এই সময়টা একটা বিরাট বিচ্ছেদ

আগের সংবাদ

করোনাকালেও মাদকের বিস্তার!

পরের সংবাদ

৬ দফা নিয়ে বিদেশিদের ভাবনা

ড. মুনতাসীর মামুন

ইতিহাসবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক

প্রকাশিত: জুন ৭, ২০২০ , ৯:০০ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ৭, ২০২০ , ৯:০০ অপরাহ্ণ

শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থাই নেয়া হোক না কেন, স্বায়ত্তশাসন বিষয়টি মানুষকে এমনভাবে নাড়া দিয়েছে যে তা আর দমন করারথ নেই। মোয়াজ্জেম মনে করেন, খুব বেশি দেরি নয় যখন ভায়োলেন্স শুরু হবে এবং তা বাড়তে থাকবে। এই ভায়োলেন্সের সূত্রপাত হবে সংকীর্ণমনা বিহারি ও পশ্চিম পাকিস্তানিদের কারণে।

(গতকালের পর)

এই লে. হোসেন ধরে নিতে পারি লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন যিনি আগরতলা মামলায় অভিযুক্ত হয়েছিলেন এবং যাকে পরে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী হত্যা করে।
আগরতলা মামলা সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু জীবদ্দশায় কখনই কোনো মন্তব্য করেননি। সুতরাং মূল বিষয় সম্পর্কে কখনই আর জানা যাবে না। তবে, এ সম্পর্কে অনেকের ভাষ্যই আছে। আমি দুটি ভাষ্য তুলে ধরছি।
১৯৭২ সালে অন্নদাশঙ্কর রায় দেখা করেছিলেন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে। তিনি লিখেছেন, ‘সেদিন আমাদের বিশ^াস করে আরো একটি কথা বললেন শেখ সাহেব। সঙ্গে সঙ্গে বলিয়ে নেন যে আমরা প্রকাশ করব না। আমি এমন কথার খেলাপ করছি ইতিহাসের অনুরোধে। আমি প্রকাশ না করলে কেউ কোনো দিন করবে না।

আমার কী প্ল্যান ছিল, জানেন? অকস্মাৎ আমরা একদিন পাওয়ার সিজ করব। ঢাকা শহরের সব ক’টা ঘাঁটি দখল করে নেব। আর্মিতে, নেভিতে, এয়ারফোর্সে, পুলিশে, সিভিল সার্ভিসে আমাদের লোক ছিল। কিন্তু একটা লোকের বিশ^াসঘাতকতার জন্য সব পণ্ড হয়। নেভির একজন অফিসার বিশ^াস করে তার অধীনস্থ একজনকে জানিয়েছিলেন। সে ফাঁস করে দেয়। তখন আমরা সবাই ধরা পড়ে যাই।’
তিনি আক্ষেপ করেন।
আমি প্রশ্ন করি, ‘ঘটনাটা ঘটত কোন তারিখে?’
তিনি মৃদু হেসে উত্তর দেন, ‘বলব না।’
এ বিষয়ে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীরও একটি ভাষ্য আছে। লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেনের সঙ্গেও তাঁর পরিচয় ছিল। ৬ দফা ঘোষণার আগে মোয়াজ্জেমের সঙ্গে গাফ্ফার চৌধুরীর আলাপ হয়। তিনি তাঁকে অনুরোধ করেন, ‘আপনাকে আজ রাত্রেই শেখ সাহেবের ধানমন্ডির বাসায় যেতে হবে। তাঁকে আমাদের হয়ে বলতে হবে, তিনি যেন লাহোর বৈঠকে তাঁর প্রস্তাব ও দাবি না জানান। তাতে আইয়ুব সরকার সতর্ক ও সাবধান হয়ে যাবে। শেখ সাহেব দয়া করে কিছুদিন চুপ থাকুন। আমাদের এদিকের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। আর্মস-এর চালান হাতে এসে পৌঁছলেই আমরা বিদ্রোহ করব এবং ক্যান্টনমেন্ট, আর্মস ডিপো, বেতার, টিভি ও এয়ারপোর্ট দখল করে নেব। এর আগে শেখ মুজিব কোনো আন্দোলন শুরু করলে আইয়ুব সতর্ক হয়ে যাবেন এবং আমাদের সব পরিকল্পনা ভণ্ডুল হয়ে যাবে। আমি হঠাৎ জিজ্ঞাসা করলাম, ‘যদি অস্ত্রবলে সারা পূর্ব পাকিস্তান মুক্ত করতে পারেন, তাহলে শেখ মুজিব বা তাঁর মতো রাজনীতিকদের হাতে দেশ শাসন করার ভার আপনারা ছেড়ে দেবেন কি?’
মোয়াজ্জেম একটু চুপ করে থেকে বললেন, ‘একটা সরকার চালাতে রাজনীতিকদের সাহায্য অপরিহার্য। আমরা অবশ্যই শেখ সাহেবদের সাহায্য ও সহযোগিতা নেব।’
আমার বুঝতে বাকি রইল না, কমান্ডার মোয়াজ্জেম কী বলতে চাইছেন।
যা হোক, গাফ্ফার চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ করলেন। দুপুরের খাবার খেতে খেতে তারা আলাপ করছেন। লিখেছেন তিনি, ‘আমি লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোয়াজ্জেমের নামটা উচ্চারণ করতেই শেখ সাহেব বললেন, আমি তাঁকে জানি। তাঁর প্রস্তাব কী তাও আমি জানি। মানিক চৌধুরীর সঙ্গেও মোয়াজ্জেম আজকাল মেলামেশা শুরু করছে।’
মানিক চৌধুরী ছিলেন চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের একজন নেতা। পরবর্তীকালে আগরতলা মামলার আসামি। বঙ্গবন্ধু গাফ্ফার চৌধুরীকে আরো বললেন, ‘আমি মানিককেও বলে দিয়েছি, এসব পাগলামিতে না জড়াতে। তোমাকেও বলছি, এসব কাজে জড়িও না। আমাদের সংগ্রাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম, বাংলাদেশের জনগণের স্বাধিকার আদায়ের সংগ্রাম। সামরিক অভ্যুত্থান বা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে আমি জড়াতে চাই না। পাকিস্তান সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে আমি লড়াই করছি। পাকিস্তান সামরিক জান্তার বদলে বাঙালি সামরিক জান্তাকে ক্ষমতায় বসাতে আমি আন্দোলন করছি না।’
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর বিবরণ বিভ্রান্তিকর। ৬ দফা কবে কোথায় ঘোষণা করবেন বঙ্গবন্ধু ছাড়া আর কেউ তা জানতেন না। লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেনের তো তা জানার প্রশ্নই আসে না। হতে পারে ৬ দফা ঘোষণার পর গাফ্ফার চৌধুরীর সঙ্গে দেখা হতে পারে। কূটনৈতিক প্রতিবেদনের কথা আগে উল্লেখ করেছি, তা অনুসারে সেটিই স্বাভাবিক। তবে, রায় ও চৌধুরীর বিবরণে খানিকটা পার্থক্য আছে। দুজনই বঙ্গবন্ধুর মন্তব্য তুলে ধরেছেন। এই দুজনের লেখা পড়ে আমার মনে হয়েছে, বঙ্গবন্ধু মোয়াজ্জেম হোসেনদের বিরত রাখেননি। মুজিব একটি বিকল্প পথ হিসেবে সশস্ত্র অভ্যুত্থানকে ভেবে রেখেছিলেন। মোয়াজ্জেমের তাড়াহুড়ো তাঁর পছন্দ হয়নি। পূর্ব পাকিস্তানে সশস্ত্র ঘাঁটি দখল করার মতো অবস্থাও তাদের ছিল না। তাছাড়া লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম ও তাঁর অনুসারীরা সেনা কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন যা বঙ্গবন্ধুর ছিল অপছন্দ। সেজন্য তিনি তাদের থেকে সরে এসেছিলেন।
জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন মোয়াজ্জেম চৌধুরী। সিলেট থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। ২৯ এপ্রিল তিনি কনসাল ইনচার্জ ফ্রানসিস সি. প্রেসকটের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। কথা প্রসঙ্গে ৬ দফা ও শেখ মুজিব নিয়ে তাঁর পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।
তাঁর মতে, শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থাই নেয়া হোক না কেন, স্বায়ত্তশাসন বিষয়টি মানুষকে এমনভাবে নাড়া দিয়েছে যে তা আর দমন করারথ নেই। মোয়াজ্জেম মনে করেন, খুব বেশি দেরি নয় যখন ভায়োলেন্স শুরু হবে এবং তা বাড়তে থাকবে। এই ভায়োলেন্সের সূত্রপাত হবে সংকীর্ণমনা বিহারি ও পশ্চিম পাকিস্তানিদের কারণে। পশ্চিমা শিল্পপতিরাও বিহারিদের ব্যবহার করতে পারে। পকারণ, তারা পূর্ব পাকিস্তানে নিজেদের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখতে চায়। প্রাথমিকভাবে তারা ভায়োলেন্সের শুরু করবে হিন্দুদের বিরুদ্ধে। বাঙালিদের [মুসলমানদের] কোনো বিদ্বেষ নেই হিন্দুদের প্রতি কারণ তারা বহুদিন একত্রে বসবাস করছে। এবং এ পর্যায়ে যদি সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করে তাহলে বাঙালি পুলিশরা ব্যাপকভাবে ৬ দফা আন্দোলনে যোগ দেবে।
জনাব চৌধুরীর মতে, খান এ সবুর, মোনায়েম খান ও প্রাদেশিক কিছু মন্ত্রী ছাড়া সংসদে মুসলিম লীগের কোনো সদস্য ৬ দফার বিরুদ্ধাচরণ করছে না। সবুর খান এ কারণে খুব ক্রুদ্ধ কিন্তু তার কী করার আছে। অনেকে প্রতিপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে যাতে সময়ে তারা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
মোয়াজ্জেমের মতে, বর্তমান পরিস্থিতির উদ্ভব প্রেসিডেন্ট আইয়ুবের কারণে। তিনি পশ্চিম পাকিস্তানি এবং সে দৃষ্টিকোণ থেকেই সব বিচার করেন। পশ্চিম পাকিস্তানে তিনি নির্ভর করেন পশ্চিম পাকিস্তানের গভর্নরের ওপর যিনি কিছু ‘সামন্ত প্রভু’র সাহায্যে পুরো প্রদেশের দেখভাল করেন। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট পূর্ব পাকিস্তানে ক্ষমতাহীন ও দুর্বল একজন গভর্নর নিয়োগ করেছেন। কারণ, গুরুত্বপূর্ণ পদে তিনি দৃঢ়চেতা কোনো বাঙালিকে রাখতে চান না। পূর্ব পাকিস্তান থেকে কেন্দ্র যেসব মন্ত্রী নিয়োগ করা হয় তারাও দুর্বল এবং জনসমর্থনহীন অথবা নানা স্ক্যান্ডালে জড়িত। ফলে তারা প্রেসিডেন্টের দয়ার ওপর নির্ভরশীল। কোনো মন্ত্রী পূর্ব পাকিস্তানে কী ঘটছে তা বলার সাহস রাখেন না প্রেসিডেন্টকে।
স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন এখন কেমন শক্তিশালী তা বোঝাতে একটি উদাহরণ দিলেন মোয়াজ্জেম। বিরোধী সব নেতা গিয়েছিলেন গভর্নর মোনায়েম খানের কাছে কয়েক সপ্তাহ আগে। তাদের বক্তব্য ছিল, তিনি যদি শেখ মুজিব বা অন্য আওয়ামী লীগ নেতাদের জেলে পোরেন বা অন্য কোনো বিরোধী নেতা বা সংবাদপত্রের প্রতি এই আচরণ করেন তাহলে বিরোধী পক্ষের সবাই শেখ মুজিবকে সমর্থন করবেন। গভর্নর বলেছিলেন, শেখ মুজিবকে গ্রেপ্তার করা হবে না এবং বিরোধী দল ও সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে নির্যাতনমূলক কোনো ব্যবস্থা নেয়া হবে না। সে কারণে মুজিবকে কয়েক জায়গায় গ্রেপ্তার করায় বিরোধী নেতারা অবাক হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ বাদে অন্য বিরোধীদলীয় নেতারা ফের দেখা করতে গিয়েছিলেন মোনায়েম খানের সঙ্গে। মোনায়েম খান বিব্রত হয়ে জানালেন, মুজিব কিছু রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন তবে তাঁর ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়ার অনুসরণ করা হবে। মনে হয়, ময়মনসিংহ থেকে মুজিব যে দ্রুত ছাড়া পেলেন তার কারণ হয়তো গভর্নরের হস্তক্ষেপ।
মোয়াজ্জেম আরো জানালেন, এটি খুব দুঃখজনক যে যুক্তরাষ্ট্র সরকার লাখ লাখ ডলার সাহায্য দিচ্ছে আইয়ুবকে। যুক্তরাষ্ট্র কি বোঝে না যে আইয়ুব কমিউনিস্ট চীনকেই মিত্র করতে চান। ভুট্টো বলেছে, ‘চীন ছিল বন্ধু, আমেরিকা ছিল মিত্র’। “In effect Bhutto was making fun of the United States by pretending to be a friend.” চৌধুরী বলেন, সরাসরি শেখ মুজিবকে ১ কোটি ডলার দিলে বোধহয় ভালো হতো। তাহলে রাতারাতি যুক্তরাষ্ট্র পেত কমিউনিস্ট বিরোধী, পশ্চিমাভিমুখী বন্ধুত্বপূর্ণ একটি দেশ। কিন্তু আমেরিকা লাখ লাখ ডলার ঢালছে পশ্চিম পাকিস্তানে যারা ক্রমেই চীনের ঘনিষ্ঠ থেকে ঘনিষ্ঠতর হচ্ছে। আর ১ কোটি ডলার মোনায়েম খানকে দিলে তিনি “Would line him up with other autonimist” যদিও গভর্নর নীতিহীন ও ভ্রষ্ট, তিনিও জানেন স্রোত বইছে কোনদিকে।
মুজিব ও অন্য নেতাদের গ্রেপ্তারের পর পিন্ডি থেকে যে টেলিগ্রাম পাঠানো হয় ১২ মে, তাতে বলা হয়, এখন পরিষ্কার যে সরকার দমনের পথ বেছে নিয়েছে।
একই সময় ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন [১৮.০৫.১৯৬৬] থেকে যে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে তাতে প্রশ্ন হয়েছে মূল প্রশ্ন পূর্ব পাকিস্তান কি এখন শান্ত না অশান্ত? তারা জানাচ্ছেন তারা এখন রংপুর দিনাজপুরের শান্ত বুনো জায়গায় ঘুরেছেন, তখন উন্নত জায়গাগুলোতে অনেক ঘটনা ঘটেছে। শেখ মুজিবসহ অন্য রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তিনি সঙ্গে সঙ্গে বলেছেন, তিনি অসুস্থ। অধ্যাপক মাহমুদের ঘটনায় কেন পাঁচজন সিনিয়র শিক্ষক বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়েছেন এ কারণে বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেই পাঁচজন শিক্ষকের কাছে কৈফিয়ত দাবি করেছে। একটি বাঙালি ছেলেকে একটি মেমন মেয়ে বিয়ে করতে চাওয়ায় তার পরিবার বাধা দেয়। ফলে বাঙালি মেমন দাঙ্গা বেঁধে যায়। এরপর ইসমাইলিয়াদের পূর্ব পাকিস্তানে বিনিয়োগে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে যার ফলাফল শুভ হবে না। তবে মুজিবের জন্য জেলে ভিড় হয়নি। প্রতিবাদ সভাগুলোও ম্লান; পত্রিকাগুলো সরকারের কঠোর ব্যবস্থার সমালোচনা না করে আওয়ামী লীগের নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করছে। এক কথায়, পরিস্থিতি এখন শান্ত। তবে, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন রকম। শহর ও গ্রামে প্রতিক্রিয়া ভিন্ন।“Developing urban and industrial areas in a lrgely rural economy do frequently produce political movements.” সে কারণে, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায় অসন্তোষ থাকতে পারে। উত্তর ও উত্তর পশ্চিমাঞ্চল শান্ত। তবে সিলেট ও নোয়াখালীর কথা বলা যায় না।

ড. মুনতাসীর মামুন : ইতিহাসবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক।

নকি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়