সীমান্তে আরো সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে চীন

আগের সংবাদ

বাজেটের সঠিক প্রয়োগ করতে হবে

পরের সংবাদ

বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে

প্রকাশিত: জুন ২৮, ২০২০ , ১০:২০ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ২৯, ২০২০ , ৫:১৪ অপরাহ্ণ

মাসুদ পারভেজ খান
সভাপতি
কুমিল্লা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ

২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছেন কুমিল্লা চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পারভেজ খান ইমরান। তিনি বলেছেন, অর্থমন্ত্রী অত্যন্ত দূরদর্শিতার সঙ্গে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মাধ্যমে জাতিকে একটি সময় উপযোগী ও বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট উপহার দিয়েছেন। পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে বাজেট বাস্তবায়ন করলেই খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে। গতকাল শুক্রবার ভোরের কাগজকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

গত ১১ জুন ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ‘অর্থনৈতিক উত্তরণ ও ভবিষ্যৎ পথ পরিক্রমা’ শিরোনামে এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা।

মাসুদ পারভেজ খান ইমরান বলেন, কোভিড-১৯ মহামারিতে দীর্ঘ সময়ব্যাপী সামাজিক ও অর্থনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে এবারের বাজেট পেশ করা ছিল খুব চ্যালেঞ্জিং। এই চ্যালেঞ্জের মধ্যে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন প্রশংসার দাবি রাখে। কোভিড-১৯ মহামারির জন্য চলমান অর্থনৈতিক মন্দা বিবেচনায় চলতি বছরের জিডিপি ৫ দশমিক ২ শতাংশে পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে যদিও গত বছরে আমাদের জিডিপি অর্জিত হয়েছে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ। তবে করোনা পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক উত্তরণের হাত ধরে আগামী বছরে ৮ দশমিক ২ শতাংশ জিডিপি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৭ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে এবারের বাজেটে খাতওয়ারি বরাদ্দ প্রস্তাব করেছেন। করোনার প্রভাব মোকাবিলায় ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের পাশাপাশি দরিদ্র, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী, বিধবা ও অন্যান্য অসহায় মানুষের জন্য ভাতার পরিধি বাড়ানোসহ সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ৯৫ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা প্রস্তাব করেছেন। এবারের বাজেট প্রস্তাবে আয়কর ও মূল্য সংযোজন করের ক্ষেত্রে যেসব পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে তা নিঃসন্দেহে ব্যক্তি খাত ও প্রাতিষ্ঠানিক করের চাপ কমাবে এবং একই সঙ্গে কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক হবে।

তিনি আরো বলেন, বাজেটে যেমনভাবে দেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের আশা-ভরসার প্রতিফলন প্রকাশ পেয়েছে তার সত্যিকার সুফল জনগণ তখনই পাবে যখন বাজেট বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।

একটি জনবান্ধব ও কল্যাণকর বাজেট প্রণয়নে মূল্যবান দিকনির্দেশনা দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর ভ‚য়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে প্রতিটি সেক্টর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর নিরলস কাজ এবং দিকনির্দেশনায় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে। এমনকি মহামারি পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দায় ও বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি আশাব্যঞ্জক হবে।

ডিসি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়