এটিএম বুথ এখন গ্রামেও

আগের সংবাদ

সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিস খোলা থাকবে

পরের সংবাদ

নিজেকে শুধরে নিয়েছি, কারো গায়ে হাত তুলিনি

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জুন ১, ২০২০ , ৭:৪৫ অপরাহ্ণ

টাইগার হার্ড হিটার সাব্বির রহমান রোমানের বিরুদ্ধে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীর গায়ে হাত তোলার অভিযোগ এসেছে। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। তবে সাব্বির নিজে জানান, ওই পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সঙ্গে ‘বাগবিতণ্ডা’য় জড়ালেও গায়ে হাত তোলার কোনো ঘটনা ঘটেনি। উল্টো ওই পরিচ্ছন্নতাকর্মীই তাকে ‘চোখ রাঙিয়েছেন’।

আর বোয়ালিয়া থানার যে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ পেয়েছে, সেই নিবারণ চন্দ্র বর্মন বলছেন, এমন কোনো অভিযোগই পাননি তিনি।

সাব্বিরের বলেন, ‘ওর নাম হচ্ছে বাদশা। ওকে আমি প্রতিবারই ডেকে ডেকে ত্রাণ দেই। এবারও করোনার মধ্যে ১০-১৫ হাজার টাকা দিয়েছি। মূল ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে সাব্বির জানান, রবিবার (৩১ মে) বিকালে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে পারিবারিক কাজে বাইরে গিয়েছিলাম। বাইরে থেকে গাড়িতে করে বাসায় ঢুকছিলাম। তখন দেখি আমার বাসার সামনের বড় গেটে ঠিক রাস্তার মাঝখানে, সেখানে একটি ময়লার ভ্যান গাড়ি দাঁড় করানো। আর এর ড্রাইভার পাশেই গল্প করছেন। আমি হর্ন বাজিয়ে তাকে ডাকার চেষ্টা করি। তাকে আমি বলি– দেখেন ভাই, এই যে গাড়িটা এভাবে রেখেছেন, কেউ তো বের হতে পারছে না, আসতেও পারছে না। এর মধ্যে যদি কোনো প্রেগন্যান্ট নারীকে বা কোনো হার্টের রোগীকে জরুরিভিত্তিতে হাসপাতাল যেতে হয়, তখন কি হবে? মানুষ ২ মিনিট দেরিতেই মারা যেতে পারে। গাড়িটা সাইডে রেখে রাস্তাটা ক্লিয়ার করুন। কিন্তু তিনি আমার কথায় উল্টো প্রতিক্রিয়া দেখালেন। আমাকে বিড়বিড় করে কি যেন বলছিলেন এবং চোখ রাঙ্গাচ্ছিলেন। তিনি উল্টো প্রশ্ন করেন– এত হর্ন বাজান কেন? আমার কাজ আমি করছি। আপনি বলার কে?

সাব্বিরের সাফ কথা, ‘ওর গায়ে হাত তোলার কোনো প্রয়োজনই আমার নেই। আমি কেন ওকে মারতে যাব? এর আগে যেসব অন্যায় করেছি, সেখান থেকে নিজেকে শুধরে নিয়েছি। আমার ক্যারিয়ার আছে। অতএব ওর গায়ে হাত তোলার প্রশ্নই উঠে না।’

উল্লেখ্য, এর আগে রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে ২০১৭ সালের ২১ ডিসেম্বর ‘ম্যাও’ বলে ডাকার কারণে এক কিশোরকে মারধর করেছিলেন সাব্বির রহমান। এ জন্য ছয় মাসের জন্য জাতীয় দল থেকে বহিষ্কার হয়েছিলেন তিনি।

পিআর