‘বাংকারে লুকিয়ে পড়বেন না মি. প্রেসিডেন্ট’

আগের সংবাদ
বাংলাদেশ ব্যাংক

দু মাসের সঞ্চয়ী আমানতের বিলম্ব ফি ছাড়

পরের সংবাদ

চসিকসহ সংসদীয় উপনির্বাচন নিয়ে সিইসির ভাবনা

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: জুন ১, ২০২০ , ১১:৫৭ অপরাহ্ণ

করোনার কারণে স্থগিত থাকা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচন, ৪ সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচনসহ অন্যান্য নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিতে আগামী বৈঠকে প্রস্তাবণা চেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসব নির্বাচনের সময়সীমা শেষ হলে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার বিষয়ে প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের ব্যাখা নেবেন কমিশন।

সোমবার (১ জুন) এক বৈঠকে ইসি সচিবালয়ের কাছে এ প্রস্তাবণা চেয়েছে কমিশন। ৬৩তম কমিশন বৈঠকটি ইসি সচিবালয়ের সভাকক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে বিকেলে ৩টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠক শেষে ইসির যুগ্ম সচিব এসএম আসাদুজ্জামান বলেন, নির্বাচন নিয়ে বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এমনকি পরবর্তী বৈঠকের কোনো তারিখ দেননি কমিশন। নথিতে প্রস্তাবণা দিলে, সে অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন কমিশন। নথিতে পরবর্তি বৈঠকে প্রস্তাবণা দিতে বলেছে কমিশন।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, করোনার কারণে নির্বাচন করার সমস্যা হচ্ছে। কবে এ পরিস্থিতি সুষ্ঠ হবে তা বলা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় আইন অনুযায়ী নির্বাচনের সব সময়সীমা পার হয়ে গেলে সুপ্রিম কোর্ট থেকে ব্যাখ্যা নিয়ে করণীয় নির্ধারণ করতে হবে। যদিও সিইসি ইতোমধ্যে বলেছেন, তারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সুপ্রিম কোর্টের কাছ থেকে প্রয়োজনে ব্যাখ্যা নেবেন।

বৈঠক সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো সরকারের। তাই চসিকসহ অন্যান্য নির্বাচন সরকার যখন চাইবে, তখন করবে ইসি। তারপরও সব নির্বাচনের পর্যালোচনামূলক প্রস্তাবনা নথিতে দিতে বলেছে ইসি। সে অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৯ মার্চ চসিকের সাধারণ নির্বাচন, যশোর-৬ এবং বগুড়া-১ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা ছিল। কিন্তু করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে ভোটগ্রহণের সপ্তাহখানেক আগে তা স্থগিত করা হয়। সংবিধান অনুযায়ী আসন শুন্য হবার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান থাকলেও প্রদত্ত নব্বই দিন সময় পার হয়ে গেছে। পরবর্তিতে ‘দ্বৈব দুর্বিপাকজনিত’ কারণে আরো ৯০ দিন সময় বর্তমানে সিইসির হাতে আছে। অর্থাৎ, আসনশূন্য হওয়ার মোট ১৮০ দিন সময়ও পার হয়ে যাবে জুলাই মাসে। এক্ষেত্রে বগুড়া-১ আসনে ১৫ জুলাই এবং যশোর-৬ আসনে ১৮ জুলাই ভোটের সময় শেষ হবে। ইতিমধ্যে একাদশ সংসদের ২ জন এমপির মৃত্যুতে পাবনা-৪ আসন এবং ঢাকা-৫ আসনটিও শুন্য হয়ে পড়েছে। এদিকে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ দিনদিন বাড়ছে। এই অবস্থায় ভোটের আয়োজন করা সম্ভব কিনা, তা নির্ভর করবে পরিস্থিতির উন্নতির ওপর।

পিআর