বিএসটিআইকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার নির্দেশ

আগের সংবাদ

চলে গেলেন ‘মেমসাহেব’র স্রষ্টা

পরের সংবাদ

বালু উত্তোলনে বিপন্ন আশ্রয়কেন্দ্র, দেখার কেউ নেই

প্রকাশিত: জুন ২৫, ২০২০ , ৬:১৮ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ২৫, ২০২০ , ৮:৩৫ অপরাহ্ণ

ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় সরকারী টাকায় নির্মিত একটি আশ্রয়কেন্দ্রসহ ৩টি গ্রামের কয়েকশ বসত-বাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে। জেলার উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের গাবুরজান নামক এলাকায় বালু উত্তোলনের এ মহোৎসব চললেও প্রশাসন নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে।

বালু উত্তোলনে বাধা দিলে উল্টো বালু উত্তোলনকারী স্থানীয়দের হুমকি দিয়ে বলেছে, উপজেলা চেয়ারম্যানের নির্দেশেই বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এ ঘটনায় হুমকির মুখে থাকা মানুষজনের মাঝে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। তবে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তার নির্দেশে বালু উত্তোলনের কথা অস্বীকার করেছেন।

জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদের কোল ঘেষে জেগে উঠা চরে সরকার ৮০টি গৃহহীন পরিবারের জন্য মাত্র ২ বছর আগে কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রহ্মপুত্রের জেগে ওঠা চরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি নির্মাণ করে দেন। কিন্তু গত ৩ সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে আশ্রয় কেন্দ্রের পাশেই বিপজ্জনক স্থানে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে একই এলাকার খয়বার আলীর পুত্র বালু খেকো এন্তাজুল মিয়া নির্বিঘ্নে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে পুকুর ভরাট করছেন। ভূগর্ভস্থ বালু এভাবে উত্তোলনের ফলে আশ্রয়ণ কেন্দ্রসহ গাবুরজন, কালিরপাট, কদমতলা এলাকার কয়েকশ বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলিন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভূগর্ভস্থ বালু উত্তোলনকারী সিন্ডিকেটের বেপরোয়া তৎপরতা চললেও প্রশাসন নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে বলে ভূক্তভোগীরা অভিযোগ করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধিতে প্রবল খরস্রোত সৃষ্টি হয়েছে। বালু উত্তোলনের ফলে যেকোন মুহুর্তে সরকারের কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আশ্রয় প্রকল্পের ঘরবাড়ি দেবে যেতে পারে।

অবৈধপন্থায় বালু উত্তোলনকারী এন্তাজুল মিয়ার সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় জানতে পেরে প্রথমেই তেড়ে ওঠেন। এরপর বলেন, বালু তুললে আপনাদের সমস্যা কোথায়? আমি বালু তুলছি উপজেলা চেয়ারম্যানের নির্দেশে। যা বলার উনাকে বলেন।

এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন মন্টুর সাথে এ প্রতিবেদকের কথা হলে তিনি বালু উত্তোলনের বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান তিনি।

হাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, আপনার কাছেই শুনলাম।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পিআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়