করোনাকালে রাজনীতিকদের জনসম্পৃক্ততা প্রশ্নবিদ্ধ

আগের সংবাদ

বুকের মধ্যে হাহাকার নিয়ে আছি

পরের সংবাদ

কেমন বাজেট চাই

সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বরাদ্দ চাই

প্রকাশিত: জুন ৯, ২০২০ , ১০:১২ পূর্বাহ্ণ আপডেট: জুন ৯, ২০২০ , ১:২৯ অপরাহ্ণ

করোনার এই পরিস্থিতিতে অংকের বা শতাংশের হিসেবে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ কত হওয়া উচিত তা নির্ধারণ করতে রাজি নন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম এ ফয়েজ। তার মতে, করোনা ভাইরাস পুরো বিশ^ স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় সংকট তৈরি করেছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কেমন হওয়া উচিত তা করোনা পরিস্থিতি আমাদের সামনে তুলে ধরেছে। এই পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে তা আমরা এখনই বলতে পারছি না। তবে ভবিষ্যতে যে এমন দুর্যোগ আর হবে না তাও বলা যাচ্ছে না। সংক্রামক ব্যাধি চিকিৎসা ব্যবস্থায় আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতিতে দুর্বলতা রয়ে গেছে। তাই সে বিষয়ে আমাদের এখন থেকেই প্রস্তুতি নেয়া দরকার। আর সে অনুযায়ী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে যে বরাদ্দ প্রয়োজন তা নিশ্চিত করা দরকার। গতকাল সোমবার ভোরের কাগজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।

অধ্যাপক ডা. এম এ ফয়েজ বলেন, মোট বাজেটের বা জিডিপির কত শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ দিলে স্বাস্থ্য খাতের উন্নতি হবে বিষয়টিকে আমি সেভাবে দেখি না। দেশের অধিকাংশ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা পেতে নিজের পকেটের টাকা খরচ করতে হয়। চিকিৎসাসেবা পেতে অনেককে দরিদ্র হতে হয়। এই চিত্র যতক্ষণ না পাল্টাবে ততক্ষণ পর্যন্ত দেশের স্বাস্থ্য খাতের প্রকৃত অগ্রগতি হবে না। আমি মনে করি, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নকে সুষম বা সামঞ্জস্যপূর্ণ করা প্রয়োজন। যেখানে এতদিন কম মনোযোগ দেয়া হয়েছে, সেখানে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। দেশের মানুষ স্বাস্থ্যসেবা পেতে গিয়ে দরিদ্র হবে না, মানসম্মত সেবা পাবে। এসব বিষয় নিশ্চিত করতে যা বরাদ্দ প্রয়োজন স্বাস্থ্য খাতে সেই বরাদ্দই দেয়া উচিত। আমরা সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বলছি। কিন্তু এই কাজটি আমরা এখনো শুরুই করতে পারিনি।
করোনার এই ধাক্কা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে কোনো প্রভাব ফেলবে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে আমাদের এসডিজি অর্জনের টার্গেট রয়েছে। কিন্তু করোনার ধাক্কা আমরা কবে এবং কীভাবে সামলে উঠব এটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা এখনো জানি না, করোনা কবে এবং কোথায় গিয়ে শেষ হবে। আমরা এখন কেবল করোনা সমস্যার মধ্যে প্রবেশ করছি। উত্তরণ পরের বিষয়। বিশাল এই ধাক্কা সামলে উঠতে অনেক বেগ পেতে হবে। তবে এই পরিস্থিতির পর জাতিসংঘ নিশ্চয়ই এসডিজি অর্জনে বেঁধে দেয়া সময়সীমা গভীর পুনঃপর্যালোচনা করবেন।

এসআর

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়