ঘোর দুর্দিন অতিক্রম করছে বাংলাদেশ

আগের সংবাদ

খুশির ঈদের আনন্দ কেড়ে নিল অগ্নিকাণ্ড

পরের সংবাদ

ঝিনাইগাতীতে কালবৈশাখীর ছোবল, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

শেরপুর পুতিনিধি

প্রকাশিত হয়েছে: মে ২৫, ২০২০ , ৪:১১ অপরাহ্ণ

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়াগ্রামের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখীর ছোবলে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বরিবার (২৪মে) রাতে প্রচণ্ড বেগে বয়ে যাওয়া কাল বৈশাখীর ছোবলে গোমড়াসহ আশপাশের এলাকার অর্ধশতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে গাছপালা ও শতাধিক কৃষকের কাকরুল, করলা,ধূন্দলসহ বিভিন্ন মৌসুমী সবজি ক্ষেত। ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে অনেকে খোলা আকাশের নিচে রয়েছে পরিবার পরিজন নিয়ে। এছাড়া কৃষকদের কলার বাগান,লিচু বাগান, আম,কাঠাল গাছের ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়েছে। ওই গ্রামের সালা উদ্দিন,মিজান, আসমত আলী,আব্দুল কুদ্দুস,আব্দুর রাজ্জাক, রুবেল, সুরুজ আলী,আব্দুল আজিজ,আছিয়া, শুকুর আলী,রমজান আলীসহ অর্ধশতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। ওইগ্রামের ইউপি সদস্য শাহজাহান মিয়া জানান,এ গ্রামের বাসিন্দারা, সবজি চাষের উপর নির্ভরশীল। প্রান্তিক কৃষকরা ভর বছর সবজি চাষ করে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবনজীবিকা নির্বাহ করে থাকে।

আঞ্জুয়ারা বেগম জানান, তিনি ২৫ শতাংশ জমিতে কাকরুল আবাদ করেছেন, এ জমিটুকুই তার পরিবারের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন। কিন্তু কাল বৈশাখীর ছোবলে তার কাকরুল ক্ষেতটি বিধ্বস্ত হওয়ায় তার মাথায় হাত পরেছে। সে এখন দিশেহারা। কি দিয়ে পরিবারের সদস্যদের ভরনপোষন যোগাবে এ চিন্তায় তিনি দিশেহারা। এ ধরনের শতাধিক কৃষকের মাথায় হাত পরেছে। নলকুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী ফর্সা জানান কালবৈশাখির ছোবলে অর্ধশাতাধিক বাড়িঘর ও শতাধিক কৃষকের সবজি ক্ষেতের ক্ষতিসাধিত হয়েছে। এতে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। অনেকেই রয়েছে খোলা আকাশের নীচে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হুমায়ুন কবির বলেন কালবৈশাখির ছোবলে কিছু সবজি ক্ষেতের মাচা বিধ্বস্ত হয়ে মাটিতে পরে গেলেও তেমন ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। যে সব কৃষকের ক্ষতি হবে তাদের কৃষি প্রনোদনা দেয়া হবে।

ডিসি