পাপুলের আরো কেলেঙ্কারির তথ্য পেয়েছে কুয়েত

আগের সংবাদ

ঢাকায় বৃষ্টি হতে পারে আজ

পরের সংবাদ

কুয়াকাটা বিকল্প সড়কের বেহাল দশা

আনোয়ার হোসেন আনু,কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত হয়েছে: জুন ৩০, ২০২০ , ১০:১৬ পূর্বাহ্ণ

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আসা যাওয়ার বিকল্প সড়ক হিসেবে ব্যবহ্নত আলীপুর-চাপলীবাজার সড়ক মানুষ চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কের দানবখ্যাত ছয় চাকার ট্রলি গাড়িতে অসংখ্য খানাখন্দে কর্দমাক্ত হয়ে গেছে। প্রতিনিয়ত ট্রলিগাড়ীতে দিনরাত পুনামাপাড়া গ্রামের তিনটি ইটভাটা থেকে ইট পরিবহন করায় সড়কটিতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ৪৮নং পোল্ডারের বেড়িবাধঁ উন্নয়ন কাজে ৫টি স্নুইজগেটের কাজ চলমান থাকায় সড়ক পথে পরিবহন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরাসহ পাঁচটি ইউনিয়নের মানুষের যোগাযোগে ব্যবস্থা বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে। এসড়কে চলাচলরত মানুষজন বিকল্প যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে নৌ-পথে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে এমনটাই জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রতিদিন ওইসব ট্রলি গাড়ি ইট ও নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে সড়ক পথে যাতায়ত করতে গিয়ে নির্মাণাধীন স্নুইজগেট আটকা পড়ে থাকে। চলতি বর্ষা মৌসুমে খানাখন্দের সাথে মাটি ও কাঁদাযুক্ত হয়ে গোটা সড়ক পিচ্ছিল ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। পায়ে হেটে নিত্য দিনের কাজ করতে হচ্ছে শ্রমজীবি মানুষসহ নানা পোশার মানুষদের। এতে চরম ভোগান্তীতে পড়ছে বয়স্ক ও বৃদ্ধা শ্রেণীর লোকজন। চিকিৎসা নিতে পারছেনা নবজাতকসহ প্রসুতি মায়েরা।

ঐ সড়কে চলাচলকারী ভূক্তভোগী সবজি চাষী হেলাল গাজী জানান, তিন কিলোমিটার সড়কে ৩টি স্নুইজগেট পাড় হয়ে তাদের মৎস্যবন্দর আলীপুর বাজারে আসতে হয়। উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করতে পরিবহনের পরিবর্তে মাথায় বহন করে নিয়ে যেতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ৪৮নং পোল্ডারের স্নুইজগেট নির্মাণে চায়না সিকো কোম্পাণীর কাজ কচ্ছপগতিতে চলছিল। বর্তমানে করোনা ও বর্ষায় পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। কবে নাগাত এ উন্নয়ন কাজ শেষ হবে তা জানা নেই।

এসব বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৪৮নং পোল্ডারের সহকারী প্রকৌশলী তুহিন বলেন, বেড়িবাঁধ উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নের স্নুইজগেট নির্মাণ ও সড়ক উন্নয়নের প্রকল্প চলমান রয়েছে। চীনা “সিকো” নামের একটি প্রতিষ্ঠান এ উন্নয়নের কাজ করছে। করোনা দূর্যোগে কাজে স্তবিরতা দেখা দিয়েছে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসনাত মো. শহিদুল হক বলেন,উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ যেহেতু চলমান রয়েছে , সেক্ষেত্রে নতুন কোন প্রকল্প নেবার সুযোগ নেই।

ডিসি