ঘরে বসেই দিল্লিকে নজরে রেখেছে চীন!

আগের সংবাদ

বর্ণবৈষম্যের প্রবহমান অন্তর্জগৎ

পরের সংবাদ

করোনার মধ্যেও রেমিটেন্সে রেকর্ড

মরিয়ম সেঁজুতি

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ২, ২০২০ , ৭:১৩ অপরাহ্ণ

সদ্য সমাপ্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১ হাজার ৮২০ কোটি বা ১৮.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড। এক অর্থবছরে এত বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স এর আগে কখনই আসেনি।

সর্বশেষ জুন মাসেও রেমিটেন্স আসে ১৮২ কোটি ডলার। একক মাস হিসেবে গত অর্থবছরে এটিও রেকর্ড। এদিকে বিশ্বজুড়ে মহামারী চলার মধ্যেও রেমিটেন্স বাড়ায় বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার।

করোনার ভয়াল থাবায় বিশ্বের শ্রমবাজারে যখন মহাসঙ্কট চলছে ঠিক তখনও রেমিটেন্স পাঠিয়ে যাচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশীরা। সদ্য সমাপ্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১ হাজার ৮২০ কোটি বা ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড। এক অর্থবছরে এত বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স এর আগে কখনই আসেনি। গত ২০১৯-২০ অর্থবছরের পুরো সময়ে (জুলাই-জুন) এক হাজার ৬৪২ কোটি (১৬.৪২ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

জানা গেছে, করোনাভাইরাস মহামারীতে গত মার্চ থেকে বৈশ্বিক পরিস্থিতি ওলটপালট হয়ে যাওয়ায় রেমিটেন্সও কমে গিয়েছিল। গত মার্চে ১২৮ কোটি ৬৮ লাখ ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল, যা গত বছরের মার্চ মাসের চেয়ে ১৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ কম। পরের মাস এপ্রিলে রেমিটেন্স আরও কমে ১০৮ কোটি ১০ লাখ ডলারে আসে, তাও গত বছরের এপ্রিলের চেয়ে ২৪ দশমিক ৬১ শতাংশ কম। কিন্তু মে মাসে চিত্র পাল্টাতে থাকে। মে মাসে রেমিটেন্স আসে ১৫০ কোটি ৪০ লাখ ডলার ।

সর্বশেষ জুন মাসে রেমিটেন্স আসে ১৮২ কোটি ডলার। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবাসীরা প্রায় ১৪৫ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন। গত বছরের জুলাইয়ে ১৫৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পাঠান প্রবাসীরা। গত আগস্টে ১৪৪ কোটি ৪৭ লাখ ডলারের রেমিটেন্স আসে। সেপ্টেম্বরে আসে ১৪৭ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। অক্টোবর মাসে আসে ১৬৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। নবেম্বর মাসে রেমিটেন্স এসেছে ১৫৫ কোটি ৫২ লাখ ডলার।

গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে ১৬৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিটেন্স আসে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ১৬৩ কোটি ৮৫ লাখ ডলারের রেমিটেন্স আসে। এদিকে বিশ্বজুড়ে মহামারী চলার মধ্যেও রেমিটেন্স বাড়ায় বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ আরো বেড়েছে। বৃহস্পতিবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৫ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার।

এমএইচ