একদিনে করোনা মুক্ত মোহাম্মদ হাফিজ

আগের সংবাদ

মুখোমুখি দুই গ্রুপ, একাংশের সংবাদ সম্মেলন

পরের সংবাদ

ডিজিটাল আদালতের বিলের আগে বিশেষজ্ঞ মতামত

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২০ , ৬:০০ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ২৪, ২০২০ , ৮:০৪ অপরাহ্ণ

ভিডিও কনফারেন্সসহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে আদালতের কার্যক্রম চালানোর সুযোগ রেখে ‘আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার বিল, ২০২০’ নামে সংসদে উত্থাপিত বিল চূড়ান্ত করার আগে দেশের বিশিষ্ট আইন বিশেষজ্ঞদের মতামত নিতে চায় আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।

বুধবার (২৪ জুন) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটির ১০ম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যে ভিডিও কনফারেন্সসহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে আদালতের কার্যক্রম চালানোর সুযোগ রেখে গত ৭ মে মন্ত্রিপরিষদ সভা এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশের খসড়ায় অনুমোদন দেয়ার পর তার ভিত্তিতে ভার্চুয়াল আদালতের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। নিয়মানুযায়ী জরুরী ভিত্তিতে চলতি (বাজেট) অধিবেশনে আগামী ২৯ জুন এ বিলটি পাশ করতে হবে, সে কারণে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে আজ দুপুর ২টায় স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডাকতে বাধ্য হয় কমিটি।

বৈঠকে স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুল মতিন খসরুর সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য মো. আব্দুল মজিদ খান, মো. শহীদুজ্জামান সরকার, শামীম হায়দার পাটোয়ারী ও গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া বৈঠকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব নরেন দাস, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশিøষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি আবদুল মতিন খসরু বলেন, আজকের বৈঠকে বিলটি নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বিলটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, অধিকতর বিচার বিশেøষণ ও মতামত গ্রহণের জন্য দেশের প্রখ্যাত আইন বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানানোর সুপারিশ করা হয়। কমিটির পরবর্তী বৈঠক ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকে বিশেষজ্ঞ মতামত নিয়ে চূড়ান্ত করা হবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ‘আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার বিল- ২০২০’ সংসদে তোলা হয়। সংসদে উত্থাপিত বিলে ভার্চুয়াল উপস্থিতির সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, অডিও-ভিডিও বা অনুরূপ অন্য কোনো ইলেকট্রনিক পদ্ধতির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির আদালতে বিচার বিভাগীয় কার্যধারায় উপস্থিত থাকা ও অংশগ্রহণ। করোনাভাইরাসের কারণে এখন এটি অধ্যাদেশ হিসেবে আছে। পরে বিলটি ৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেয়ার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

নিয়ম অনুযায়ী অধ্যাদেশ জারির পর তা সংসদে তোলা হয় গত ১০ জুন। অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করতে হলে চলমান অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়কে জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করে অনুমোদন করাতে হবে। তা না হলে ৩০ দিন অতিবাহিত হলে অধ্যাদেশটি কার্যকারিতা লোপ পাবে। এজন্য করোনার মধ্যেই গতকাল বৈঠক করে কমিটি। এটি আগামী ২৯ জুন পাস হবে বলে সংসদীয় কমিটি সূত্রে জানা গেছে।

এমএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়