বিশ্বে প্রথম হাইটেক স্টেডিয়াম, বৃষ্টিতেও চলবে ম্যাচ

আগের সংবাদ

বসুন্ধরা চেয়ারম্যানের বাসায় কর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পরের সংবাদ

বাজেটে জলবায়ু অর্থায়নে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি

প্রকাশিত: জুন ২৮, ২০২০ , ৬:২৬ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ২৮, ২০২০ , ৬:২৬ অপরাহ্ণ

চলতি অর্থবছরের মোট বরাদ্দের তুলনায় জলবায়ু খাতে প্রস্তাবিত মোট বরাদ্দ কিছুটা বাড়লেও আনুপাতিক হারে এ বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। চলতি অর্থবছরের তুলনায় মোট বরাদ্দ ১ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং জলবায়ু সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ শুণ্য দশমিক ২৯ শতাংশ কমেছে। এ খাতে বরাদ্দ আরো বাড়াতে হবে। পাশাপাশি জলবায়ু অর্থায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কার্যকারিতা বাড়াতে অবিলম্বে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন, ২০১০ পরিবর্তন করে জলবায়ু কমিশন গঠনের উদ্যোগসহ পাঁচ দাবি করে নেটওয়ার্ক অন ক্লাইমেট চেঞ্জ ইন বাংলাদেশ (এনসিসিবি)।

রবিবার (২৮ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে নেটওয়ার্ক অন ক্লাইমেট চেঞ্জ ইন বাংলাদেশ (এনসিসি’বি) এর উদ্যোগে “জলবায়ু বাজেট ২০২০-২১-আকাক্সক্ষা: স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা” শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ সব তথ্য তুলে ধরা হয়। মূলত আগামী অর্থবছরের বাজেটে জলবায়ু অভিঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পরিত্রাণ এবং জলবায়ু অভিঘাত মোকাবিলায় যথাযথ বরাদ্দের দাবিতে নাগরিক সমাজের আকাক্সক্ষা তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন ধারার ট্রাষ্টের সদস্য সচিব আমিনুর রসূল বাবুল। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ডিআরাইউর সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ এবং কালেরকন্ঠের সিনিয়র সাংবাদিক নিখীল চন্দ্র ভদ্র। সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য পাঠ করেন “এনসিসি’বি”র রিসার্চ এন্ড অ্যাডভোকেসি অফিসার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান।

লিখিত বক্তব্যে মাহবুবুর রহমান বলেন, এ বছর ২৫টি মন্ত্রণালয়/বিভাগের মোট বরাদ্দ জাতীয় বাজেটের ৫৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ (৩ লাখ ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা), যার মধ্যে ৭ দশমিক ৫২ শতাংশ (২৪ হাজার ২২৫ কোটি ৭ লাখ টাকা) জলবায়ু অর্থায়ন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। গত অর্থবছরে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ৫৮ দশমিক ১১ শতাংশ (৩ লাখ ৪ হাজার ৩৮ কোটি ২২ লাখ টাকা) এবং জলবায়ু সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ ছিল ৭ দশমিক ৮১ শতাংশ (২৩ হাজার ৭৪৮ কোটি ৫৩ লাখ টাকা)। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর মোট বরাদ্দ ১৭ হাজার ৯৪৬ কোটি ৮ লাখ টাকা এবং জলবায়ু সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ ৪৭৭ কোটি ২ লাখ টাকা। কিছুটা বরাদ্দ বাড়লেও আনুপাতিক হারে এ বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। অর্থাৎ চলতি অর্থবছরের তুলনায় মোট বরাদ্দ ১ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং জলবায়ু সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ শুণ্য দশমিক ২৯ শতাংশ কমেছে।

নেটওয়ার্ক অন ক্লাইমেট চেঞ্জ ইন বাংলাদেশ (এনসিসি’বি) ৫ টি সুপারিশ ও দাবি জানিয়েছে। দাবিগুলো হচ্ছে- প্রতিবছর জিডিপি’র কমপক্ষে এক শতাংশ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বরাদ্দ, জলবায়ু বাজেটের পরিচালনা ব্যয় কমিয়ে উন্নয়ন খাতে প্রতিবছর কমপক্ষে ১০ শতাংশ ব্যয় বাড়ানো, জলবায়ু অর্থায়নকে একটি তহবিল থেকে পরিচালনার লক্ষ্যে এবং জলবায়ু অর্থায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কার্যকারিতা বাড়াতে অবিলম্বে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন, ২০১০ পরিবর্তন করে জলবায়ু কমিশন গঠনের উদ্যোগ, জলবায়ু অর্থায়নে অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহে প্রয়োজনে বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার, দূষণকারী যানবাহন, বিমান ভ্রমন ও বিমানে মালামাল পরিবহণের ওপর ‘গ্রিন ট্যাক্স’ ধার্য্য করা, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি অবিলম্বে চালু করতে হবে।

এমএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়