গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে পিবিআই কনস্টেবলের তাণ্ডব

আগের সংবাদ

সীমিত আকারে গণপরিবহনও চলবে

পরের সংবাদ

উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ মহিলা পরিষদের

করোনা দুর্যোগে বেড়েছে নারীর প্রতি সহিংসতা

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: মে ২৭, ২০২০ , ৭:৪২ অপরাহ্ণ

নারী ও শিশুদের প্রতি ধর্ষণ, গণধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন এবং পারিবারিক সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছে। কোভিড-১৯ সংক্রমণের এই দুর্যোগেও দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংস ঘটনা ঘটেছে। বর্বর সহিংস এমন ছয়টি ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।

বুধবার (২৭ মে) সংগঠনের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ফওজিয়া মোসলেম ও সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগের কথা জানানো হয়।

প্রসঙ্গত; ১৯ মে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলায় এক কিশোরীকে অপহরণ করে পাশের উপজেলার গ্রামের একটি বাড়িতে ছয়দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়। ২৪ মে ফেনী, শেরপুর ও পাবনায় চারটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। নওগাঁয় স্বামীর দ্বারা বর্বর সহিংসতার শিকার হন এক নারী। ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলায় দারোগার হাট এলাকায় এক শিশুকে ধর্ষণ করে প্রতিবেশি শফিক নামের এক ব্যক্তি। হিলিতে আদিবাসী পল্লীতে তৃতীয় শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে রহমত (৪৫) নামের এক ব্যক্তি। পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার গুনাইগাছা ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামে এক কলেজ ছাত্রী এবং শেরপুর জেলার সদর উপজেলার সাপমারী উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়। নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলার হাপানিয়া (দক্ষিণ বেলডাঙ্গা) গ্রামে স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন করে মাথার চুল কেটে ন্যাড়া করে দেয়াসহ গোপনাঙ্গে মরিচের গুঁড়া ঢেলে দিয়ে নির্যাতন করে ওই নারীর স্বামী ও শাশুড়ি।

বিবৃতিতে নেত্রীরা বলেন, এসব ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা নেয়াসহ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নির্যা্তনের শিকার নারী ও শিশুদের সুচিকিৎসাসহ তাদের ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি জানাচ্ছে। একইসাথে এ ধরনের নৃশংস, বর্বর ঘটনা প্রতিরোধে আশুকার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকার, প্রশাসনের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। সেইসাথে ধর্ষণ, গণধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন, পারিবারিক সহিংসতা এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা প্রতিরোধে সকল সামাজিক শক্তিকে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে।

পিআর