কুড়িগ্রামে ত্রাণের ছিঁটেফোঁটাও পৌঁছেনি

আগের সংবাদ

বানিয়াচংয়ে ইউএনও নাম্বার ক্লোন করে চাঁদা দাবি

পরের সংবাদ

দূর্গাপুরের বাঁধ ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার শঙ্কা

পূর্বধলা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত হয়েছে: জুন ২৯, ২০২০ , ৯:৪৯ অপরাহ্ণ

নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী দূর্গাপুরের সোমেশ্বরী নদীতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের কালিকাবর বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে প্রায় দুই শতাধিক ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার শঙ্কায় ভূগছেন স্থানীয়রা।

গত কয়েকদিনের অব্যাহত বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে নেত্রকোনা জেলার প্রধান প্রধান নদ নদী পানি বৃদ্ধি পেয়ে বির্স্তৃণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জেলার ঠাকুরকোনা কলমাকান্দা সড়কের বাহাদুরকান্দা এলাকায় প্রধান সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। জেলার র্দূগাপুর , কলমাকান্দা, বারহাট্টা উপজেলার প্রধান প্রধান নদ নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যহত রয়েছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে গাঁওকান্দিয়া গ্রামের মকিম আলী সরকারের বাড়ি থেকে দক্ষিণ দিকে ইব্রহীম মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত নদীর বেড়িবাঁধের রাস্তা সংলগ্ন গড়ে উঠা ঘঘেরবাড়ি চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বেড়িবাঁধের মকিম সরকারের বাড়ির পাশে ঢলের স্রোতের নিচ দিয়ে বিশাল আকারে গর্ত তৈরী হচ্ছে। নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে আশে পাশের স্থানীয়রা মধ্যে শঙ্কা ও উৎকন্ঠায় সময় পার করছে বলে জানা গেছে। বেড়িবাঁধটি ভেঙ্গে গেলে এলাকার বেশ কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি হাফিজিয়া মাদ্রাসা, একটি কমিউনিটি ক্লিনিক, গাঁওকান্দিয়া বাজার, ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সহ অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন সাংবাদিকদের জানান সোমেশ্বরী নদীতে বন্যার পানি আসলেই গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের এ বেড়িবাঁধটির ৫/৭ কিলোমিটার রাস্তা নদী ভাংগনের কবলে পড়ে। এ কারণে প্রায় দুই শতাধিক ঘরবাড়ি চরম ঝুকির মধ্যে রয়েছে। যে কোন সময় এ সব বাড়ি ঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড নেত্রকোনা নেত্রকোনা জেলার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রহিদুল হোসেন খান জানান কালিকাবর বেড়িবাঁধটি অত্যান্ত ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। আশা করছি খুব তারাতারি এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয় সম্ভব হবে।

ডিসি