বয়স্ক পরিচালকের সঙ্গে লিভ-ইনে রহস্যময় পরিণতি

আগের সংবাদ

ওয়েস্টইন্ডিজের জার্সিতে নতুন চমক

পরের সংবাদ

পাপুল পরিবারের কোম্পানির খোঁজে জয়েন্ট স্টকে চিঠি

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জুন ২৯, ২০২০ , ৬:৪৬ অপরাহ্ণ

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস‌্য (এমপি) কাজী সহিদ ইসলাম পাপুল, তার পরিবারের সদস্যদের নামে ব্যবসায়ী কোম্পানির খোঁজে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর নিবন্ধকের কার্যালয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (২৯ জুন) প্রতিষ্ঠানটির নিবন্ধক বরাবর দেয়া চিঠিতে পাপুল ও তার স্ত্রী মহিলা সংরক্ষিত আসনের এমপি সেলিনা ইসলাম, মেয়ে ওয়াফা ইসলাম ও সেলিনার বোন জেসমিনের নামে কোম্পানির নিবন্ধনপত্র, কোম্পানির মেমোরেন্ডাম ও অংশিদারত্বের চুক্তিপত্রসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র জরুরি ভিত্তিতে চাওয়া হয়েছে।

সংসদ সদস্য ও এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের সদ্য সাবেক পরিচালক কাজী সহিদ ইসলাম পাপুলের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে গ্রাহককে লোন বরাদ্দ করাসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ মানিলন্ডারিং করে বিদেশে পাচার এবং শত শত কোটি টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন সংক্রান্ত অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক। এর অংশ হিসাবে সংস্থাটির অনুসন্ধান কর্মকর্তা উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন ওই তলবি চিঠি দিয়েছে বলে দুদক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এ বিষয়ে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পরিচালক) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, সংসদ সদস্য পাপুলের বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। এরইমধ্যে তার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে অনুসন্ধান কর্মকর্তা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চিঠি দিতে পারেন।

আরজেএসসিসহ (যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদফতর) বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডে সহিদ ইসলামের নামে ২ কোটি ২১ লাখ শেয়ার রয়েছে। আর তার স্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি সেলিনা ইসলামের নামে রয়েছে ১ কোটি ৯ লাখ শেয়ার। প্রতিটি শেয়ারের দাম ১০ টাকা হলে ব্যাংকটিতে তাদের বিনিয়োগ প্রায় ৩৩ কোটি টাকা। তবে এর বাইরেও তার বড় অঙ্কের শেয়ার থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আগে গত ২১ জুন তাদের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সব হিসাব স্থগিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নথিপত্র তলব করে চিঠি দেয় দুদক। গত ১৮ জুন পাপুল, তার স্ত্রী, মেয়ে ও শ্যালিকাকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞায় চিঠি দেয় দুদক।  ওইদিনই পাপুল দম্পতি ও পাপুলের শ্যালিকার আয়করের নথিপত্র চেয়ে এনবিআরের কর অঞ্চল-৫ ও কর অঞ্চল-১৩ এর ডেপুটি কমিশনার বরাবর দেয়া চিঠিতে গত তিন অর্থবছরের আয়কর রিটার্নসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র চায় দুদক।

এছাড়া গত ১৬ মার্চ তাদের নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য অর্থ প্রাপ্তির সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী (ফরম-২০), সম্পদ ও দায় এবং বাৎসরিক আয় ও ব্যয়ের বিবরণী (ফরম-২১), দাখিলকৃত শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ প্রার্থীর দাখিল করা অন্যান্য রেকর্ডপত্র চেয়ে চিঠি দিয়েছিল।

এমএইচ