যুব মৈত্রীর উদ্যোগে ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

আগের সংবাদ

করোনার অভিজ্ঞতা আমাদের ঋদ্ধ করবে

পরের সংবাদ

চরফ্যাশনে আমফানের তাণ্ডব কৃষিতে

এআর সোহেব চৌধুরী, চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত হয়েছে: মে ২৩, ২০২০ , ৮:০৪ অপরাহ্ণ

ঘূর্ণিঝড় আমফানের তাণ্ডবে ডুবে গেছে দক্ষিণের কৃষি জমি ও ফসল। বুধবার (২০ মে) রাতভর ঘূর্ণিঝড়ে বাদাম, মুগডাল ও মরিচের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া পানের বরজসহ বিভিন্ন সবজি ও আম লিচু নষ্ট হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ভোলার চরফ্যাশনে বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে মাছের ঘের ও পুকুর। উপজেলার আহমদপুর, চর কলমি, কুকরি-মুকরি, ঢালচর ও মাদ্রাজ, ওসমানগঞ্জ এবং আমিনাবাদ ইউনিয়নে প্রায় ৩৭০ হেক্টর জমির ফসল পানিতে ডুবে যায় বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস।

আহমদপুর ইউনিয়নের কৃষক হোসেন আলী জানান, এমনিতেই চলমান মহামারি করোনায় তরমুজসহ অন্যান্য ফসলাদির সঠিক মূল্য পাইনি। এখন আবার মরার উপর খাঁরার ঘাঁয়ের মতো অবস্থা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আমফানের বাতাস ও বৃষ্টিতে মুগ ডালের অনেক ক্ষতি হয়েছে।

ঈদকে ঘিরে করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য অনেক কৃষক নতুন করে সবজি আবাদ করেছিলেন। ঝড় ও অতিবৃষ্টির জন্য এসব সবজিগাছ নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানান মাদ্রাজ ইউনিয়নের মো. আবেদ আলী। তিনি বলেন, আমার পুঁইশাক খেত পানিতে ডুবে গেছে। এছাড়া ঝিঙ্গা ও চিঙ্গার লতা নষ্ট হয়ে গেছে।

মাথায় করে বাড়ি আনা হচ্ছে বোরোধান

নুরাবাদ ইউনিয়নের চাষি মোমিন আলী বলেন, বাতাসের তাণ্ডবে ধানের শিষ থেকে অনেক ধান পড়ে গেছে। দমকা হাওয়ায় ধানগাছ নুয়ে পড়েছে। পানিতে বাদাম ও মুগডাল ডুবে গেছে। আমি এখন কি করবো ভেবে পাচ্ছি না। বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে সুদে টাকা নিয়েছি। কামলাদের মজুরিও পুরো শোধ করতে পারিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু হাসনাইন আহমেদ বলেন, ঘূর্ণিঝড় আমফানে উপজেলায় ৩৭০ হেক্টও জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে। যেসব চাষিরা লোকবলের অভাবে ফসল তুলতে পারছেন না তাদেরও ফসল কেটে দেয়ার জন্য আমরা ব্যবস্থা করে দিব।

এসআর