বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম, সর্বত্র উৎকণ্ঠা

আগের সংবাদ
করোনাভাইরাস

ভয়ঙ্কর পথে যাত্রা শুরু

পরের সংবাদ

ও খেতে শুরু করলে থামতেই চায় না

প্রকাশিত: মে ২৯, ২০২০ , ১:০৯ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ২৯, ২০২০ , ১:৫১ অপরাহ্ণ
সৃজিত-মিথিলা

বিয়ে হয়েছে বছর হয়নি। লকডাউনের কারণে অনেক কিছুই হচ্ছে না। সৃজিতকে দাওয়াত করে আনাও হচ্ছে না বাংলাদেশে। ঈদ আর জামাইষষ্ঠী, সবই চলে যাচ্ছে। সৃজিত খাওয়ায় খুবই পটু। তাই মিথিলার মা সৃজিতকে খাওয়ানও বেশ। তবে সব পরিকল্পনা যেন নষ্ট করে দিল করোনা। এসব নিয়েই যেন একটু আক্ষেপ করে কথা বলছিলেন মিথিলা।

প্ল্যান ছিল অনেক। হলো না কিছুই। আমি বাংলাদেশে আর সৃজিত ভারতে। মাঝখানে কাঁটা হয়ে রয়েছে লকডাউন। জন্মদিন, ইদ আর আজ জামাইষষ্ঠী…দেখতে দেখতে পার হয়ে গেল সবই। সৃজিত আর আমার এ বছর প্রথম জামাইষষ্ঠী। কথা ছিল আফ্রিকা থেকে শুটিং সেরে বাংলাদেশ আসবে ও। আমার জন্মদিন, ইদ সব একসঙ্গে পালন করব সবাই মিলে। সে সব তো হয়ইনি। ভরসা ওই ভিডিও কল আর ফোন।

আমাদের যদিও ওভাবে জামাইষষ্ঠী বলে কিছু নেই, তবে সৃজিত এই মুহূর্তে এখানে থাকলে ওকে আম্মুর হাতের শুঁটকি মাছের ভর্তা, ইলিশভাপা আর কষা মাংস খাওয়াতাম। খেতে খুব ভালোবাসে। আর তো তা হলো না। তাই ওকে বলেছি, “এক কাজ কর, ওখানকার কোনো খাবারের দোকান থেকে তোমার পছন্দমতো খাবার কিনে খেও। মনে করো জামাই ষষ্ঠীর খাবার খাচ্ছ।”

তবে এটা ঠিক, ও আগে যতোবার এ দেশে এসেছে, জামাই আদর কিন্তু বেশ ভালভাবেই করা হয়েছে। বাহারি রান্নার পদ, ও যা যা ভালবাসে তাই রেঁধেছে আমার বাড়ির লোকেরা। আমার মায়ের হাতের রান্না আবার ওর বড়ই প্রিয়। এরকম বহু বার দেখেছি, ও খেতে শুরু করলে থামতেই চায় না। এমনিতেই আমাদের দাওয়াত মানেই দশ-পনেরো রকমের পদ হয়। কিন্তু সৃজিতকে কখনও খাওয়ার ব্যাপারে ক্লান্ত হতে দেখিনি। আমি বরং এখন বারণ করি, বলি একটু কম খাও। শরীরের দিকেও তো নজর রাখতে হবে। তবে আম্মুকে দেখেছি, ওকে খাইয়ে যা সুখ পায় তা যেন আর কিছুতে নেই। আমাদের প্রথম জামাইষষ্ঠী তোলা থাকল পরের বারের জন্য।

এমআই

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়