এবার মল্লিক পরিবারে করোনার হানা

আগের সংবাদ

আদাবরে ছিন্নমূলদের কোভিড ভলান্টিয়ার টিম

পরের সংবাদ

ভালো থাকতে হবে সবাই মিলে, সবাইকে নিয়ে

প্রভাষ আমিন

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১০, ২০২০ , ৮:৫০ অপরাহ্ণ

এমনিতে আমরা বলি ভালো সময়, খারাপ সময়। কিন্তু এখন আসলে গোটা বিশ্বের চরম দুঃসময় চলছে। পাটকল শ্রমিক হোক আর সাংবাদিক, সরকারি বা বেসরকারি- বিপদটা সবার। সবাইকে বেঁচে থাকতে হবে। সবাইকে হাতে হাত রেখে এই কঠিন দুঃসময় পাড়ি দিতে হবে। বিচ্ছিন্নভাবে, ব্যক্তিগতভাবে ভালো থাকাটা আসলে ভালো থাকা নয়। সবাইকে নিয়ে, সবাই মিলে ভালো থাকাটাই আসল।

ছেলেবেলায় আমরা শুনতাম পাট হলো সোনালি আঁশ। বাংলাদেশের এক নম্বর রপ্তানি পণ্য, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস ছিল এই পাট। পরীক্ষা পাসের জন্য রপ্তানি পণ্যের তালিকা মুখস্থ করেছিলাম- পাট, চা, চামড়া…। তিন দশকে পাল্টে গেছে চিত্র। পাট যেন এখন আমাদের গলার ফাঁস। অথচ যখন সুদিন ছিল, তখন পাটকে ঘিরেই প্রাণচঞ্চল থাকত অনেক এলাকা। কোটি মানুষের জীবিকার উৎস ছিল পাট। নারায়ণগঞ্জের আদমজী বা খুলনার খালিশপুর শুনলেই আমরা বুঝি পাটকল। আর এই পাটকলকে ঘিরে এসব এলাকায় গড়ে উঠত আলাদা এক কমিউনিটি। শ্রমিক-কর্মচারী, বস্তি, দোকানপাট, হুল্লোড়, শ্রমিক রাজনীতি- সব মিলিয়ে অন্য রকম এক জগৎ। আশির দশকে আমাদের গ্রামের বাড়ির পাশে স্থাপিত হলো সোনালি আঁশ জুট মিল। এই একটি মিল বদলে দিল আমাদের গোটা এলাকার অর্থনীতির চেহারা। যদিও আমাদের গ্রামের এই বদলটা আমার ভালো লাগেনি। কারণ এই জুট মিল আমার প্রিয় গ্রামকে আধা শহর বানিয়ে দিয়েছে। আমি বারবার হারিয়ে খুঁজি আমার ছেলেবেলার সেই গ্রামকে। তবে আমাদের এলাকার মানুষ খুব খুশি। আমাদের এলাকায় আর এখন হতদরিদ্র বলে কেউ নেই। সোনালি আঁশ জুট মিলকে ঘিরে কিছু না কিছু করে ব্যবস্থা হয় জীবিকা নির্বাহের।
পাটের সেই দিন আর নেই। আদমজী বন্ধ হওয়া দিয়েই পাটের পতন শুরু। এখন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বাকি ২৫টি পাটকলও। তার মানে দেশে সরকারি আর কোনো পাটকল থাকছে না। দিনের পর দিন লোকসান দিতে দিতে পাটকলগুলো আজ এই ধ্বংসের সীমানায় এসে দাঁড়িয়েছে। সরকারি সব পাটকল বন্ধ করে দেয়া ঠিক না ভুল, সেটা ভিন্ন বিতর্ক। তবে বাংলাদেশের সব রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের সামগ্রিক দুর্নীতি, অদক্ষতা আর ব্যর্থতার দলিল। সরকারকা মাল দরিয়া মে ঢাল, বলে একটা কথা আছে। এর চেয়ে সত্যি আর কোনো কথা নেই। সরকারি মানেই লস। দিনের পর দিন বছরের পর লোকসান দিতে দিতে কতদিন আর চলতে পারে। আপনি ভাবুন, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সবচেয়ে লাভজনক প্রতিষ্ঠান কোনটি; গ্রামীণফোন, ইউনিলিভার? যে কোনো একটিকে সরকারি করে দিন। এক বছরের মধ্যে লালবাতি জ্বলে যাবে। গ্রামীণফোন, রবি বা বাংলালিংকের পাশে সরকারি টেলিটক কেমন অনুজ্জ্বল দেখুন। এমনকি কোকাকোলার মতো জনপ্রিয় পণ্য বিক্রি করেও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট লোকসান করতে পেরেছিল, যেটা প্রায় অসম্ভব একটি কাজ। তবে লোকসান হওয়াকেই যদি সরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়ার একমাত্র মাপকাঠি হয়; তাহলে অবশ্য অধিকাংশ সরকারি প্রতিষ্ঠানই বন্ধ করে দিতে হবে। রেলের টিকেটের জন্য সারা বছর হাহাকার। তবু বছরের পর বছর রেল মানেই লোকসান। বিমানের টিকেট কিনতে গেলে পাবেন না, উঠে দেখবেন অনেক আসন ফাঁকা। লোকসান তো অনিবার্য। শুধু লাভ-লোকসান দিয়ে বিবেচনা করলে বাংলাদেশের অধিকাংশ সরকারি প্রতিষ্ঠানই বন্ধ করে দিতে হবে। তবে সরকার ব্যবসা করে না। কল্যাণ রাষ্ট্রে সরকারের দায়িত্ব জনগণের কল্যাণে কাজ করা। তাই দিনের পর দিন লোকসান হলেও রেলওয়ে বন্ধ হবে না। বিদ্যুৎ, গ্যাস, সার, বীজ, ডিজেলসহ নানা খাতে সরকার বছরের পর বছর ভর্তুকি দেয় জনগণের কল্যাণের জন্য। কিন্তু জনগণের কল্যাণ আর জনগণের অর্থ দুর্নীতির মাধ্যমে লুটেপুটে খাওয়া এক নয়। বছরের পর বছর লুটপাট কোনোভাবেই চলতে পারে না। পাটকল বন্ধ করে দেয়া কোনো সমাধান নয়। এটা আসলে মাথাব্যথার জন্য মাথা কেটে ফেলার শামিল। মাথা ব্যথাটা দূর করতে হবে। শুধু পাট খাত নয়, সরকারের সব খাতকেই দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে, দক্ষতা বাড়াতে হবে। বেসরকারি উদ্যোক্তারা যে খাতে লাভ করতে পারে, সরকারকে কেন সেখানে লোকসান দিতে হয়, দায়টা কার খুঁজে বের করতে হবে।
আগেই বলেছি, রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত ভালো না মন্দ; আজকের লেখার বিষয় সেটি নয়। ২৫টি পাটকল বন্ধ করতে হলে বিদায় করতে হবে ২৫ হাজার শ্রমিককেও। এ নিয়ে বিভিন্ন শিল্প এলাকায় আন্দোলন চলছে। তবে সরকার শ্রমিকদের খালি হাতে বিদায় করছে না। তাদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের আওতায় প্রাপ্য সুবিধাসহই বিদায় করবে। সব মিলিয়ে পাটকলগুলো বন্ধ করতেই সরকারকে ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে। একজন শ্রমিক যে টাকা পাবেন, গ্রামে গিয়ে ছোটখাটো কোনো একটা উদ্যোগ নিয়েও হয়তো খাওয়া-পরার ব্যবস্থা করতে পারবেন। তবে পাটকল বন্ধ করতে ২৫ হাজার শ্রমিককে গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের আওতায় আনার সিদ্ধান্তের টাইমিংটা ভালো হয়নি। টাইমিং একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। বিশেষ করে যারা ক্রিকেট দেখেন তারা বুঝবেন। যে বলে একজন ব্যাটসম্যান অনায়াসে ছক্কা মারতে পারেন, টাইমিংয়ে একটু গড়বড় হলে সেই বলেই আউটও হয়ে যেতে পারেন। কথায় বলে, সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়।
বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্ব এখন করোনা আতঙ্কে অস্থির। গোটা বিশ্ব ভয়াবহ এক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কায় কাঁপছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি যে মোমেন্টাম পেয়েছিল, করোনা তার রাশ টেনে ধরছে। হাজার হাজার মানুষ এরই মধ্যে বেকার হয়ে গেছে। অনেকে পেশা বদলে টিকে থাকার চেষ্টা করছে। ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন ১৫ ভাগ কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। অবশ্য অনেক বেসরকারি ব্যাংকই তা মানেনি। তারপরও আতঙ্ক কাটেনি। বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ছাঁটাই চলছে। কোথাও কোথাও বেতন কমিয়ে দেয়া হয়েছে। আগের মাসে ঢাকার সচ্ছল মধ্যবিত্ত পরের মাসেই একেবারে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছেন। কারণ অন্য সময়ের মতো এখন কেউ বেকার হলে তার পক্ষে আরেকটা চাকরি জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব। সব জায়গায় ছাঁটাইয়ের আতঙ্ক। কোথাও কোনো চাকরির বিজ্ঞপ্তি নেই। করোনার সময় অন্তত ৫০ হাজার পরিবার ঢাকা ছেড়েছে বলে পত্রিকায় খবর এসেছে। গ্রামমুখী এই স্রোত সামনের দিনগুলোতে আরো বাড়বে বলেই মনে হচ্ছে। আগে মানুষ কাজের খোঁজে ঢাকায় আসত। এখন বাঁচার আশায় গ্রামে চলে যাচ্ছে।
এই সময়ে সরকারের উচিত ছিল বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের প্রতি কঠোর বার্তা দেয়া, যেন এই সময়ে কেউ ছাঁটাইয়ের মতো অমানবিক সিদ্ধান্ত না নেন। কেউ অমানবিক সিদ্ধান্ত নিলে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে, এমন একটা কাগুজে হুমকি অন্তত দিতে পারত। আর যারা কর্মী ছাঁটাই করবে না, তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা, ঋণ, করছাড় ধরনের ঘোষণা দিতে পারত। সরকার ঘোষণা দিলেই ছাঁটাই বন্ধ হয়ে যাবে, ব্যাপারটা অত সরল নয়। এ ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়ে আসলে এই প্রবণতার গতিটা একটু কমিয়ে রাখার চেষ্টা করা যেত। কিন্তু সরকার করেছে উল্টো কাজ। এই সময়ে পাটকলের ২৫ হাজার শ্রমিকের বেকার হওয়া অনুপ্রাণিত করবে কর্মী ছাঁটাইয়ের জন্য ওঁৎ পেতে থাকা বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের। তারা বলবে, দেখো, সরকারই পারছে না। আর আমরা কোন ছার। সরকার তো আর শুধু সরকারি কর্মচারীদের জন্য নয়। সরকারি, বেসরকারি, চাকরিজীবী, বেকার, ব্যবসায়ী- সবার দায়িত্বই তো সরকারের। শেষ পর্যন্ত দেশের প্রতিটি নাগরিকের খাওয়া-পরা নিশ্চিত করার দায় কিন্তু সরকারকেই নিতে হবে।
এই মন্দা, অনিশ্চয়তা, বেকারত্ব, অমানবিকতার কথা প্রতিদিন যারা লিখছেন; তুলে আনছেন; সেই গণমাধ্যম কর্মীদের কথা কিন্তু আপনারা সবাই জানেন না। করোনার আগে থেকেই বাংলাদেশের গণমাধ্যম কঠিন এক সময় পার করছিল। পত্রিকা, টেলিভিশন, রেডিও, অনলাইন মিলিয়ে অগুনতি গণমাধ্যম; বিজ্ঞাপনের বাজার ছোট হয়ে যাওয়া, বিজ্ঞাপনের বাজারে অসুস্থ প্রতিযোগিতা, বিকল্প মাধ্যমে বিজ্ঞাপন চলে যাওয়া- সব মিলিয়ে গণমাধ্যম চরম অনিশ্চয়তার দিকে যাচ্ছিল।
তারপরও চলছিল টিকে থাকার সংগ্রাম। করোনা এসে এক ধাক্কায় গণমাধ্যমকে দীর্ঘ এক পতনের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। অনিশ্চয়তাটা প্রিন্ট মিডিয়ায় বেশি। করোনার সময় চাহিদা থাকলেও বিতরণ সমস্যার কারণে পত্রিকার সার্কুলেশন কমে গেছে আশঙ্কাজনকভাবে। ঢাকার অনেক ভবনে হকার প্রবেশ নিষেধ এখনো। এই সময়ে মানুষ টিভি বা অনলাইনে যেভাবে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছে; তাতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও ছাপা পত্রিকার প্রচার সংখ্যা আর কখনোই আগের জায়গায় যেতে পারবে বলে মনে হয় না। সকালে গরম চায়ের সঙ্গে টাটকা পত্রিকার ভাঁজ ওল্টানোর অভ্যাসটাই বদলে গেছে আমাদের। আবার সেই অভ্যাসে ফেরা সহজ হবে না হয়তো। টিভি-অনলাইন মিডিয়ার চাহিদা বেড়েছে; কিন্তু আয় বাড়েনি। আয় না বাড়লে বা কমে গেলে তার কোনো না কোনো প্রভাব তো কর্মীদের ওপর পড়বেই। মালিক তো আর পকেটের টাকা দিয়ে দিনের পর দিন বেতন দেবে না। তবে ব্যবসায় লাভ যেমন আছে, লোকসানও আছে। ভালো সময়ের লাভ দিয়ে এখন খারাপ সময়ে ঠেকা দিতে হবে। এটাই নিয়ম। লোকসান হচ্ছে বলে সঙ্গে সঙ্গে আপনি দীর্ঘদিনের পুরনো ও বিশ্বস্ত কর্মী ছাঁটাই করে ফেলবেন, এটা কেমন কথা।
অথচ করোনার সাধারণ ছুটির মধ্যেও অনেক টিভি ও পত্রিকায় ছাঁটাই হয়েছে, প্রতিবাদ হয়েছে। কিন্তু ছাঁটাই বন্ধ হয়নি। অনেক প্রতিষ্ঠানে বেতন অনিয়মিত। অনেক প্রতিষ্ঠান গত ঈদে বোনাস দেয়নি বা আংশিক দিয়েছে। এখনো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নানা অজুহাতে ছাঁটাই চলছে বা ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা চলছে। তবে টুকটাক ছাঁটাই অল্প-স্বল্প ভয় দেখালেও প্রথম আলোতে ছাঁটাইয়ের খবর রীতিমতো ভয়ঙ্কর আতঙ্ক ছড়িয়েছে গণমাধ্যমপাড়ায়। প্রথম আলোর এক সাবেক কর্মী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রথম আলোর এক-তৃতীয়াংশ কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনার কথা লিখেছেন। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো স্ট্যাটাস দেয়া নিষেধ। এমনকি পত্রিকার মিটিংয়ের খবর যাতে বাইরে যেতে না পারে, সেজন্য নাকি সবার মোবাইল রেখে দেয়া হয়। কী ভয়ঙ্কর কথা। ভাবুন একবার, প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিকরা মিটিং রুমে ঢুকছেন, আর বাইরে প্রশাসনের কেউ তাদের ফোন রেখে দিচ্ছে! মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগে যদি কোনো আমলা মন্ত্রীদের ফোন রেখে দিতেন, প্রথম আলো নিশ্চিত সেটা লিড করত। সবসময় সুশাসনের কথা বলবেন, গণতন্ত্রের কথা বলবেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলবেন, সব ভালোর সঙ্গে থাকার কথা বলবেন; আর নিজেরা সেটা পালন করবেন না, এটা তো স্পষ্ট স্ববিরোধিতা। তিন দশক আগে আমরা যখন সাংবাদিকতা শুরু করি, তখন ইত্তেফাক ছিল আমাদের সবার তীর্থ। সবার স্বপ্ন ইত্তেফাকে কাজ করা। ইত্তেফাকে কত সুযোগ-সুবিধা, বছরে ছয়টা বোনাস। তখন ইত্তেফাকের রিপোর্টার না এলে প্রেস কনফারেন্স শুরুই হতো না। সেই ইত্তেফাক ডুবেছে চোখের সামনে। তারপর আজকের কাগজ, ভোরের কাগজ, জনকণ্ঠের উত্থান-পতনও দেখেছি কাছ থেকেই, কখনো ভেতর থেকে। একসময় ইত্তেফাক যা ছিল, এখন প্রথম আলো সেই অবস্থানে। সুযোগ-সুবিধা, প্রভাব- সব মিলিয়ে প্রথম আলো সব গণমাধ্যম কর্মীর স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান। এমনিতে আমরা বলি ভালো সময়, খারাপ সময়। কিন্তু এখন আসলে গোটা বিশ্বের চরম দুঃসময় চলছে। পাটকল শ্রমিক হোক আর সাংবাদিক, সরকারি বা বেসরকারি- বিপদটা সবার। সবাইকে বেঁচে থাকতে হবে। সবাইকে হাতে হাত রেখে এই কঠিন দুঃসময় পাড়ি দিতে হবে। বিচ্ছিন্নভাবে, ব্যক্তিগতভাবে ভালো থাকাটা আসলে ভালো থাকা নয়। সবাইকে নিয়ে, সবাই মিলে ভালো থাকাটাই আসল।

প্রভাষ আমিন : সাংবাদিক ও কলাম লেখক; হেড অব নিউজ, এটিএন নিউজ।

[email protected]

এসআর