গাঙ্গুলিকে ক্ষেপালে তার মাসুল দিতে হতো

আগের সংবাদ

ঈদের পর টাইগারদের অনুশীলন!

পরের সংবাদ

নিষেধাজ্ঞা মুক্ত ম্যানচেস্টার সিটি চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলবে

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১৩, ২০২০ , ৯:০৩ অপরাহ্ণ

ম্যানচেস্টার সিটির ওপর থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার নিষেধাজ্ঞা উঠে গেছে। তাই আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগে তাদের খেলতে কোন বাধা থাকছে না।

আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে ইউরোপের প্রতিযোগিতা থেকে ম্যানচেস্টার সিটিকে দুই বছর নিষিদ্ধ করে ইউরোপের সর্বোচ্চ ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা (উয়েফা)। কিন্তু ম্যানসিটি সেই অভিযোগ নাকচ করে দেয়। তারা নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করে ক্রীড়া বিষয়ক আদালত কোর্ট অব আর্বিট্রেশন অব স্পোর্টসের (সিএএস) কাছে। ১৩ জুলাই (সোমবার) সেই আপিলের রায়ে নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পেয়েছে ম্যানসিটি।

ম্যানসিটির বিপক্ষে অভিযোগ ছিল, তারা উয়েফাকে আয়ের ঠিকঠাক হিসেব দেয়নি। ইউরোপিয়ান ফুটবল কর্তৃপক্ষ তাই সিটিকে দুই বছর চ্যাম্পিয়নস লিগ বা ইউরোপা লিগ থেকে নিষিদ্ধ করে। সঙ্গে জরিমানা করে ৩০ মিলিয়ন ইউরো। নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলেও ম্যানসিটিকে দিতে হবে জরিমানা। তবে সেটাও আগের চেয়ে কম। এর আগে জরিমানা নামিয়ে ১০ মিলিয়ন পাউন্ড করা হয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে উয়েফা ম্যানসিটিকে নিষিদ্ধ করার কারণ হিসেবে বিবৃতিতে জানান, ম্যানসিটি তাদের আয় বেশি করে দেখিয়েছে। কিন্তু সিএএস নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কারণ হিসেবে জানিয়েছে, আর্থিক অনিয়ম ম্যানসিটি করেনি। তবে তারা আর্থিক স্বচ্ছতা যাচাইয়ের ব্যাপারে উয়েফাকে ঠিক মতো সহায়তা করেনি। সিএএসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ম্যানসিটির বিপক্ষে যে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তার কোনটিই প্রমাণ করা যায়নি। এছাড়া উয়েফাকে তদন্তে অসহযোগিতা করার চেয়ে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই ম্যানসিটিকে উয়েফার নিষিদ্ধ করা ঠিক হয়নি বলে জানিয়েছে সিএএস।

২০১৮ সালের নভেম্বরে জার্মান সংবাদপত্র ‘ডার স্পিগেল’ তাদের একটি প্রতিবেদনে কিছু গোপন নথি প্রকাশ করে বলেছিল, ম্যানচেস্টার সিটি তাদের একটি স্পন্সরশিপ চুক্তির অর্থের পরিমাণ নিয়ে উয়েফাকে ভুল তথ্য দিয়েছে। এরপর ক্লাবটির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে সংস্থাটি। তখন উয়েফা জানিয়েছিল, ২০১২ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে স্পন্সরশিপ রাজস্ব থেকে আয়কৃত মোট অর্থের সঠিক হিসাব দেয়নি ম্যান সিটি। ক্লাব কর্তৃপক্ষ অর্থের অঙ্ক ‘বাড়িয়ে’ বলেছে। পাশাপাশি দলটির বিরুদ্ধে তদন্ত কাজে ‘সহায়তা না করার’ অভিযোগও আনে তারা। যে কারণে গত ফেব্রæয়ারিতে ইউরোপিয়ান ক্লাব প্রতিযোগিতা থেকে দুই মৌসুমের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় সিটিকে।

আর্থিক বিষয়ে স্বচ্ছতার আনতে ২০১১-১২ মৌসুম থেকে ফিন্যান্সিয়াল পাওয়ার প্লে চালু করেছিল উয়েফা। কোনো ক্লাব যেন মাত্রারিক্ত অর্থ বিনিয়োগ করে খেলোয়াড়দের বেতন ও দলবদলে বিরূপ প্রভাব না ফেলতে পারে তাই এ আইন করে তারা। ক্লাবগুলো যেন নিজের আয়ের চলতে পারে।

এমএইচ