হ য ব র ল ভাবে চলছে যশোর শিক্ষাবোর্ড

আগের সংবাদ

ঋণখেলাপির পোয়াবারো

পরের সংবাদ

প্রণোদনার টাকা তোলায় অনিয়ম

নন-এমপিওর টাকা নিচ্ছেন সরকারি শিক্ষকেরাও

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ৪, ২০২০ , ১১:১৩ অপরাহ্ণ

করোনার ছোবলে চরম আর্থিক সঙ্কটে পড়া সব নন-এমপিও শিক্ষক-কমচারীদের এককালীন আর্থিক প্রণোদনা দেয়ার উদ্যোগ নেন সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় কুড়িগ্রামের রৌমারীতে নন-এমপিও শিক্ষক ও কর্মচারীদের প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনার টাকা দেয়া হয়। এতে উপজেলার নন-এমপিও তালিকায় ২০৪ জন শিক্ষক ও ৮৮ জন কর্মচারীদের এ প্রণোদনার আওতায় আনা হয়।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকালে উপজেলা চত্ত্বরে প্রত্যেক শিক্ষককে ৫ হাজার টাকা ও প্রত্যেক কর্মচারীকে ২ হাজার ৫০০ টাকার চেক প্রদান করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. মোক্তার হোসেন। কিন্তু সরকারি শিক্ষকদের নন-এমপিও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে প্রণোদনা নেন অনেক শিক্ষক ও সরকারি বিভিন্ন চাকুরিজীবীরা।

প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনার টাকা অনিয়ম করে উত্তোলন করেছেন মোছা. তাহমিনা আক্তার। তিনি টাপুরচর স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি তিনি কোদালকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকরি করেন।

একে এম মোজাম্মেল হক, কুটিরচর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইতিহাস বিষয়ে প্রভাষক হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। এছাড়াও তিনি সুখেরবাদি সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়েও সহকারী শিক্ষক হিসেবে রয়েছেন।

এদিকে রেজাউল করিম, টাপুরচর স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক। এছাড়াও তিনি সোনাভরি উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি সোনাভরি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহজাহান আলী, সহকারী শিক্ষক জাকির হোসেন, আরজিনা খাতুন, আব্দুল আজিজ নামের শিক্ষকরাও প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা উত্তোলন করেছেন। ইতিমধ্যে ওই প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে।

এছাড়াও আব্দুল হাকিম, দাঁতভাঙ্গা মডেল কলেজের যুক্তিবিদ্যা বিষয়ে প্রভাষক হিসেবে নিযুক্ত। পাশাপাশি তিনি দাঁতভাঙ্গা ফ্যামেলি প্ল্যানিং (ইউনিয়ন পরিদর্শক) হিসেবে কাজ করেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরি করে নন-এমপিও হিসেবে টাকা উত্তোলনের বিষয় জানতে চাইলে কেএম মোজাম্মেল হক স্বীকার করে বলেন, ‘কলেজে নন-এমপিও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে টাকা উত্তোলন করেছি।’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবিএম নকিবুল হাসান বলেন, সরকারি চাকুরিজীবীরা কখনো নন-এমপিও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন না। যদি কোন শিক্ষক টাকা উত্তোলন করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রৌমারী উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল ইমরান মুঠোফোনে জানান, বিষয়টি উপর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পিআর