৭০০ গোলের মাইলফলকে ৭ম হলেন মেসি

আগের সংবাদ

মনিটরিং সেল গঠন প্রয়োজন

পরের সংবাদ

জঙ্গিদের সক্ষমতা সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে এসেছে

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ১, ২০২০ , ১২:৩৩ অপরাহ্ণ

ছোটখাটো সক্ষমতা থাকতে পারে, কিন্তু বড় ধরণের কোন ঘটনা ঘটানোর সক্ষমতা জংগিদের এখন নেই। বুধবার (১ জুলাই) সকাল ১০ টার দিকে গুলশান-২ এর হলি আর্টিসান বেকারিতে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহতদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় জঙ্গি হামলা ঘটনা ছিল এটি। নৃশংস এ ঘটনারই ৪ বছর পুর্তি হলো আজ। এই জঙ্গি হামলায় আমাদের দুজন সহকর্মীসহ দেশী-বিদেশী নিহত নাগরিকদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি। তিনি আরো বলেন, সরাসরি এই ঘটনায় সংগে যারা জড়িত ছিল সেনাবাহিনীর অভিযানে ঘটনাস্থলে তারা নিহত হন। পরে পুরো হামলা ও এর নেপথ্যে যারা জড়িত ছিল তাদের বিরুদ্ধে সিটিটিসি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে সবারই সাজা হয়েছে। তবে এর মধ্যে সাতজন আদালতে আপিল করেছে। তবে এখন আপিলের শুনানি শুরু হয়নি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, করোনাকালে স্বাভাবিকভাবে মানুষ বাসায় বেশি থাকে। তারা অনেকেই ধর্মীয় সাইটগুলোতে বেশি ভিজিট করছে। এই সুযোগ নিয়ে জঙ্গিরা ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে। এখন পর্যন্ত আমরা তাদের প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছি। কাউকে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ করতে পেরেছে বা জঙ্গিবাদের কার্যক্রমকে পরিচালনার জন্য যে ধরণের সাংগঠনিক ব্যবস্থা প্রয়োজন সেধরণের কোন সংগঠন আবার গড়ে তুলতে পেড়েছে সেরকম কোন তথ্য আমাদের কাছে নাই। তবে গুলশান হামলার পর আমরা একের পর এক জঙ্গি আস্তানা গুড়িয়ে দিয়েছি। জঙ্গিদের সক্ষমতা যে পর্যায়ে ছিল সেটি এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে এসেছে। আইইডি বানানোর মত এক্সপার্ট এখন আর নাই। তারা কেউ জেলে আছে অথবা বিভিন্ন অভিযানে নিহত হয়েছে।

প্রসংগত গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে গত ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে জঙ্গি হামলায় ১৭ জন বিদেশিসহ নিহত হন মোট ২২ জন। তাদের মধ্যে ছিলেন দুজন পুলিশ কর্মকর্তা। জঙ্গিদের গুলি ও বোমায় আহত হন পুলিশের আরো অনেকে। পরদিন অর্থাৎ ২ জুলাই সকালে সেনা কমান্ডোদের উদ্ধার অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হন।

এসএইচ