ঈদের দিন অনলাইনে মুক্তি পাচ্ছে শাটল ট্রেন

আগের সংবাদ

শরীর যেখানেই থাক, ঠিকানা প্রিয়ভূমি...

পরের সংবাদ

আমফানে লণ্ডভণ্ড উপকূলবাসী

শেখ সিরাজুদ্দৌলা লিংকন, কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত হয়েছে: মে ২৩, ২০২০ , ৯:৩৪ অপরাহ্ণ

অতীতের সব প্রাকৃতিক দূর্যোগকে হার মানিয়ে উপকূলবাসীকে সর্বহারা করে দিলো আমফান। বুধবার (২০ মে) দিবাগত রাতে দক্ষিণ উপকূল জুড়ে আঘাত হানে আমফান। লণ্ডভণ্ড হয়েছে জনপদ। বিধ্বস্ত হয়েছে অর্ধলক্ষাধিক ঘরবাড়ি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হাজার হাজার গাছ-পালা,  গৃহপালিত প্রাণী, জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে কোটি কোটি টাকার মৎস্য সম্পদ, ভেসে গেছে মানুষের কাথা-বালিশ, থালা-বাসন সহ নিত্য ব্যবহ্য  জিনিসপত্র। দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগ।

কপোতাক্ষ, শাকবাড়িয়া, নদীর ১২ টি স্থানে বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন। দুর্গত মানুষের সংখ্যা লক্ষাধিক। অনাহারে দিনাতিপাত করছে বহু মানুষ। সেনিটেশন ব্যবস্থা না থাকায় জীবন-যাপন হয়ে উঠছে দুর্বিসহ।

উপজেলা ত্রাণ কর্মকর্তা  জাফর রানা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ৫০ মেট্রিক টন চাল, নগদ ৭৫  হাজার টাকা সহ ৫০০ প্যাকেট ত্রাণ সামগ্রী বরাদ্দ পাওয়া গেছে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলিতে অবস্থানরত মানুষের খাদ্য সামগ্রী দেয়ার প্রস্তুতি চলছে। বাঁধের কাজে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তিন শতাধিকের একটি টিম কয়রাতে অবস্থান করছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত হরিণখোলা গ্রামের কেরামত আলী (৭৫) বলেন, আইলা, সিডরসহ অনেক বড় বড় ঝড়ের সঙ্গে দেখা হয়েছে। কিন্তু আমফানের এই ঝড় পানির কাছে হেরে গেছি। জোয়ারের তোড়ে ঘর ছেড়ে পরিবার পরিজন নিয়ে নৌকায় জীবন-যাপন করছি।

একই কথা বললেন ক্ষতি গ্রস্ত্ এলাকার আর কয়েক জন বৃদ্ধ মানুষ। তাদের একটাই দাবি আমরা ত্রাণ চাই না, টেকসই বেড়িবাঁধ চাই।

এসআর