বাংলাদেশ ব্যাংক চত্বরে আগুন

আগের সংবাদ

২৪ ঘণ্টায় নতুন মৃত্যু ৩৭, শনাক্ত ৩,৪৬২

পরের সংবাদ

এই বছর দশ হাজারের বেশি লোক হজ করতে পারবে না

মোহাম্মদ ফিরোজ, সৌদি আরব প্রতিনিধি

প্রকাশিত হয়েছে: জুন ২৪, ২০২০ , ২:৩৬ অপরাহ্ণ

এই বছর দশ হাজারের বেশি লোক হজ করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন সৌদির ওমরাহ ও হজ বিষয়ক মন্ত্রী ডঃ মুহাম্মদ সালেহ বেন্তেন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রী আল-রাবিয়াহ। গত সোমবার সীমিত পরিসরে হজ আয়োজনের ঘোষণা আসার পর মঙ্গলবার যৌথ ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সে এমনটিই জানিয়েছেন তাঁরা।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডঃ তৌফিক আল-রাবিয়া বলেছেন, সৌদি আরব মারাত্মক করোনভাইরাসকে ছড়িয়ে পড়ার কারণে আসন্ন হজযাত্রার জন্য বেশ কয়েকটি কঠোর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং প্রোটোকল প্রয়োগ করা হবে।

ডাঃ আল-রাবিয়াহ বাহিরে কোন দেশের হজযাত্রীদের এই বছর হজ করতে দেওয়া হবে না বলে নিশ্চিত করে বলেন, এই বছর হজযাত্রীদের বয়স ৬৫ বছরের নিচে হতে হবে এবং দীর্ঘ কোন রোগে ভোগছেন এমন ব্যাক্তিকে অনুমতি দেওয়া হবে না।

হজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভগুলির মধ্যে একটি এবং প্রত্যেক সামর্থ্যবান ও সক্ষম দেহযুক্ত মুসলমানদের জীবনে একবার আবশ্যক, তাই এই বছর দেশের অভ্যন্তরে “সীমিত সংখ্যক” লোককে স্বাগত জানাবে, এমন ঘোষণা আসে গত সোমবার সৌদি কর্তৃপক্ষের।

প্রতি বছর প্রায় বিশ থেকে পঁচিশ লক্ষ হাজী মক্কা ও মদীনায় ইসলামের পবিত্রতম স্থানগুলি পরিদর্শন করতে সৌদি আরব অবস্থান করেন যা মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কারণে এই বছর সম্ভব হচ্ছে না।

এইবারের হজে যারা অংশগ্রহণ করবে তাদের স্বাস্থ্য ও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে হাজী দের সকল ধরনের নিরাপত্তা দিতে হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়কে সহযোগিতা করতে পরিকল্পনা তৈরি করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ডাঃ আল-রাবিয়াহ আরও বলেন “আমরা নিরাপদ হজ মৌসুম নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক এবং সতর্কতামূলক সব ধরনের ব্যবস্থা এবং প্রোটোকল বিকাশের জন্য ওওমরাহ ও হজ মন্ত্রণালয়ের সাথে যৌথভাবে কাজ করছি।

প্রোটোকলে রয়েছে:

দশ হাজারের বেশি লোককে হজযাত্রা করতে দেওয়া হবে না।

কল তীর্থযাত্রীদের পবিত্র স্থানে পৌঁছানোর আগেই তাদের পরীক্ষা করা হবে।

শুধুমাত্র ৬৫ বছরের কম বয়সীদের এই বছর হজ পালনের অনুমতি দেওয়া হবে।

সকল হজযাত্রীকে হজ্জের অনুষ্ঠান শেষ করার পরে স্ব-বিচ্ছিন্নতার জন্য বলা হবে।

হজযাত্রা শুরুর আগে সকল কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীদের পরীক্ষা করা হবে।

সমস্ত তীর্থযাত্রীর স্বাস্থ্যের অবস্থা প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করা হবে।

হজযাত্রা চলাকালীন যে কোনও জরুরি অবস্থার জন্য একটি হাসপাতাল প্রস্তুত করা হয়েছে।

সামাজিক দূরত্বের ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।

ডিসি