দোয়ারাবাজারে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত, দূর্ভোগে লাখো মানুষ

আগের সংবাদ

বালু রাখার আক্কেল সেলামি  ১৭ লাখ টাকা

পরের সংবাদ

অর্থনীতি রক্ষায়

তারল্য সংকট নিয়ে কাজ করবে বিএলএফসিএ

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১৪, ২০২০ , ৫:৪৩ অপরাহ্ণ

চলমান সংকটের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য তারল্য সংকট ও সংস্থান, অভ্যন্তরীণ সামর্থ এবং দেশের বন্ড মার্কেট বৃদ্ধির জন্য নন-ব্যাংক বা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো (এনবিএফআই) আরো এগিয়ে আসবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন (বিএলএফসিএ)-এর নেতারা।

আগামী দুই বছরের ভবিষ্যৎ কর্ম-পরিকল্পনা নিয়ে আজ মঙ্গলবার বিএলএফসিএ-র নব-নিযুক্ত কমিটির সদস্যদের নিয়ে প্রথম অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তারা।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাফল্য তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে বিএলএফসিএ-এর চেয়ারম্যান ও আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মমিনুল ইসলাম বলেন, দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে বিগত কয়েক বছর ধরে অবদান রেখে চলছে এনবিএফআই-এর প্রতিষ্ঠানগুলো। বর্তমানে আমাদের ৩৩ আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যার মধ্যে সারাদেশে ২৭৬ শাখায় ৮ হাজার ৩৫৮জন কর্মকর্তাসহ ২ লাখ ৫৫ হাজার গ্রাহক রয়েছে। এর মধ্যে আমরা ব্যাংকিং সেক্টরে ৬.৪%, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা অর্থাৎ এসএমই খাতে ১৩.৩%, বৃহৎ শিল্প খাতে ১২.৩%, ডিপোজিট কারীদের ৪৫.৫% এবং অন্যান্য জনসাধারণকে ১৭.৪% লোন প্রদান করেছি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেখা যায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো মূলধনের সামর্থ ১৬.৯% সেখানে ব্যাংকিং খাতের মূলধনের সামর্থ ১১.৬%। এছাড়া তাদের চেয়ে প্রবৃদ্ধির দিক দিয়েও আমরা ১% এগিয়ে রয়েছি নন-ব্যাংক বা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

সংবাদ সম্মেলনে বিএলএফসিএ-এর কার্যনির্বাহী সদস্য ও আইডিএলসি ফিন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আরিফ খান বলেন, সরকারি ট্রেজারি বিলের হার বেশি থাকায় বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেউ ইনভেস্ট করতে চায় না। এজন্য বন্ড মার্কেট বৃদ্ধি করার জন্য সরকারকে মিউচুয়াল ফান্ডের দিকেও বেশি নজর দিতে হবে। দেশে বন্ড মার্কেটে উন্নয়ন হলে দেশের ব্যাংকিং খাতও উন্নয়ন হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএলএফসিএ-এর কার্যনির্বাহী সদস্য ও উত্তরা ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এসএম শামসুল আরেফিন বলেন, “দেশের নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাংকের প্রতিযোগি হতে চায় না তাদের সহযোগী হয়ে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে চায়। ব্যাংকিং খাতগুলোর চেয়ে আমাদের সাভির্সগুলো অনেকটায় সহজ। এক্ষেত্রে গ্রাহকদের বিরম্বনায় না পড়ে সহজেই লোন সুবিধা পেয়ে থাকে।”

এমএইচ