবার ঈদের সময় নিজ নিজ এলাকায় চলে যেতেন। এবার করোনার কারণে অনেকেই ঢাকা ছাড়ছেন না। অনেকে করোনার ভয়ে ঢাকার বাসায় গরু কোরবানিও করছেন না।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকাতেই ঈদ করবেন। তিনি উত্তরার একটি মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করবেন।

স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ঈদ করবেন ঢাকায়। গুলশানের নিজ বাসায় তিনি গরু কোরবানি করবেন বলে জানান। ইতোমধ্যে গরু ক্রয় করা হয়েছে।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আমি গত মার্চ মাস থেকে গুলশানের বাসায় অবস্থান করছি। চার মাস পুরো হয়ে গেলো। ঈদের নামাজেও বাইরে যাবো না।

সময় কীভাবে কাটছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বই লিখছি। ইতোমধ্যে দুটি বই লেখা শেষ করে ফেলেছি। দিনে আটঘণ্টা বই নিয়েই ব্যস্ত থাকি। গরু কিনেছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, না এখানে নয় গ্রামে গরু কোরবানি হবে।  বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) গরু ক্রয় করা হয়েছে।

এছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ঢাকায় ঈদ করবেন। স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী নিজ নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রামে ঈদ করবেন।

পিআর