আন্তঃক্যাডার বৈষম্য দূরে করণীয়

আগের সংবাদ

জানিয়ে দেয়া হলো প্রিমিয়ার লিগের দলবদলের সময়

পরের সংবাদ

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ভবিষ্যৎ শঙ্কামুক্ত জরুরি

ইকবাল হাসান

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১৫, ২০২০ , ৭:৫৫ অপরাহ্ণ

আমাদের অর্থনীতির চালিকাশক্তির মধ্যে অন্যতম একটি রেমিট্যান্স। রেমিট্যান্স যোদ্ধারা দিন-রাত পরিশ্রম করে টাকা পাঠায় বাংলাদেশে। রেমিট্যান্স পাঠানো বন্ধ হলে বাংলদেশের অর্থনীতিতে বিরাট সমস্যা উদ্ভব হবে। ইতোমধ্যে আগামী এক সপ্তাহের জন্য ইতালিতে বাংলাদেশি ফ্লাইট নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা যদি দীর্ঘ পরিসরে হয় তাহলে রেমিট্যান্স কমে যাবে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ৪৫ হাজার বাংলাদেশি ইতালিতে বসবাস করছেন। নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘ হলে করোনা-পরবর্তী সময়ে ইতালির ভিসা নাও মিলতে পারে সবুজ পাসপোর্টধারীদের।
অন্যান্য দেশ থেকেও যদি এরকম কিংবা আরো দীর্ঘ সময়ের নিষেধাজ্ঞা আসে তাহলে শুধু প্রবাসী শ্রমিক না অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়তে যেতে পারবে না। এছাড়াও বাইরের দেশের পর্যটক আমাদের দেশে আসবে না, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞাও আসতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসেবে ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরে মোট ১ হাজার ৮২০ কোটি ৩০ লাখ বা ১৮.২০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এটি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের চেয়ে ১০.৮৫ শতাংশ বেশি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট ১৬.৪২ বিলিয়ন রেমিট্যান্স এসেছিল। এবারে ৩০ জুন দিন শেষে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬.১৪ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে শুধু জুনেই এসেছে ১৮৩ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স, যা মাসের হিসাবে সর্বোচ্চ। এই ঊর্ধ্বমুখী অবস্থা বজায় রাখতে চাইলে আমাদের সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে করোনা মোকাবিলা করতে হবে। করোনা টেস্ট বাড়াতে হবে যাতে অধিক আক্রান্ত ধরা পড়ে ভাইরাসটি ছড়াতে না পারে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এরকম চলতে থাকলে আমরা ঘরকুনো হয়ে পড়ব। এর প্রভাব পড়বে আমাদের অর্থনীতিতে। তাই আমাদের অর্থনীতি বাঁচাতে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ভবিষ্যৎ শঙ্কামুক্ত করা জরুরি।

শিক্ষার্থী, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

এসআর