স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে

আগের সংবাদ

বাস ভাড়া বৃদ্ধি ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’

পরের সংবাদ

লিবিয়ায় বাংলাদেশি হত্যা ও আমাদের ‘আদম-ব্যবসা’!

রাহমান নাসির উদ্দিন

প্রকাশিত হয়েছে: মে ৩১, ২০২০ , ৭:৩২ অপরাহ্ণ

লিবিয়ার মিজদাহ শহরে গত ২৮ মে ২৬ জন বাংলাদেশিকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ১১ জন হয়েছেন গুরুতর আহত। একজন কোনোরকমে জান নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষত হন। তিনি এখন লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাসের হেফাজতে আছেন। নিহত ২৬ জনকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে রাখা হয় এবং আহত ১১ জনকেও সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। দেশি এবং বিদেশি বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স এবং প্রিন্ট মিডিয়ার রিপোর্ট, খোদ লিবিয়ার সংবাদমাধ্যমের বয়ান, বাংলাদেশ সরকারের ভাষ্য এবং লিবিয়ার বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম সেকান্দার আলীর বক্তব্য অনুযায়ী, ‘এসব বাংলাদেশি অবৈধভাবে লিবিয়ায় প্রবেশ করে ত্রিপোলি যাওয়ার পথে একজন মানবপাচারকারীকে হত্যা করে এবং তার প্রতিশোধ হিসেবে নিহত সেই মানবপাচারকারীর আত্মীয়-স্বজনের হাতে এরা নির্মমভাবে নিহত হয়।’ ভাবখানা এরকম যে, যেহেতু এরা একজনকে মেরেছে, সেহেতু ওরা ২৬ জনকে মেরেছে। মামলা ডিশমিশ! এ হত্যার ন্যায্যতা জায়েজের জন্য আরো বলা হয়েছে, ‘লিবিয়ার মিজদাহ শহরে কারো কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। সেখানে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির কোনো নিয়ন্ত্রণই নেই বললে চলে, কেননা সেটা নিয়ন্ত্রণ করে সশস্ত্র মিলিশিয়ারা। ফলে এটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা।’ অর্থাৎ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হলেই যে কাউকে নির্বিচারে গুলি করে মারা যাবে। পরিস্থিতির শিকার বানানোরও একটা চেষ্টা আছে কেননা লিবিয়ার বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত বয়ান করছেন, ‘দুপক্ষের যুদ্ধ সেখানে চলমান। এবং দুপক্ষে গুলির মুখে পড়েছে মিজদাহ শহর। অনেকে বলছে, এটা মানবপাচারকারীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলও হতে পারে আবার একপক্ষের ওপর অন্যপক্ষের প্রতিশোধও হতে পারে।’ সুতরাং এরা ‘ক্রসফায়ারের শিকার’! তবে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান অনুযায়ী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের মিডিয়াকে জানান, ‘ঘটনাস্থল মিজদাহ শহরের অবস্থান ত্রিপোলি শহর থেকে ১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে। প্রায় ১৫ দিন আগে লিবিয়ার আরেক শহর বেনগাজি থেকে মরুভ‚মি পাড়ি দিয়ে এসব হতভাগ্য ৩৬ জন বাংলাদেশি কাজের সন্ধানে ত্রিপোলি যাচ্ছিল। এমন সময় মানবপাচারকারীরা তাদের জিম্মি করে এবং তাদের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের জন্য নির্যাতন শুরু করে। নির্যাতিত বাংলাদেশিদের দিয়ে তাদের অনেকের বাংলাদেশের বাড়িতে ফোন করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। ত্রিপোলিতে নেয়ার পথে তাদের মিজদাহ শহরে নেয়ার পর তাদের ওপর শুরু হয় বর্বর নির্যাতন। অত্যাচার-নির্যাতনের চরমে পৌঁছার এক পর্যায়ে অত্যাচারিত এসব মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তারা সবাই মিলে এ অত্যাচারের মূল হোতা লিবিয়ান এক ব্যক্তির ওপর চড়াও হয় এবং তাকে হত্যা করে। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে খবর ছড়িয়ে যায় এবং ওই নিহত পাচারকারীর আত্মীয়-স্বজনরা আকস্মিকভাবে জিম্মিদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি করলে ২৬ বাংলাদেশি ঘটনাস্থলেই নিহত হয় এবং ১১ জন গুরুতর আহত হয়। আর যে একজন অক্ষত অবস্থায় পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়, তার বয়ানে আমরা এ তথ্য পাই।’ লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস যে হাসপাতালে মৃতদেহ এবং আহতদের রাখা হয়েছিল, তার সঙ্গে যোগাযোগ করে। লিবিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বাংলাদেশ দূতাবাস ‘ভারভালি’ জানায় (কেন লিখিতভাবে অফিসিয়ালি জানায়নি, তার ব্যাখ্যা নেই!) যাতে ঘটনার তদন্ত করা হয় এবং দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক সত্য হচ্ছে ঘটনার তদন্ত তো দূরের কথা, দোষীদের শাস্তি তো রীতিমতো আষাঢ়ের গল্প, ২৬ জন নিহত বাংলাদেশির লাশ পর্যন্ত দাফন করে ফেলা হয়েছে কোনো ধরনের আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি, বিধিবিধান, ক‚টনৈতিক সংস্কৃতি এবং জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের সনদকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে। বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে যোগাযোগ করা হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায় মিলিশিয়াদের চাপের মুখে দাফন করতে হয়েছে। আর লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির উত্তর হচ্ছে মিজদাহ শহরে আসলে রাজধানীর তেমন কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। কী হতভাগ্য এরা! ভাগ্যান্বেষণে যাওয়া এসব মানুষের পরিবার এদের লাশটা পাওয়ার অধিকার থেকেও বঞ্চিত হয়েছে। হতে পারে এসব বাংলাদেশি সেখানে অবৈধভাবে গিয়েছে এবং অনুপ্রবেশকারী হিসেবে অবৈধ পন্থায় লিবিয়াতে প্রবেশ করেছে। তাহলে আপনি ‘অবৈধ অনুপ্রবেশের’ অপরাধে লিবিয়ার প্রচলিত আইনানুযায়ী তাদের বিচার করেন। বিধি মোতাবেক শাস্তি দেন। কিন্তু তাদের তো আপনি গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করতে পারেন না। তাদের লাশটাকেও তার পরিবার-পরিজনকে শেষবারের মতো দেখার অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারেন না। এমনকি কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়া, বাংলাদেশ দূতাবাসকে কোনো ধরনের অবহিত না করে আপনি নিজে নিজেই তাদের লাশ দাফন করে ফেললেন। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একজন মানুষ হিসেবে এসব হতভাগ্য বাংলাদেশির যে মৌলিক ও মানবিক অধিকার, যা ১৯৪৮ সালের জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদে স্বীকৃত আছে, তা থেকে তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। তাই আমরা এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। কোথায় জাতিসংঘ? কোথায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন? কোথায় জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা? কোথায় অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল? কোথায় হিউম্যান রাইটস ওয়াচ? কোথায় মানবতার ডিলাররা? ২৬ জন মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো; কোনো ধরনের আন্তর্জাতিক বিধিবিধান ও রীতিনীতির তোয়াক্কা না করে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রীয় দূতাবাসের কোনো অনুমতি না নিয়ে তার নাগরিকদের নিজের ইচ্ছামতো জোর করে দাফন করে ফেলবেন, এটা হয় না। আজকের দুনিয়ার কোনোভাবেই এটা গ্রহণযোগ্য নয়।
উল্লেখ্য, যারা গাদ্দাফির বিপ্লবী তারিফ করতে করতে মুখে ফেনা তুলেন তাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি, লিবিয়া বাংলাদেশের পুরনো শত্রু । সেই ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় লিবিয়া পাকিস্তানের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিল এবং পাকিস্তানকে আর্থিক, নৈতিক এবং সামরিক সহযোগিতা দিয়েছিল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত অবস্থায়। তথাপি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই লিবিয়াতে মানুষ বৈধ-অবৈধ পন্থায় পাড়ি জমাতে থাকে। ষাটের দশকে লিবিয়াতে তেলের খনি আবিষ্কার হওয়ার পর থেকে লিবিয়া একটি তেলসমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশিদের জন্য ক্রমান্বয়ে লোভনীয় শ্রমবাজার হয়ে ওঠে। ২০১১ সালে গাদ্দাফিকে হত্যা, যে হত্যাকে আমি কোনোভাবে সমর্থন করি না, করার আগের দুবছর ২০০৯ ও ২০১০ সালে প্রায় ৩৪ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক লিবিয়া যায়। কিন্তু ২০১১ সালে গাদ্দাফি হত্যার পর যখন দেশটিতে যুদ্ধ-বিগ্রহ শুরু হয় তখন প্রায় ৩৪ হাজার প্রবাসী শ্রমিককে লিবিয়া থেকে ফেরত আনা হয়। এরপর থেকে লিবিয়ায় নানান দল, গোত্র এবং উপদলের কোন্দলে সেখানে যে অস্থিরতা তৈরি হয়, তার সুযোগ নিয়ে একদল মানবপাচারকারী ভ‚মধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে লিবিয়া হয়ে ইউরোপে মানবপাচারের একটা শক্ত ও মজবুত চক্র তৈরি করে। এবং এ চক্রের হাত ধরে হাজার হাজার লাখ লাখ লোক ইউরোপে পাড়ি দিয়েছে গত দশ বছরে। এবং আশ্চর্যজনকভাবে এ অবৈধ অভিবাসীদের একটা বড় অংশ হচ্ছে বাংলাদেশি। তাই প্রশ্ন হচ্ছে কেবল লিবিয়াকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর পাশাপাশি আমরা নিজেরা দেশ থেকে অবৈধ মানবপাচার রোধে কতটা সক্ষমতার পরিচয় দিচ্ছি। কেন এবং কীভাবে ভাগ্যের সন্ধানে অবৈধভাবে হিং¯্র এবং ভয়ঙ্কর মানবপাচারকারীর মাধ্যমে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমাচ্ছে, সেটা আমরা কতটা রোধ করতে পেরেছি! এটা আমরা সবাই জানি যে, এ অবৈধ মানবপাচার চক্রের সঙ্গে সঙ্গে যুক্ত আছে বাংলাদেশেরই একদল ঘৃণ্য আদম ব্যবসায়ী যারা নিজেদের অবৈধ ব্যবসা এবং অমানবিক মুনাফাখোরের মনোবৃত্তির কারণে এদেশের হতদরিদ্র, অসহায় এবং তরুণ বেকার যুবকদের জীবন-মৃত্যুর এ পুলসেরাতে ঠেলে দেয়। তাই লিবিয়ার মিজদাহে যে ২৬ জন বাংলাদেশিকে হত্যা করা হয়েছে, তাদের বিচারের কাঠগড়ায় বাংলাদেশি দালালদেরও দাঁড় করাতে হবে। কিন্তু দুঃখজনক হচ্ছে বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মানবপাচারের অভিযোগে প্রায় ৪৭০০ মামলা হয়েছে কিন্তু বিচার হয়েছে মাত্র ৩০টি। যদিও ২০১২ সালে মানবপাচার প্রতিরোধ আইন পাস করা হয় এবং ২০১৭ সালের এর বিধিবিধান তৈরি করা হয়। এ বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত ‘মানবপাচার রিপোর্ট ২০১৯’-এ বাংলাদেশ অংশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নারী ও শিশুরা মানবপাচারের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি এবং বিপজ্জনক অবস্থার মধ্যে রয়েছে। ২০২০ সালে জানুয়ারিতে প্রকাশিত র‌্যাবের এক তথ্যানুযায়ী, শুধু ড্যান্স ক্লাবের নামে গত দেড় বছরে সহ¯্রাধিক নারীকে বিদেশে পাচার হয়েছে। আরেক হিসাব অনুযায়ী ২০১৯ সালের প্রথম ৬ মাসে ভ‚মধ্যসাগর হয়ে অবৈধভাবে ইউরোপে ঢুকেছে প্রায় ১৭ হাজার অবৈধ অভিবাসী এবং ওই দলের ৪৪৩ জন সাগরে হারিয়ে গেছে যার কোনো হদিস এখনো পাওয়া যায়নি। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায় আটক করা হয় ১৯২ জন অবৈধ বাংলাদেশিকে। ২০১৮ সালের অক্টোবরে মেক্সিকোর দুর্গম পথে প্রায় ২০০ বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। ২০১৫ সালের মালয়েশিয়ায় পাওয়া গণকবরের কথা আমরা জানি যার অধিকাংশ ছিল বাংলাদেশি। এভাবে অসংখ্য মানবপাচারের ঘটনার কথা আমরা জানি কিন্তু মানবপাচার রোধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা আমরা এখনো দেখছি না। সে কারণেই প্রতি বছর প্রায় ৭ লাখ বাংলাদেশি অবৈধভাবে বিদেশে পাড়ি জমায়। এবং এ স্বপ্নযাত্রায় অনেকে নিষ্ঠুর এবং ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে না ফেরার দেশে চলে যায়। সেই মৃত্যুর মিছিলের সর্বশেষ সারথি হচ্ছে লিবিয়ার মিজদাহ শহরে নির্মমভাবে নিহত ২৬ হতভাগ্য বাংলাদেশি।
পরিশেষে বলব, এসব বাংলাদেশিই বৈধ-অবৈধ পথে জীবন-মৃত্যুর পুলসেরাত পাড়ি দিয়ে বিভিন্ন দেশে প্রবাসী শ্রমিক হয়ে যায় যারা প্রতি বছর গড়ে ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স পাঠায়। যার ফলে আমাদের অর্থনীতি চাঙ্গা হয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ে এবং আমরা উন্নয়নশীল থেকে উন্নত দেশের দিকে ধাবিত হই। কিন্তু কিছু মানুষের অনৈতিক, অসৎ এবং অতিমুনাফার বলি হয়ে কত ভাগ্যান্বেষী তরুণের জীবনাবসান হয় নিষ্ঠুর এবং নির্মম অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে, তার হিসাব আমরা আমাদের জিডিপি, বৈদেশিক মুদ্রার রিভার্স এবং উন্নয়নের সূচকে রাখি না। তাই মানুষ হিসাবে মানুষ এবং মুনাফার দ্বৈরথে মানুষের পাশে আমাদের দাঁড়াতে হবে যাতে আর কোনো ভাগ্যান্বেষী তরুণকে এভাবে বিদেশের মাটিতে নির্মম মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে বেওয়ারিশ দাফন হতে না হয়। ‘আদম-ব্যবসা’কে ‘জনশক্তি রপ্তানি’ নাম দিয়ে আমরা জাতে তুলেছি। কিন্তু লিবিয়ায় নিহত হতভাগ্যদের করুণ মৃত্যু এ জাতে ওঠা ‘জনশক্তি রপ্তানি’র ভেতরে যে কুৎসিত ‘আদম-ব্যবসা’র বজ্জাতি আছে তার সুরত আমরা নতুন করে দেখলাম। জাতির নামে বজ্জাতি সব, জাত জ্বালিয়ে আজ খেলছে জুয়া!!

ড. রাহমান নাসির উদ্দিন : নৃবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
[email protected]

ডিসি