মুক্তিযোদ্ধা ও ক্রিকেটার রকিবুলকে নিয়ে চলচ্চিত্র

আগের সংবাদ

সাহেদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করবে দুদক

পরের সংবাদ

কৌতুক সম্রাট দিলদারের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১৩, ২০২০ , ১:১৮ অপরাহ্ণ

ছবি দেখতে দেখতে কষ্ট-বেদনায় মন যখন আচ্ছন্ন হয়ে থাকতো তখনই তিনি হাজির হতেন হাসির সুবাতাস বইয়ে দিয়ে। মানুষ তাকে দেখে হলে আসতেন। তার নামে দর্শক হলে আসত।তিনি তাই ঢাকাই সিনেমার সুপারস্টার হয়ে উঠেছিলেন। বলছি নন্দিত কৌতুক অভিনেতা দিলদারের কথা।

আজ ১৩ জুলাই দিলদারের মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৩ সালের এই দিনে ৫৮ বছর বয়সে তিনি জীবনের মায়া কা’টিয়ে চিরদিনের মতো পৃথিবী ত্যা’গ করেন। দেখতে দেখতে কেটে গেল ১৭টি বছর, দিলদার নেই। তবে তিনি থেকে গেছেন অসংখ্য চলচ্চিত্রে তার দুর্দা’ন্ত অভিনয়ে; কৌতুক অভিনয়ের কিংবদ’ন্তি হয়ে।

১৯৪৫ সালের ১৩ জানুয়ারি চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করেন দিলদার। তিনি এসএসসি পাস করার পর পড়াশোনার ইতি টা’নেন। ১৯৭২ সালে ‘কেন এমন হয়’ নামের চলচ্চিত্র দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু করেন। আর পেছনে ফিরে তা’কাননি তিনি। অভিনয় করেছেন ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ ‘বিক্ষোভ’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘কন্যাদান’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘সুন্দর আলীর জীবন সংসার’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘শান্ত কেন মাস্তান’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় সব চলচ্চিত্রে।

দিলদারের জনপ্রিয়তা এতটাই তুঙ্গে ছিল যে, তাকে নায়ক করে নির্মাণ করা হয়েছিল ‘আব্দুল্লাহ’ নামে একটি চলচ্চিত্র। নূতনের বিপরীতে এই ছবিতে বাজিমাত করেছিলেন তিনি। দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো ছবিতে ঠাঁই পাওয়া গানগুলো। সেরা কৌতুক অভিনেতা হিসেবে ২০০৩ সালে ‘তুমি শুধু আমার’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুবাদে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও লাভ করেন। ভাগ্যের পরিহাস, সে বছরই মৃত্যু বরণ।করেন তিনি। বাংলা সিনেমার দর্শক বঞ্চিত হয়েছে তার প্রাণ জুড়ানো অভিনয় থেকে। তার মৃত্যুর পর আরও অনেক কৌতুক অভিনেতাই এসেছেন, আবার সময়ের স্রোতে হারিয়েও গেছেন। কিন্তু কেউই দিলদারের অভাব পূরণ করতে পারেননি।

এসএইচ