করোনায় প্রাণ হারালেন আরেক পুলিশ সদস্য

আগের সংবাদ

রোববার থেকে স্বাভাবিক নিয়মে চলবে ব্যাংক

পরের সংবাদ

অফিস-পরিবহন খুলে দেয়ায় বাম মোর্চার প্রতিবাদ

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: মে ২৮, ২০২০ , ৬:২১ অপরাহ্ণ

দেশে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু যেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে তখন বিশেষজ্ঞ মতামত উপেক্ষা করে সকল অফিস, আদালত, দোকানপাট খুলে দেয়া এবং সড়ক-নৌ-রেলসহ গণপরিবহন চলাচলের ঘোষণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বাম গণতান্ত্রিক জোট কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সমন্বয়ক ও বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশীদ ফিরোজ এবং কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য সিপিবি সভাপতি মুজাদিুল ইসলাম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, বাসদ এর সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাসদ (মার্কসবাদী)’র সাধারণ সম্পাদক মুবিনুল হায়দার চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জুনায়েদ সাকী, কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পদক মোশরেফা মিশু, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক সংবাদপত্রে দেয়া এক যুক্ত বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, যেখানে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন জুন এর ১৫ তারিখের পর দেশে করোনা সংক্রমণ চূড়ান্ত উচ্চে পৌঁছানো এবং তার পর থেকে সংক্রমণ কমার সম্ভাবনা রয়েছে তখন ৩১ মে থেকে সব খুলে দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত জনগণের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা এবং চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় বহন করে।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশে যখন সংক্রমণ ও মৃত্যু লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে তখন সরকারের এহেন সিদ্ধান্ত জনগণের বাঁচা মরাকে ভাগ্যের উপর ঠেলে দিয়ে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকা ও দায়িত্ব এড়ানোর অপচেষ্টা মাত্র।

নেতৃবৃন্দ বলেন, যেখানে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভঙ্গুর, সরকারের অস্থিরতা ও সমন্বয়হীনতা প্রকট সেখানে ‘হার্ড ইমিউনিটি’ লাইনে চলার সরকারের সিদ্ধান্ত দগরীবের ঘোড়া রোগের’ শামিল। কারণ যে সব দেশ হার্ড ইমিউনিটির কথা বলছে তারা গণহারে ব্যাপক জনগণকে করোনা শনাক্তকরণ পরীক্ষা করে আক্রান্তদের আইসোলেশনে নিচ্ছে, চিকিৎসা দিচ্ছে। আমাদের তো শুরু থেকেই পরীক্ষা সীমিত আকারে করা হচ্ছে, আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য গোপন করা, হাসপাতালসমূহের অব্যবস্থাপনা, চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে দুর্নীতি বর্তমান সরকারের ব্যর্থতাকে উন্মোচিত করেছে। এখন এই অর্বাচীন সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকার তার দায়িত্বহীনতার চরম প্রকাশ ঘটালো।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ জনগণের জীবনের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে নেয়া সরকারের সব কিছু স্বাভাবিক, সচল করার এহেন সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করে বিশেষজ্ঞ মতামতকে গ্রাহ্য করে অন্তত সংক্রমণ পিকে পৌঁছানো পর্যন্ত অফিস, আদালত, দোকানপাট, গণপরিবহন বন্ধ রাখার দাবি জানান।

পিআর