জীবনের আশা আর স্বপ্নগুলো বাঁচিয়ে রাখতে হবে

আগের সংবাদ

জয় দিয়ে চ্যাম্পিয়নের মুকুট মাথায় পরল লিভারপুল

পরের সংবাদ

কুষ্টিয়ায় গড়াই নদীর বাঁধ ভেঙে ৫ গ্রাম প্লাবিত

বাঁধ রক্ষার ৪০ কোটি টাকার প্রকল্প কোনো কাজেই আসেনি

প্রকাশিত: জুলাই ২৩, ২০২০ , ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০২০ , ১:৩৫ অপরাহ্ণ

গড়াই নদীর প্রবল পানির চাপে ভেসে গেছে কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার ৫টি গ্রাম। এলাকাবাসী বাঁশ-বালির বস্তা দিয়ে রক্ষা করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওই বাঁধ রক্ষার জন্য ৪০ কোটি টাকার প্রকল্প তাদের কোন কাজেই আসেনি। তবে আশঙ্কা কখন যে বাঁশ আর বালির বস্তা দিয়ে নির্মিত বাঁধ ভেঙে পানিতে তলিয়ে যায় পুরো এলাকা।

বুধবার (২২ জুলাই) রাতে হঠাৎ করেই কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের ৫টি গ্রামে জিকে বাঁধ ভেঙে গড়াই নদীর পানি প্রবেশ করে সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে যায়। পানির বিকট শব্দে ঘুমিয়ে পড়া মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে নিজেরাই এভাবে বালি ভর্তি বস্তা, বাঁশ দিয়ে বাঁধ রক্ষা করার চেষ্টা করে। কিন্তু তা হয়নি। রাতেই ইউনিয়নের চাপড়া, মন্ডলপাড়া, কারিগর পাড়া, এনায়েতপুরসহ ৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে যায়। গরু, ছাগল, ঘরের আসবাব পত্র, ফসলি জমি ডুবে যায় পানিতে।

প্রতি বছর নিজেরাই বর্ষা মৌসুম আসার আগেই গড়াই নদীর বাঁধ এলাকাবাসী রক্ষা করে। অনেকবার জানানোর পরও পানি উন্নয়ন বোর্ড এসে তাদের বলে যায়, এবার তাদের কোনো কিছু করতে হবে না। তারাই করবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছুই করেনি। নদী ভাঙতে ভাঙতে চার কি. মি. দূরে চলে এসেছে। এবার পুরো বাঁধ যদি ভেঙে যায় তা হলে পুরো এলাকা প্লাবিত হবে। এমন আশংকা এলাকাবাসীর।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নেশন টেক’র উদাসীনতায় নির্মিত বাঁধ রক্ষা ব্লক না ফেলায় প্লাবিত হয়েছে ৫টি গ্রাম। ডুবে গেছে শতশত বিঘা কৃষি জমি। তবে এখনও ভাঙন আশংকায় আশ্রয়ণ প্রকল্পসহ হিলালপুর, কালিবাড়ি বাঁধপাড়া, কমলাপুর ও জাগলবা গ্রামের বাসিন্দারা। তবে জরুরি অবস্থায় এখানে স্থায়ীভাবে বেড়িবাঁধ নির্মাণ না হলে এলাকা ছেড়ে কয়েক হাজার মানুষকে চলে যেত অন্যত্র। এমন আশংকা এখানকার এলাকাবাসীর।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়